বর্তমান তারিখ:May 25, 2020

হার্ড ওয়ার্ক করেও কোন লাভ হচ্ছে না, তাহলে স্মার্ট ওয়ার্ক করুন

হার্ড ওয়ার্ক করেও কোন লাভ হচ্ছে না, তাহলে স্মার্ট ওয়ার্ক করুন

মারাত্মক রকম হার্ড ওয়ার্ক করা সর্তেও কি সফলতার স্বাদ নিতে পারছেন না? খুব চিন্তায় আছেন কি করবেন? কিভাবে করবেন? আপনাকে দিয়ে হবে তো? আপনি পারবেন তো? যাই হোক, তো আজ এই টপিক নিয়ে কথা বলবো…

যেখানে আপনি অনেক হার্ড ওয়ার্ক করা সর্তেও কিছু করতে পারছেন না? তো এমন অবস্থায় আপনি কি করবেন? কিভাবে হার্ড ওয়ার্ক না করে স্মার্টলি ওয়ার্ক করবেন! এবং দ্রুত থেকে দ্রুততম সময়ে সফলতার স্বাদ নিতে পারবেন? তাহলে চলুন মেইন আর্টিকেলের দিকে মুভ করা যাক। সাথেই থাকুন…

হার্ড ওয়ার্ক করে কোন লাভ হচ্ছে না ????

উফ, কি যে যন্ত্রণা; আমি জানি ভাই, অনেক বেশি হার্ড ওয়ার্ক করা সর্তেও যখন সফলতা এসে ধরা দেয় না, তখন সব কিছুই কেমন একটা এলোমেলো লাগে, মনে হয় সময় টাই বুঝি খুব বেশি খারাপ হচ্ছে আমার সাথে!

আসলে সত্যি কথা বলতে কি, না আপনার সময় মোটেও মারাত্মক রকম খারাপ চলছে না, আপনি আপনার কাজ স্মার্টলি করছেন না বলেই আপনি সফলতার স্বাদ নিতে পারছেন না। প্রচণ্ড রকম সত্যি কথা বলছি ভাই আমি। আপনি যদি সেই একঘেয়ে ভাবে সব কিছু করে যান বা করতে চান, তাহলে কি তা হবে? মোটেও হবে না।

এখন জামানা পরিবর্তন হয়েছে, সব কিছুতেই নতুনত্তের ছোঁয়া চলে এসেছে, সো সব কিছুর সাথে নিজেকে এবং নিজের কাজ কে মানিয়ে গুছিয়ে নিতে হলে অবশ্যই স্মার্ট ওয়ার্ক করতে হবে।

উদাহরন !

এই যেমন একটু উদাহরন দিয়ে বুঝে নেওয়া যাক; আচ্ছা আমার ব্লগিং করতে অনেক বেশি রকম ভালো লাগে, এবং তারই সুত্রপাতে আমি ব্লগিং করছি। তবে ব্যাপার টা মোটেও এমন নয় যে এই ব্লগিং ফিল্ডে আমি একাই কাজ করছি। আমার মতো এরকম অনেক জনগন আছে যারা সেইম ভাবে ব্লগিং ফিল্ডে আছে, এবং ব্লগিং করে যাচ্ছে।

এখন এখানে কথা হচ্ছে ব্লগিং যেহেতু আমি একা করছি না, আমার মত অনেক জনগন আছে যারা ব্লগিং করছে, তো আমি তাদের কিভাবে টপকে আগে উঠবো। উত্তর, কিভাবে আর নিজে ভিন্ন কিছু করে, ওই সবার মত করে ব্লগিং না করে নিজের কিছু ভিন্নতার সাথে ব্লগিং করবো। অর্থাৎ সবার মত না করে স্মার্টলি কোন ওয়ে বের করে তারপর স্মার্টলি ওয়েতে কাজ করবো ব্যাস।

আচ্ছা আর একটা উদাহরন দিয়ে বুঝে নেওয়া যাক, এই যে আমি ব্লগিং করছি রাইট, আমার মত তো অনেকেই ব্লগিং করছে, তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই অনেকেই কিছু দিন ব্লগিং করার পর হাল ছেড়ে দিচ্ছে! কিন্তু কেন? ওয়েল তার কারন হচ্ছে প্রথম অবস্থায় প্রচণ্ড রকম হার্ড ওয়ার্ক করে কিছু দিন পর যখন দেখছে কিছুই হচ্ছে না; তখন নিরুপায় হয়ে ব্লগিং ছেড়ে দিচ্ছে।

তো এটাই হচ্ছে ব্যাপার, এই যেমন দেখুন যে ব্লগিং করা ছেড়ে দিচ্ছে বা দিছে, সে যদি আগে থেকে হার্ড ওয়ার্ক না করে স্মার্টলি ওয়ার্ক করতো তাহলে আজ সে ব্লগিং ছেড়ে দেওয়ার কথা চিন্তা করতো না।

এখানে মোড়াল অফ দা স্টোরি হচ্ছে; বর্তমান এই সময়ে সব কিছুতেই এতো বেশি কম্পিটিশন যে আপনি মারাত্মক রকম হার্ড ওয়ার্ক করা সর্তেও কিছুই করতে পারবেন না; তাই নিজেকে সবার থেকে ভিন্ন ভাবে প্রকাশ করার চেস্টা করুন, এবং ভিন্ন কিছু করুন।

ওই সবাই যা করছে আপনিও তাই করতে না গিয়ে নিজে থেকে ভিন্ন কিছু করুন, ব্যাস তাহলেই কেল্লাফতে আপনি যদি একটু নিজের নিজস্বতা দিয়ে একটু স্মার্টলি কাজ করতে পারেন, তাহলে আপনি অনেক সহজেই সফলতার মুখ দেখতে পাবেন।

স্মার্ট ওয়ার্ক শুরু করবো কিভাবে তাহলে?

অনেক হয়েছে হার্ড ওয়ার্ক, আর নয় হার্ড ওয়ার্ক; এখন সময় চলে এসেছে স্মার্টলি কিছু করার! ???????? বাট ওয়েট স্মার্ট ওয়ার্ক কি? বা কিভাবে শুরু করবো? ডোন্ট ওরি ভাই আমি আছি তো আমি আপনাকে পরিস্কার পস্ট ভাবে বুঝিয়ে বলছি।

স্মার্ট ওয়ার্ক কি ?

সহজ ভাবে বুঝিয়ে বলি হ্যাঁ, কোন একটি কাজ আপনি অন্যদের থেকে অনেক ভালো করে নিজের মত করে সহজ ভাবে যদি করতে পারেন তাহলে তাহাকেই স্মার্ট ওয়ার্ক বলে। আচ্ছা এবার একটু সিরিয়াস হয়ে বলি, ধরে নেওয়া যাক আপনি সহ আপনার দু তিন জন বন্ধুদের একটি কাজ দেওয়া হল, এখন আপনাদের সবার ভিতর থেকে আপনি সেই কাঙ্খিত কাজ টি খুব সহজ এবং সুন্দর ভাবে করে ফেললেন।

এখানে কে আগে কে পরে করেছে এটা মেটার করছে না, আপনি আপনার কাঙ্খিত কাজ টি স্মার্টলি সুন্দর ভাবে করেছেন। এবং আপনার কাঙ্খিত কাজ টি দেখা মাত্রই সবাই বুজতে এবং খুব ভালো করে বুজতে পারছে। তাহলে কি দাঁড়ালো? দাঁড়ালো এটাই যে আপনি আপনার মত করে, নিজের বেস্ট দিয়ে কাজ টি করেছেন, ফলে আপনি খুব সহজে সবাই কে বুঝতে সক্ষম হয়েছেন।

আর সেইম এভাবেই যদি আপনি যে কাজ টি করতে অনেক বেশি হার্ড ওয়ার্ক করেছেন, ওই কাজ টি সিম্পিল ভাবে নিজের মত করে করতেন, তাহলে আমি সিউর আপনার এতো বেশি হার্ড ওয়ার্ক করা লাগত না। আপনি এতো দিনে সফলতার স্বাদ গ্রহন করে ফেলতেন।

আমি এখানে কি কাজের কথা বলছি?

দেখুন কাজ একটা হতেই পারে, সে যাই হোক! হোক সেটা ব্লগিং করা বা ইউটিউবিং করা বা অন্য কিছু করা… কিন্তু সব কিছুর মোড়াল কিন্তু এখন একটাই, ভিন্ন এবং স্মার্ট ওয়ে তে নিজেকে নিজের বহিঃপ্রকাশ করাতে হবে।

নিজের কম্ফট জোন টা মাঝে মাঝে ভেঙ্গে বের হতে হবে, ভুল করে নিজের সীমারেখা টা পার করে ফেলতে হবে এবং সেখানে নিজের আধিবিস্তার করতে হবে।

এখন সময়ের সাথে আপনাকে পাল্লা দিয়ে চলতে হবে, রাইট নাও সময় টা এমন আপনি যে কাজই করতে চান না কেন সেখানে কম্পিটিটর এর সংখ্যা কিন্তু মোটেও কম না, তাই চেষ্টা করতে হবে তাদের কে টপকে আগে উঠার, এবং সেই টপকে উঠাটা কিন্তু খুব সহজ নয়, আপনাকে অনেক হার্ড ওয়ার্ক করতে হবে এর জন্য। কিন্তু আপনি যদি স্মার্ট ওয়েতে কাজ করে যেতে পারেন তাহলে অন্যকে টপকে উঠাটা আপনার জন্য কিছু বিরাট কিছু নয়।

মূলকথা

নিজেকে ভিন্ন ভাবে প্রকাশ করুন, আপনি বা আমি বা আমরা যে যেই কাজ করে থাকি না কেন, আমাদের প্রত্যেকেরই কিন্তু কম্পিটিটর আছে, তো নিজেকে এমন ভাবে তৈরি করুন যাতে আপনি আপনার কাজে অনেক পটু হয়ে উঠেন এবং আপনার কম্পিটিটর কে টপকে উঠতে পারেন…

আর হ্যাঁ কখনই হাল ছেড়ে দিবেন না, নিজেকে নিজে বুজতে শিখুন নিজেকে আগে সময় দিন, নিজে বুঝার চেস্টা করুন আপনার কাঙ্ক্ষিত কাজ টি করতে আপনার কততুকু ভালো লাগা করে! বা আপনি আপনার কাঙ্ক্ষিত কাজ টি কিভাবে সবার সামনে উপস্থাপন করতে পারছেন।

নিজের কাজ কে নিজেই মাঝে মাঝে উপলব্ধি করুন, এজ এ অডিয়েন্স নিজেকে নিজের কাজ জাজ করার দায়িত্ব দিন, যদি আপনি মনে করেন যে আপনি আপনার কাঙ্ক্ষিত কাজে পারফেক্ট তবে চোখ বন্ধ করে কাজে লেগে পড়ুন, সফলতা খুব বেশি দূরে নয় আপনার জন্য… ধন্যবাদ আপনার মূল্যবান সময় দিয়ে সাথে থাকার জন্য, আমাদের পরবর্তী আয়োজনে আমাদের সাথেই থাকুন, ভালো থাকবেন টা,টা

আপনিও কি আমার মত টেক পোকা, আপনারও কি নতুন নতুন টেকনোলজি বিষয়ে জানতে ভালো লাগে? তাহলে বন্ধু আপনি একদম সঠিক জায়গাতে এসেছেন, আমি এখানে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন টেক বিষয় নিয়ে আলোচনা করি, এবং টেকনোলজির জটিল টার্ম গুলা আপনার সামনে জলের মত সহজ করে উপস্থাপন করি...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *