শেয়ার হোস্টিং কেনার আগে যে বিষয় গুলো মনে রাখবেন

হোস্টিং কেনার আগে

প্রথমত আমরা যখনই নতুন করে একটি ব্লগ বা ওয়েবসাইট তৈরি করতে চাই। আমাদের তখনই সবার আগে প্রয়োজন পড়ে একটি ওয়েব সার্ভারের।

সহজ করে বললে, ওয়েবসাইট শুরু করতে চাইলে শুরুতেই প্রয়োজন পড়ে হোস্টিং এর।

তবে যদি আপনিও একটি নতুন ওয়েবসাইট বা ব্লগ তৈরি করতে চাচ্ছেন। তবে আপনার বিশেষ করে হোস্টিং সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে রাখা খুবই প্রয়োজনীয়।

কারণ একটি ওয়েবসাইটের সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ পার্ট হচ্ছে হোস্টিং, তাই জন্য হোস্টিং সম্পর্কে পরিপূর্ণ জ্ঞান রাখাটা অনেক বেশি জরুরি।

নতুন অনেকেই রয়েছে, তাদের হোস্টিং সম্পর্কে বিশেষ ভাবে জানা নেই। যার জন্য অনেক সময় ওয়েবসাইট রান করতে বিপাকে পড়ে যেতে হচ্ছে।

তো, আপনিও যদি জেনে নিতে চান কিভাবে সঠিক নিয়মে হোস্টিং কিনবেন? বা কিভাবে হোস্টিং কিনে ব্যাবহার করলে আপনাকে কোন সমস্যার মাঝে পড়তে হবে না।

তাহলে বন্ধু এই আর্টিকেল আপনার জন্যই। এই আর্টিকেল আমরা শেয়ার হোস্টিং সম্পর্কিত সকল কিছু বিস্তারিত করে আলচনা করব।

ও শেয়ার হোস্টিং কিভাবে সঠিক নিয়মে কিনে নিয়ে ব্যাবহার করতে পারবেন তা সম্পর্কে সঠিক গাইডলাইন প্রদান করব।

হোস্টিং কত প্রকার ও কি কি?

হোস্টিং এর মাঝে বুঝি পার্থক্য রয়েছে? হ্যাঁ বন্ধু অবশ্যই পার্থক্য রয়েছে। হোস্টিং মানেই শুধু হোস্টিং নয়।

হোস্টিং এর মাঝে কিছু ছোট বড় প্রকার ভেদ রয়েছে। নিচে বলছি সবকিছু।

হোস্টিং কত প্রকার?

  • Share Hosting
  • Virtual private server (VPS) hosting
  • Dedicated server hosting
  • Cloud hosting
  • Managed hosting
  • Colocation web hosting

এর মাঝে সাধারনত, নতুনেরা শেয়ার হোস্টিং এর সাথে বেশি পরিচিত। কারণ শেয়ার হোস্টিং প্রচুর কম দামে পাওয়া যায়।

বা বলা চলে শেয়ার হোস্টিং হচ্ছে বিগিনার ফ্রেন্ডলি, ও নতুনদের জন্য সব থেকে সেরা।

পূর্বেই আমাদের হোস্টিং কি ও কত প্রকার তা সম্পর্কে বিস্তারিত আর্টিকেল রয়েছে। তাই জন্য এখানে তা সম্পর্কে বেশি বলছি না।

কেন শেয়ার হোস্টিং আপনার জন্য সেরা।

শেয়ার হোস্টিং সেরা হওয়ার পিছে যথেষ্ট কারণ রয়েছে। যখন কথা আসছে একটি ওয়েবসাইট বা ব্লগ তৈরির। তখন আপনার অবশ্যই হোস্টিং এর প্রয়োজন পড়ছে।

আর স্বাভাবিক ভাবেই হোস্টিং নিতে চাইলে আপনাকে তার জন্য আপনাকে টাকা দিয়ে তা ব্যাবহার করতে হবে।

এবং যদি আপনি শেয়ার হোস্টিং না নিয়ে ক্লাউড বা ভিপিএস হোস্টিং ব্যাবহার করতে চান। তার জন্য আপনাকে প্রচুর টাকা দিতে হবে। যা অনেকের পক্ষে সম্ভব নয়।

এবং তা ছাড়াও মনে করুণ, আপনি ক্লাউড বা ভিপিএস সার্ভার ব্যাবহার করবেন। কিন্তু আপনি হোস্টিং ম্যানেজমেন্ট সম্পর্কে ভাল বুঝেন না।

তাই জন্য শুরুতেই শেয়ার হোস্টিং সব সময় নতুনদের জন্য সেরা।

তবে হ্যাঁ বন্ধু, যদি আপনি শেয়ার হোস্টিং কেনার পূর্বে কিছু বিষয় মাথায় রেখে তারপর হোস্টিং কিনে নিতে পারেন তবে আশা করা যায়, শেয়ার হোস্টিং আপনার জন্য সেরা প্রমাণিত হবে।

শেয়ার হোস্টিং কেনার আগে যে বিষয় গুলো সম্পর্কে জেনে নিতে হবে।

আমি প্রথম থেকে যেমন বলছি, শুরুতে সকলেই শেয়ার হোস্টিং দিয়ে শুরু করে। এবং আমিও যখন ব্লগিং শুরু করে তখন আমি নিজেও শেয়ার হোস্টিং থেকেই শুরু করেছিলাম।

তবে আমি তখন বিশেষ কিছু বিষয় সম্পর্কে তততা ভাল বুজতাম না, যার জন্য আমার ওয়েবসাইট তখন অনেক সমস্যর সম্মুখীন হয়েছে।

এবং আমি পরবর্তীতে বুজতে শুরু করি আমার ওয়েবসাইটে কেন এতো সমস্যা হচ্ছে, এবং আমি হোস্টিং পরিবর্তন করে ফেলি।

তাই জন্য শুরুতে হোস্টিং নির্বাচন সম্পর্কে বিশেষ ভাবে কিছু জ্ঞান রাখাটা খুবই জরুরি।

Disk Spece

অনেকের ধারনা রয়েছে, একটি হোস্টিং নির্বাচন করবার পূর্বে যদি অনেক বেশি ডিস্ক স্পেস পাওয়া যায়, তবে তা অনেক শক্তিশালী হোস্টিং।

জেনে রাখুন, এটা সম্পূর্ণ ভুল ধারনা। একটি সাধারন মানের ব্লগ বা ওয়েবসাইট হোস্ট করতে ৫ জিবি থেকে বেশি ডিস্ক স্পেসের প্রয়োজনীয়তা পড়ে না।

তাই জন্য শেয়ার হোস্টিং কিনবার পূর্বে শুধু ডিস্ক স্পেস এর দিকে ধ্যান না দেওয়ার পরামর্শ থাকবে।

শুধু মনে করবেন না, আপনি প্রচুর ডিস্ক স্পেস পাচ্ছেন অর্থাৎ আপনি প্রচুর শক্তিশালী হোস্টিং পেয়ে যাচ্ছেন।

এবং অনেক সময় ডিস্ক স্পেস অনেক বেশি হওয়ার জন্য, কিছু টাকা বেশি ও দিতে হয়ে থাকে। কিন্তু যদি আপনার প্রয়োজনই না পড়ে তাহলে কেন বেশি ডিস্ক স্পেস বেশি টাকা দিয়ে নিতে যাবেন।

কিন্তু, যদি আপনি এমন ওয়েবসাইট তৈরি করবেন যেখানে প্রচুর ছবি,ফাইল, মিডিয়া থাকবে কেবল তখন বেশি ডিস্ক স্পেস নিয়ে ব্যাবহার করতে পারেন।

আমরা আবারও বলছি মনে রাখুন, বেশি ডিস্ক স্পেস মানেই প্রচুর শক্তিশালী সার্ভার নয়।

এবং সব সময় মনে রাখবেন আপনাকে যে ডিস্ক স্পেস টুকু দিচ্ছে তাতে কি ব্যাবহার করা হয়েছে, HHD, Pure SSD, নাকি NVMe SSD যদি আপনাকে প্রচুর অল্প দামে HDD ডিস্ক স্পেস দিচ্ছে তবে তা ব্যাবহার না করবার পরামর্শ থাকবে।

Pure SSD অথবা NVMe SSD থেকে ডিস্ক স্পেস নিয়ে ওয়েবসাইট তৈরি করে নিতে পারলে ভাল হবে। তাহলে আপনার ওয়েবসাইট প্রচুর ফাস্ট লোড হবে ও আপনার সার্ভার থেকে বেশি ট্র্যাফিক হান্ডেল করতে পারবে।

Bandwidth

সঠিক ভাবে ব্যান্ডউইথ সম্পর্কে জেনে রাখাটা হোস্টিং নির্বাচন করবার সময় আপনাকে প্রচুর সাহায্য করবে।

যদি আপনি সাধারন ওয়েবসাইট বা পার্সোনাল ব্লগ তৈরি করছেন তাহলে আপনার প্রচুর ব্যান্ডউইথ এর কিছুই দরকার পড়বে না।

শুরুতে প্রতি মাসে ১০০জিবি ব্যান্ডউইথ যথেষ্ট কি সাধারন ওয়েবসাইটের জন্য। তবে অনেকেই ব্যান্ডউইথ নির্বাচন এর মধ্যে কিছুটা বাজে ভাবে ফেসে যায়।

অনেকেই মনে করে যদি ওয়েবসাইটের জন্য আনলিমিটেড ব্যান্ডউইথ নেওয়া যায়। তাহলে খুব ভাল হবে আশা করা যায়।

তবে আপনি জেনে রাখুন, আনলিমিটেড ব্যান্ডউইথ নেওয়ার আপনার একটুও দরকার নেই। কেননা আপনি যখন নতুন ওয়েবসাইট তৈরি করবেন তখন আপনার কাছে প্রচুর ট্র্যাফিক থাকবেনা।

ফলে আপনার এতো ব্যান্ডউইথ কি কাজে লাগবে। আর যখন আপনার ওয়েবসাইটে প্রচুর ট্র্যাফিক আশা শুরু করবে তখন আপনি শেয়ার হোস্টিং থেকে ক্লাউড হোস্টিং বা ভিপিএস হোস্টিং নিয়ে নিবেন।

কেননা শেয়ার হোস্টিং থেকে প্রচুর ভিজিটর সামলানো সম্ভব নয়।

Cpu & Ram

সাধারন ভাবে বলা চলে আপনার বাসার কম্পিউটার ও হোস্টিং সার্ভার বিষয় টা একই। তবে হ্যাঁ এখানে কিছু টেকনিক্যাল টার্ম রয়েছে যা এখানে আলচনা করছি না, এতে এই আর্টিকেলের ভাব মূর্তি নষ্ট হবে।

এখন একটা বিষয় তো আপনি নিজেও খুব ভাল করেই বুঝেন, আপনার কম্পিউটারে যত বেশি ভাল CPU থাকবে ও যতটা বেশি Ram থাকবে আপনার কম্পিউটার তততা ভাল পারফর্মেন্স করবে।

এই একই ব্যাপার হচ্ছে হোস্টিং এর খেত্রেও। যদি আপনি এমন হোস্টিং নির্বাচন করছেন যেখানে প্রচুর Ram ও ভাল CPU রয়েছে।

তখন আপনার ওয়েবসাইট প্রচুর গতিতে লোড হবে ও আপনার ওয়েবসাইট সম্পূর্ণ ভাবে সুস্থ থাকবে এবং বলা চলে একটু বেশি ভাল পারফর্মেন্স করতে পারবে।

তাই জন্য শেয়ার হোস্টিং কিনবার পূর্বে ডিস্ক স্পেস, ও ব্যান্ডউইথ এর সাথে সাথে CPU ও Ram নির্বাচনে বিশেষ ভাবে খেয়াল রাখবেন।

Access

হোস্টিং নেওয়ার পূর্বে আপনাকে বিশেষ ভাবে নজর দিতে হবে যে আপনি আপনার হোস্টিং এর সম্পূর্ণ অ্যাক্সেস পাচ্ছেন কিনা?

কেননা কিছু কিছু সময় রয়েছে যখন আপনার সম্পূর্ণ হোস্টিং অ্যাক্সেস এর খুব বেশি প্রয়োজন পড়বে, বিশেষ করে শেয়ার হোস্টিং এর খেত্রে এটা দেখে নেওয়াটা খুবই জরুরি।

যদি আপনাকে সম্পূর্ণ Cpanel অ্যাক্সেস দেওয়া হয় তাহলে তা আপনার জন্য খুবই ভাল হবে। কেননা Cpanel একদম বিগিনার ফ্রেন্ডলি। নতুনদের সব কিছু বুঝে নিতে প্রচুর কষ্ট করতে হবে না।

কিন্তু যদি আপনাকে শুধু FTP অ্যাক্সেস দেওয়া হয়, তাহলে এমন অনেক বিষয় রয়েছে যা নতুনেরা ঠিক ভাবে করে নিতে পারবেনা।

তাই জন্য, হোস্টিং কিনার আগে আপনি সম্পূর্ণ হোস্টিং অর্থাৎ Cpanel অ্যাক্সেস পাচ্ছেন কিনা তা সম্পর্কে ভাল করে জেনে নিবেন।

Security

বর্তমান সময়ে নিয়মিত ওয়েবসাইট সিকিউরিটি নিয়ে আপনাকে প্রচুর ধ্যান রাখতে হবে। তবে একদম নতুনদের জন্য ওয়েবসাইটের সকল সিকিউরিটি সঠিক ভাবে মেইন্টেইন করে নেওয়াটা কঠিন।

তাই জন্য সেরা উপায় হচ্ছে, সার্ভার লেভেল থেকে সম্পূর্ণ সার্ভার কেই সিকিউর করে রাখা।

আপনি যখন হোস্টিং কিনবেন বিশেষ ভা শেয়ার হোস্টিং তখন সিকিউরিরি সম্পর্কে বিশেষ ভাবে এটা মনে রাখবেন।

কেননা শেয়ার হোস্টিং এক সাথে অনেকেই ব্যাবহার করতে হয়। ফলে যদি আপনার সার্ভারে থাকা অন্য কেই হ্যাক হয়ে থাক, এই জন্য আপনাকেও হ্যাকিং এর স্বীকার হতে পারে।

আপনি যাদের থেকে হোস্টিং নিচ্ছেন তারা যদি সিকিউরিটি সম্পর্কে কিছু উল্লেক না করে থাকে, প্রয়জনে হোস্টিং নেওয়ার পূর্বে তাদের সাথে কথা বলে সিকিউরিটি সম্পর্কে জেনে নিতে হবে।

Support

শেয়ার হোস্টিং এর অনেক গুরুত্বপূর্ণ পার্ট হচ্ছে সাপোর্ট। মনে করুণ আপনি একদম নতুন ওয়ার্ডপ্রেস ইউজার, এবং আমি কিছু শিখতে বা করতে গিয়ে কিছু ভুল করে ফেলেছেন?

এখন কি করবেন? যদি আপনি ওয়ার্ডপ্রেস বা সার্ভার সম্পর্কে কিছুটা পূর্বে অবগত হয়ে থাকেন তখন এটা আপনার জন্য কঠিন কিছু হবে না।

কিন্তু আপনি একদম নতুন হলে এই সমস্যা ঠিক করতে চাইলে আপনাকে হোস্টিং প্রোভাইডারদের সাপোর্ট প্রয়োজন পড়বে।

এখন মনে করুণ, আপনি গভির রাতে আপনার ওয়েবসাইটে কিছু কাজ করছেন। এবং তখন আপনি কিছু ভুল করে ফেললেন।

কিন্তু আপনি সাপোর্ট কে নক দিয়ে হতাশ। আপনাকে সাহায্য করবার জন্য কেই নেই।

তাই জন্য বিশেষ ভাবে শেয়ার হোস্টিং কিনার আগে সাপোর্ট সংক্রান্ত সকল বিষয় গুলো সম্পর্কে বিশেষ ভাবে সতর্ক থাকবেন।

আপনি যে যায়গা থেকে হোস্টিং কিনবেন, হোস্টিং কিনবার পূর্বে তাদের সাপোর্ট কেমন তা সম্পর্কে ভাল করে জেনে নিবেন।

Location

আপনার ওয়েবসাইট কতটা দ্রুত বা কতটা ধিরে লোড হবে এটা নির্ভর করে সার্ভার লোকেশন এর উপর। তাই জন্য হোস্টিং কিনে নেওয়ার আগে সার্ভার লোকেশন সম্পর্কে জেনে রাখতে হবে।

আপনি কেমন ওয়েবসাইট তৈরি করছেনে ও আপনার সাইটে কোন যায়গা থেকে ট্র্যাফিক আসতে পারে সব কিছু সম্পর্কে পূর্বে বিবেচনা করে তারপর সার্ভার লোকেশন নির্বাচন করতে হবে।

মনে করুণ, আপনার ওয়েবসাইটে যদি বাংলাদেশ বা ইন্ডিয়া থেকে ট্রাফক বেশি হয়ে থাকে তাহলে আপনাকে সেই অনুপাতে সার্ভার লোকেশন নির্বাচন করতে হবে।

বাংলাদেশের জন্য সিঙ্গাপুর, বা জার্মানি লোকেশন নির্বাচন করে নেওয়াটা ঠিক হবে। এবং আপনি “BDIX” সার্ভার নিয়েও ব্যাবহার করতে পারেন।

হোস্টিং কিনার আগে সব সময় সার্ভার লোকেশন নির্বাচন সম্পর্কে তাই জন্য ভাল করে মনে রাখতে হবে।

Backup

বর্তমানে ওয়েবসাইট ব্যাকআপ করে নেওয়ার জন্য অনেক উপায় রয়েছে। তবে সর্বদা এক্সট্রা সিকিউরিটির জন্য সার্ভার লেভেল থেকে ব্যাকআপ রাখাটা প্রচুর বুদ্ধিমানের কাজ।

কেননা অনেক সময় কিছু ভুল করার জন্য অথবা কিছু টেকনিক্যাল ট্রুটির কারনে আপনার ওয়েবসাইটে সমস্যা হতে পারে।

এবং যদি অবস্থা এমন হয়, আপনি আপনার ওয়েবসাইটে অ্যাক্সেস করতে পারছেন না, তখন কিভাবে আপনার ওয়েবসাইট রিকভার করে নিবেন?

তাই জন্য ম্যানুয়ালি ব্যাকআপ রাখার সাথে সাথেও সার্ভার লেভেল থেকে ব্যাকআপ রাখাটাও কিন্তু প্রচুর দরকারি।

তাই জন্য হোস্টিং কেনার আগে সব সময় সার্ভার লেভেল ব্যাকআপ সম্পর্কে বিশেষ ভাবে নজর রাখবেন।

আমাদের শেষ কথা

যদি আপনি শেয়ার হোস্টিং কেনার আগে আই আর্টিকেলে উল্লেখিত সব গুলো বিষয় সম্পর্কে মনে রেখে হোস্টিং কিনতে পারেন।

তাহলে আপনি ভাল মানের শেয়ার হোস্টিং কিনে নিতে পারবেন ও হোস্টিং সম্পর্কিত ছোট বড় অনেক সমস্যা থেকেই নিজের ওয়েবসাইট সুরক্ষিত রাখতে পারবেন।

তাহলে বন্ধুরা আশা করছি, আপনি নতুন কিছু শিখতে পেরেছেন এই আর্টিকেল থেকে। এবং যদি আপনার এই আর্টিকেল সম্পর্কে কিছু জানার থাকে বা কোন মতামত থাকে তাহলে তা নিচে কমেন্ট করে জানাতে পারেন।

Hi, i'm Akash Golder, Author & founder of "LarnBD", A blog that provides authentic information regarding technology, blogging, SEO, online earn money, how to guide & much more.

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *