বর্তমান তারিখ:May 25, 2020

সঠিক সময়ে সঠিক সিধান্ত নিতে শিখুন — এবং ভালো কিছু করুণ

সঠিক সময়ে সঠিক সিধান্ত নিতে শিখুন — এবং ভালো কিছু করুণ

কখনও কি আপনার সাথে এমন টা হয়েছে? যে আপনি কোন একটি সিধান্ত মন থেকে নিয়ে ফেলেছেন কিন্তু সব শেষে গিয়ে সব কিছুই একদম মাটি হয়ে গিয়েছে? হুম, আমি জানি কখনও না কখনও এমন টা আপনার সাথে অবশ্যই হয়েছে! ওয়েল ব্রো এটা যে শুধু আপনার সাথেই হয়ে থাকে ব্যাপার টা একদমই এমন না। মজার ব্যাপার হচ্ছে এই টাইপ এর কো-ইন্সিডেন্স আপনি, আমি বা আমরা – আমাদের সবার সাথেই প্রতিনিয়ত হয়ে থাকে!

কিন্তু এখানে মোড়াল ব্যাপার টা হচ্ছে এমন কেন হয় আমাদের সাথে? বা এই ব্যাপার টা কি কোন ভাবে বাইপাস করা পসেবল? হুম ভেবে বলতে হবে, হি,হি অতোটাও ভেবে কাজ নেই ব্রো – আপনি আমি বা আমরা চাইলেই এই বিষয় গুলি কে নিজেদের আয়ত্তে আনতে পারি। কিভাবে? ইম সেটাই আজ আপনাদের সাথে শেয়ার করবো, এবং চেস্টা করবো আপনাকে বুঝিয়ে বলার এই বিষয় গুলি আমাদের লাইফে প্রতিনিয়ত কিভাবে আমাদের ডাবিয়ে রাখছে ও তার ফলাফল সরূপ আমাদের ইচ্ছা থাকা সর্তেও আমরা অনেক কিছুতে পিছিয়ে পড়ছি। ওয়েল ব্রো তাহলে চলুন মেইন আর্টিকেলর দিকে ডুব দেওয়া যাক…

সঠিক সময়ে সঠিক সিধান্ত নিতে শিখতে হবে

নাও টাইম টু মুভ অন ব্রো! আর কতকাল নিজেকে গুটিয়ে রাখবেন এখনি সময় নিজেকে নিজের করে তৈরি করে নেওয়ার। এই সময় টাকে কাজে লাগান ও ভালো কিছু করুণ। আপনি যদি শুধু শুয়ে বসে থাকেন আর অন্যদিক দিয়ে, এভাবে চিন্তা করেন যে আপনি এটা করবেন ওটা করবেন এবং সব কিছু একদম আপনার ইচ্ছা মত হবে। তাহলে ব্রো আপনি একদম অন্য গ্রহে বসবাস করছেন। এই চিন্তা ধারা বদলান!

কি? আপনার মজা লাগছে বুঝি, কি বলে এসব আকাশ ব্রো? মাথা ঠিক আছে তো উনার? হ্যাঁ ব্রাদার আমার মাথা একদমই ঠিক আছে, এবং আমি একদম সুস্থ মস্তিষ্কে এই আর্টিকেল টি লিখছি। বেসিকেলি হয় কি – আমি এখন আপনাকে যে কথা গুলি বলছি এই টাইপ এর ভুল আমি আমার লাইফে অজস্র বার করে এসেছি। এবং এর থেকেই শিক্ষা লাভ করেছি। আমার এই ভুল গুলি থেকে দুটি বিষয় আমি শিখেছি “এক নিজেকে ঠিক ভাবে বুজতে বা চিনতে সক্ষম হয়েছি, এবং দ্বিতীয় নিজের করা ভুল গুলি থেকে মারাত্মক রকম ভালো শিক্ষা নিতে পেরেছি” বা এভাবেও বলা চলে ভালো কিছু শিখতে পেরেছি।

এখন আপনার মনে হতেই পারে যেহেতু আমি সঠিক সময়ে সঠিক সিধান্ত নি নাই, তার ফলে আপনি কিছু শিখতে বা কিছু অর্জন করতে পেরেছি। তাহলে কেননা আমিও এই কাজ গুলিই করি। ফলে আমিও আকাশ ব্রো এর মত কিছু শিখতে বা কিছু অর্জন করতে পারবো। ব্রো হ্যাঁ, আপনার চিন্তা ভাবনা কিছুটা ঠিক আছে আবার অনেক টাই মারাত্মক রকম বাজে আছে।

কিভাবে, যেমন?

আচ্ছা ধরে নেওয়া যাক, আমি আমার ভুল গুলা থেকে অনেক কিছু ভালো শিখতে তো পেরেছি! কিন্তু আমার এই সঠিক সময়ে সঠিক সিধান্ত না নেওয়ার ফলে আমাকে অনেক পিছিয়েও পড়তে হয়েছে। যা আমার কাছে মারাত্মক রকম বাজে একটা বিষয়।

আচ্ছা উদাহরন দিয়ে বলি, আমার কোন একটা কাছের ছোটো ভাই – এবং আমি আমরা দুজনে এক সাথেই এই ফিল্ডে আসি কাজ করবার জন্য। মানে ওর ও লেখালিখি করতে মারাত্মক রকম ভালো লাগা কাজ করতো এবং আমার ও সেইম ভাবে লেখালেখি করতে অসম্ভব রকম ভালো লাগা কাজ করতো। এখন ব্যাপার হচ্ছে আমি অনেক টা অলস প্রকৃতির ছিলাম এ জন্য আমি আমার ওই ছোটো ভাই টির থেকে অনেক কিছুতেই অনেক পিছিয়ে আছি, যেমন ও আমার থেকে অনেক বেশি রকম হার্ড ওয়র্ক করতে পারে, ওর চিন্তা শক্তি ক্ষমটা অনেক টা ব্রিধি পেয়েছি। এরকম আরও অসংখ্য বিষয় আছে যেগুলাতে ও আমার থেকে অনেক টা এগিয়ে।

আচ্ছা তাহলে আমার এখানে ভুল গুলি কি ছিল?

আমার ভুল গুলি এটাই ছিল আমি সময়ের কাজ সময়ে করতাম না! ইস কি হবে অতটা হার্ড ওয়র্ক করে, আমার যখন যেভাবে ইচ্ছা আমি সব কিছুই সেভাবে করবো তাতে কার কি? ওয়েল ব্যাপার টা এখন বুঝি আমার এই চিন্তা শক্তির জন্য কারো কিন্তু কিচ্ছু যায় আসে নি! যায় এসেছে শুধু আমার নিজের। তবে হ্যাঁ আজ ভালো কিছু করতে পারছি, বা ভালো কিছু অর্জন করতে পেরেছি এটাই অনেক।

কিন্তু আমি যদি সঠিক সময়ে সঠিক ভাবে নিজের মেধা, চিন্তা শক্তি কে ঠিক ভাবে কাজে লাগাতাম তাহলে মেবি আজ আরও ভালো কিছু শিখতে বা করতে পারতাম। একটা ব্যাপার কি, যে যতই জানুক বা বুঝুক না কেন শিক্ষার কিন্তু কোন শেষ নেই। আমি বিষয় টা এভাবে দেখি – আমি যে বিষয় টা বুঝি বা জানি এই বিষয় টা হয়তবা আপনি আমার থেকে বেটার জানেন বা বুঝেন! কিন্তু আপনি সঠিক সময়ে সঠিক ভাবে নিজের চিন্তা, ও মেধা কে কাজে লাগেতে পারেন নাই বলেই আজ আমি আপনার জায়গায় বা আমার জায়গায় আপনি বা অন্য কেউ।

মোড়াল ব্যাপার টা হচ্ছে!

আমরা অনেক সময় অনেক কেই দোষারোপ করি। আবার অনেক সময় এমন ও করি নিজেকেই নিজে দোষারোপ করি আজ আপনার জন্য আমি এটা করতে পারি নাই। বা আজ আমার নিজের কিছু ভুলের জন্য আমি এই যায়গাতে গিয়েও কিছু করতে পারছি না। আমি তো অনেক হার্ড ওয়র্ক করছি, আমি তো এই কাজটি সঠিক ভাবে করবার জন্য অনেক কিছু করেছি কিন্তু তারপরেও কেন আমার সাথে এমন হচ্ছে?

আসলে ব্রাদার এখানে বা এই টাইপ এর সিচুয়েশন নিজেকে দোষারোপ করাটা বন্ধ করুণ। ভাবুন নিজেকে নিজের পাস্টে নিজে যান, এবং পাস্ট ঘেঁটে দেখুন আপনি অনেক ভুল করেছেন! এবং আপনার করা ভুল গুলির মাঝে সব থেকে বড় ভুল টি হচ্ছে আপনি সঠিক সময়ে সঠিক সিধান্ত টাই নেন নাই। ফলে আজ আপনি সবার থেকে অনেক টা পিছিয়ে। তাই জন্য সঠিক সময়ে নিজের সঠিক সিধান্ত নেওয়াটা অতিব অবশ্যক।

সঠিক সময়ে কিভাবে সঠিক সিধান্ত নিবেন?

টান টান উত্তেজনা গল্পের একদম সাসপেন্স পর্যায়ে আপনি চলে এসেছেন। এবং ঠিক তখনই আপনার কোন একটা কারন বসত গল্প শোনা বাদ দিয়ে উঠে যাওয়া লাগবে। এখন চিন্তা করুণ তখন আপনার কেমন লাগবে? হুম হয়তবা ভালো, আবার হয়তবা অনেক খারাপ। আর আপনি এই ভালো লাগা ও খারাপ লাগাকে গুলিয়ে ফেলবেন এবং মনে মনে নিজেকে এটা ভেবে সান্তনা দিবেন যে, ও ঠিক আছে যা হচ্ছে ভালই হচ্ছে মেবি ইন ফিউচারে আরও ভালো কিছু হবে।

কিন্তু ঘটনা উল্টো হয়ে যায় তখনই যখন আপনি ফিউচারে গিয়ে দেখেন সব কিছুই আরও বেশি বাজে ও উল্টা পাল্টা হয়ে গিছে, তখন মাথা চাপড়ানো আর নিজেকে দোষারোপ করা ছাড়া আর কিছুই করার থাকে না। কিন্তু আপনি যদি সেই তখন গল্প শোনা থেকে না উঠে গিয়ে যদি ধৈর্য ধরে গল্পটা শেষ করতেন তাহলে মেবি আপনাকে আজ এই বাজে সময়ের মধ্যে দিয়ে যেতে হত না।

কিন্তু ব্যাপার টা এরকম আপনার কাছে এখন একটা অজুহাত একদম রেডি! আপনি কি জনাতেন নাকি আপনার সাথে এমন হবে? হুম ব্রো এটা কেউই জানেনা তবে আপনি যদি সঠিক সময়ে সঠিক ভাবে একটু চিন্তা করে সব কিছু করতেন তাহলে আজ আপনার কাছে থাকতো না এই বাজে সময় ও দিতে হতো না কোন অজুহাত।

আচ্ছা আরও কিছুটা খোলসা করে বুঝিয়ে বলার চেস্টা করছি – ধরুন আপনি ব্লগিং করতে এসেছেন বা আপনি একজন ইউটিউবার হবেন। এখন কিছুদিন সব কিছু ঠিক ভাবে আপনি করলেন কিন্তু কিছু দিন পর আপনার মাথায় ভুত চাপল আপনি একজন ওয়েব ডেভেলপার হবেন। “ভেরি গুড ডিসিশন” বাট গল্প ঘুরে গেলো কিছুদিন পর গিয়ে। আপনার ওয়েব ডেভলপ শিখতেও আর ভালো লাগছে না। আপনার যা করতে ভালো লাগে তা হচ্ছে আপনি শুধু শুয়ে বসে থাকবেন ও চিন্তা করবেন আর চিন্তা করা মাত্রই সব কিছু আপনি একদম হাতের কাছে পেয়ে যাবেন।

ভাই নিজেকে কি সেই আলাদ্দিন চিরাকের দৈত্য মনে করেন নাকি। যে আপনি যখন যেভাবে যা চিন্তা করবেন তাই হয়ে যাবে? না এমন কিছুই হবে না, নিজেকেই সব কিছু করতে হবে নিজের চিন্তা শক্তির সঠিক ব্যবহার করতে শিখতে হবে, ধৈর্য ধরতে শিখতে হবে। নিজের কাজ কে ভালো বাসতে হবে। এবং সব থেকে বড় যে বিষয় টা সঠিক সময়ে সঠিক সিধান্ত নিতে হবে।

দেখুন সঠিক সময়ে সঠিক সিধান্ত কেবল মাত্র আপনি নিতে পারেন, এখানে আমি বা অন্য কেউ আপনাকে হেল্প করতে পারবেনা।

হ্যাঁ, এই কথাটা শতভাগ সত্য সঠিক সময়ে আপনাকেই সঠিক সিধান্ত নিতে শিখতে হবে বা নিতে হবে। এখানে আমি বা অন্য কেউ আপনাকে কখনই কোন ভাবে হেল্প করতে পারবো না। কেননা আপনার ভালো লাগা, বা আপনার খারাপ লাগার বিষয় গুলি কেবল মাত্র আপনি নিজেই জানেন এখানে আমার কোন হাত নেই। বা আপনার নিজের উপর কতটুকু আত্মবিশ্বাস আছে এটাও কিন্তু কেবল আপনি নিজেই জানেন। সো নিজের সব কিছুই যেহেতু আপনি খুব বেশি ভালো জানেন তাই নিজের ভালো খারাপের দায়িত্ত ও নিজেকে নিতে শিখতে হবে ও নিজেকে এমন ভাবে তৈরি করতে হবে যাতে করে আপনি সঠিক সময়ে একদম সঠিক সিধান্ত নিতে পারেন।

সঠিক সময়ে সঠিক সিধান্ত নিতে পারলে আপনি সব দিক দিয়েই সফল হতে পারবেন!

হুম, সত্যি তাই, আপনি যদি নিজেকে ঠিক ভাবে বুজতে পারেও ও নিজের সব কিছু নিজেই ভালো ভাবে নিজের উপর ইমপ্লিমেন্ট করতে পারেন তাহলে ব্রদার আপনাকে আর আটকায় কে? ধরে নিবেন আপনি আপনার লক্ষে অনেক টাই এগিয়ে আছেন এখন শুধু একটু হিসাব করে আগালেই চলবে। ব্যাস এটটুকুই…

আর একটা বিষয় আপনার এখন এই কথা গুলি একটু বেশি রকম “হাই লেভেলের” লাগতে পারে তবে আপনি যখন নিজেকে ঠিক ভাবে বুজতে শিখবেন ও নিজেকে সঠিক ভাবে সঠিক সময়ে ইমপ্লিমেন্ট করতে পারবেন তখন মনে মনে হলেও আপনি আমাকে থ্যাংকস দিতে ভুলবেন না।

মারাত্মক রকম জ্ঞানী বা গুনি মানুষ আমি ওই কাতারে পড়ি না, এই যা শুধু নিজের এক্সপ্রিয়ান্স টুকু এই আর্টিকেলে শেয়ার করলাম। দয়া করে এটাকে অন্য লেভেলে নিয়ে যাবেন না। হ্যাপি লার্নিং 💕💕

ইমেজ ক্রেডিট; By Julien Bachelet Via Pexels

আপনিও কি আমার মত টেক পোকা, আপনারও কি নতুন নতুন টেকনোলজি বিষয়ে জানতে ভালো লাগে? তাহলে বন্ধু আপনি একদম সঠিক জায়গাতে এসেছেন, আমি এখানে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন টেক বিষয় নিয়ে আলোচনা করি, এবং টেকনোলজির জটিল টার্ম গুলা আপনার সামনে জলের মত সহজ করে উপস্থাপন করি...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *