সফটওয়্যার পাইরেসি কি? আপনি ফাঁদে পড়েন’নি তো?

সফটওয়্যার পাইরেসি কি? ওয়েল, আপনার মাথায় এখন কি ঘুর,পাক খাচ্ছে আপনি কখনও সফটওয়্যার পাইরেসি করেছেন কিনা? হুম হ্যাঁ, শতভাগ নিশ্চিন্ত থাকতে পারেন এই বিষয়ে আপনি আমি এবং আমরা সকলেই কখনও বা কখনও পাইরেটেড সফটওয়্যার ইউজ করেছি।

এবং হ্যাঁ, আজকের টপিক ও এই সফটওয়্যার পাইরেসি কি তার উপর, আজ এই আর্টিকেলে আপনাদের সাথে শেয়ার করব সফটওয়্যার পাইরেসি কি? এবং আপনি কি এই সফটওয়্যার পাইরেসির ফাঁদে পা দিয়েছেন, যদি দিয়ে থাকেন তাহলে কি হতে পারে। এবং তার থেকে পরিত্রান পাওয়ার রাস্তা কি?

ওয়েল, আমার ভাই, বন্ধু ধৈর্য ধরুন ও সিট বেল্ট শক্ত করে বেধে ফেলুন, আন্ড হেয়ার উই গো, চলুন এবার মুল আর্টিকেলের মাঝে ডুব দেওয়া যাক।

সফটওয়্যার পাইরেসি কি?

প্রথমেই আমাদের এটা জেনে নেওয়া টা অতান্ত জরুরি যে সফটওয়্যার পাইরেসি কি? আচ্ছা আমরা খুব সহজ ভাষায় জেনে নিব যে সফটওয়্যার পাইরেসি কি – ধরুন একটি পপুলার বা অতান্ত জনপ্রিয় একটি কম্পিটারের সফটওয়্যার বা একটি এন্ড্রয়েড অ্যাপস!

  • উদাহরন সরুপঃ কম্পিটারের জনপ্রিয় ডাউনলোডিং সফটওয়্যার “আইডিএম – IDM” জার অফিসিয়াল মূল্য প্রতিটা কম্পিটারে ১ বছর ব্যবহার করার জন্য $11.95 ডলার।

আচ্ছা এখন আপনি সত্য করে বলুন তো আপনি কি এই সফটওয়্যার টি টাঁকা দিয়ে কিনে নিয়ে ব্যবহার করছেন? উত্তর না, কিসের টাকা দিয়ে কিনে ব্যবহার – একটু গুগল বা ইউটিউব করলে হাজারো ক্রাক ভার্সন পাওয়া যায় এই সফটওয়্যারের, তাহলে কেন আমি টাকা দিয়ে কিনতে যাব!

যদি এ পর্যন্ত সব কিছু ঠিক থাক থাকে, মানে আপনি গুগল বা ইউটিউব থেকে যে কোন পেইড সফটওয়্যার বা অ্যাপস ফ্রীতে ব্যবহার করছেন।

তাহলে আপনি যেনে হোক বা না যেনেই হোক, আপনিও কিন্তু পাইরেসি করছেন। এবং এই পাইরেসি আপনার ভার্চুয়াল লাইফে মারাত্তক বাজে ভাবে প্রভাব ফেলতে পারে। কিভাবে, আচ্ছা নিচে বিস্তারিত ব্যাখ্যা করে বলছি।

তাহলে এখানে মোরাল বাপার টা কি, সফটওয়্যার বা অ্যাপস পাইরেসি কি এটা কি আপনি বুজতে পেরেছেন?

ওয়েল, কোন বাপার না চলুন আরও কিছু উদাহরন দিয়ে বুঝে নেওয়া যাক পুরা সিস্টেম টা।

আচ্ছা আপনি আপনার কম্পিটার অপারেট করবার জন্য কি ওএস ইউজ করেন, হুম বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই উইন্ডোজ, হুম যদি আপনি আপনার কম্পিটার অপারেট করার জন্য উইন্ডোজ ব্যবহার করে থাকেন তাহলে আপনি এখানেও পাইরেসি করছেন।

কিভাবে, আচ্ছা আপনি কি উইন্ডোজ টাকা দিয়ে কিনে তারপর ব্যবহার করছেন? নাকি লোকাল মার্কেট থেকে সস্তায় ৫০ টাকায় ডিভিডি কিনে তাই ব্যবহার করছেন?

আমাদের দেশে বেশির ভাগ মানুষ’ই পাইরেটেড উইন্ডোজ ব্যবহার করে। পাইরেটেড উইন্ডোজ নিয়ে আগে আমার একটি ডিডিকেটেড আর্টিকেল পাবলিশ করা আছে এই জন্য পাইরেটেড উইন্ডোজ নিয়ে এখানে আর কিছু বলছি না।

এখন আগের গল্পে ফিরে আসি, আপনি যদি আপনার কম্পিটার অপারেট করার জন্য উইন্ডোজ ইউজ করে থাকেন তাহলে আপনি অবশ্যই কখনও বা কখনও ‘আডোবি প্রিমিয়ার, এডোবি আফটার ইফেক্ট, এডোবি ইনসুলেটর’ এই সকল সফটওয়্যার গুলি ব্যবহার করেছেন!

হুম, এটা নিশ্চিন্তেই বলা চলে যে এই সকল সফটওয়্যার আপনি, আমি বা আমরা কম বেশি সবাই ইউজ তো করি কিন্তু এই সফটওয়্যার গুলি কি আমরা টাকা দিয়ে কিনে তারপর ব্যবহার করি, উত্তর না।

আমার কি খেয়ে কাজ নেই যে আমি টাকা দিয়ে এসকল সফটওয়্যার কিনে ইউজ করতে যাব। হা, হা,হা ব্রাদার তাহলে এখানেও আপনি সফটওয়্যার পাইরেসি করছেন বা পাইরেটেড সফটওয়্যার ইউজ করছেন!

তাহলে এখন কি বিষয় টা বুজতে পেরেছেন, সফটওয়্যার পাইরেসি কিভাবে কাজ করে বা কি! একদম সহজ ও সিম্পিল ভাষায় বলতে গেলে কোন একটি পেইড সফটওয়্যার বা অ্যাপস কে ক্রাক করে সেই সফটওয়্যার কে যখন সকল ইন্টারনেত ইউজার-গন দের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়, ঠিক তখনই এই বিষয় টাকে সফটওয়্যার পাইরেসি বলা হয়ে থাকে।

সফটওয়্যার প্রদান-কারি কম্পানি গুলা কেন তাহলে পাইরেসি বন্ধ করে না?

এখানে অনেক বড় রকম গেম খেলা হয় আমাদের মাইন্ড এর সাথে, হ্যাঁ সত্যি ভাই এই কম্পানি গুলা সফটওয়্যার বা অ্যাপস পাইরেসি বন্ধ না করে দেওয়ার পিছনে অনেক বড় বড় কাহিনী আছে, বলছি বিস্তারিত!

  • আপনাকে অভ্যস্ত করে তোলা – হ্যাঁ, এই কম্পানি গুলা চাইলেই কিন্তু মুহূর্তেই মাঝে তাদের সফটওয়্যার পাইরেসি বন্ধ করে ফেলতে পারে। বাট না, এমন করলে তারা আপনাকে, আপনাকে তাদের সফটওয়্যার এর উপরে আডিক্টেড করে তুলবে কিভাবে।

হ্যাঁ, আপনি একটু লক্ষ করে দেখবেন যেসব বড় বড় সফটওয়্যার কম্পানি আছে তারা কিন্তু সফটওয়্যার পাইরেসি নিয়ে তেমন একটা মাথা ব্যথা দেখায় না।

তার কারন এই সফটওয়্যার কম্পানি গুলি যেনে বুঝে আপনার সাথে মাইন্ড গেম খেলছে – অর্থাৎ আপনি সারাজীবন আডোবি প্রিমিয়ার প্রো দিয়ে কাজ করতে অভ্যস্ত, এখন আপনাকে যদি এভিড মিডিয়া কম্পোজার ধরিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে আপনি কি সঠিক ভাবে আপনার কাঙ্খিত কাজ টি করতে পারবেন?

উত্তর না, পারবেন না, আর ঠিক এভাবেই আপনার সাথে গেম খেলা হয় – অর্থাৎ এই অনেক দামি সফটওয়্যার গুলা পাইরেসি নিয়ে এজন্যই মাথা ব্যথা দেখায় না। তার কারন হচ্ছে তাদের সফটওয়্যার বা অ্যাপস এর সাথে আপনাকে পুরাপুরি ভাবে অভ্যস্ত করে ফেলার জন্য।

যার ফলে আপনি যখন নিজের পার্সোনাল কাজের জন্য এই পাইরেটেড সফটওয়্যার ব্যবহার করেই সব কিছু করতে পারছেন, অন্য দিকে যখন আপনি কোন আইটি-কম্পানি বা কোন অর্গানাইজেশন এর জন্য এই পাইরেটেড সফটওয়্যার ইউজ করতে যাবেন।

ঠিক তখনই এই সফটওয়্যার প্রদান-কারি কম্পানি গুলা সেই অর্গানাইজেশন বা আইটি কম্পানি গুলার উপরে থাবা বসিয়ে থাকে, অর্থাৎ আপনি যদি পার্সোনাল ভাবে কোন পাইরেটেড সফটওয়্যার ইউজ করতে চান তাহলে কোন সমস্যা নেই- কিন্তু আপনি যদি সেই পাইরেটেড সফটওয়্যার কোন অর্গানাইজেশন এর জন্য ইউজ করতে চান।

তবে তা আপনি পারবেন না, আপনাকে আইটি-কম্পানি বা অর্গানাইজেশন এর জন্য তাদের সফটওয়্যার ইউজ করতে চান তাহলে আপনাকে তাদের সফটওয়্যার বাধতামুলক ভাবে কিনে তারপর ব্যবহার করতে হবে।

এখানে মোরাল বাপার টা বুজতে পারছেন তাহলে, আপনাকে প্রথমে পাইরেটেড সফটওয়্যার ব্যবহার করতে দিয়ে অভ্যস্ত করে তুলছে, তারপর আপনি যখন কোন কম্পানিতে কাজ করতে যাচ্ছেন ঠিক তখন আপনার সাথে সেই মারাত্তক গেইম টা খেলা হচ্ছে।

আপনি যেহেতু তাদের পাইরেটেড সফটওয়্যার দিয়ে কাজ করতে বেশি অভ্যস্ত ও বেশি কমফোর্টেবল ফলে আপনার সামনে যখন অন্য সফটওয়্যার দেওয়া হচ্ছে, আপনি হাত পা ছেড়ে দিয়ে বসে পড়ছেন। তখন বাধ্যতামূলক ভাবে আপনি যে কম্পানি’তে জব করতে গিয়েছেন তাদের কে আপনাকে সেই পাইরেটেড সফটওয়্যার এর অরজিনাল কপি কিনে তারপর আপনাদের কে দিতে হচ্ছে।

আর এভাবেই সম্পূর্ণ প্রসেস টা হয়ে থাকে, অর্থাৎ আপনাকে প্রথমে তাদের সফটওয়্যার এর প্রতি মারাত্তক বাজে ভাবে আডিক্টেড করে তোলা, তারপর আপনি যখন কোন অর্গানাইজেশনে জব করতে যাচ্ছেন বা নিজে কোন অর্গানাইজেশন তৈরি করছেন, তখন আপনার থেকে তারা ঠিকই টাকা তুলে নিচ্ছে।

আর মুলত এ জন্যই এসকল বড় বড় সফটওয়্যার অ্যাপস তৈরি প্রতিষ্ঠান গুলা তাদের সফটওয়্যার পাইরেসি হয়ে দিয়ে থাকে। বা এই জন্যই তারা তাদের সফটওয়্যার পাইরেসি নিয়ে মাথা ব্যথা দেখায় না।

আপনি কিভাবে ফাঁদে পড়তে পারেন?

খুব সম্ভাবত আপনি উপরে বর্ণীত তথ্য থেকে একটু হলেও বুজতে পেরেছেন যে আপনি ঠিক কিভাবে ফাঁদে পড়তে পারেন। বাট, হে ব্রো আসল গল্প এখনও অনেক খানি বাকি।

উপরে তো বলা হয়েছে কিভাবে এই সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠান কম্পানি গুলি আপনার মাইন্ড নিয়ে খেলছে এই বিষয় টা, কিন্তু এর থেক আরও বড় গল্প এখনও রয়ে আছে। হ্যাঁ, এখন সেই সকল গল্প আপনার সামনে তুলে ধরব।

আপনি কি মনে পরেন আপনার জন্য এসকল দামি দামি সফটওয়্যার গুলি তাদের অরজিনাল প্রতিষ্ঠান থেকে পাইরেসি করে দেওয়া হয়। যদি আপনি তাই মনে করে থাকেন, তাহলে ব্রাদার আপনি সম্পূর্ণ ভুল ও মিথ্যা ধারনা পোষণ করছেন।

এসকল পাইরেটেড সফটওয়্যার পাইরেসি বা ক্রাক করে অনেক বেশি বড়লোক টাইপ এর হ্যাকার বা এই জাতীয় মানুষেরা, যে কোন একটি সফটওয়্যার বা অ্যাপস আপনার আমার মত সাধারণ গরিব মানুষের পক্ষে হ্যাক করা কখনই পসেবল না।

আচ্ছা এটা, তো বুজলেন যে আপনার জন্য কারা আদতে সফটওয়্যার ক্রাক করে – কিন্তু এখন এখানে কথা হচ্ছে বুজলাম যে আপনাকে কেউ আপনার টাকা বাঁচিয়ে দেওয়ার জন্য সফটওয়্যার ক্রাক করে দিচ্ছে, কিন্তু সে যে আপনাকে একটি পেইড সফটওয়্যার সম্পূর্ণ ফ্রীতে ক্রাক করে দিচ্ছে, তার বিনিময়ে সে কি পাচ্ছে?

হুম, একটু টাইম নিন এবং ভাবুন তারপর নিজেই নিজেকে উত্তর দিন এই প্রস্নের! আচ্ছা যদি সব টা মাথার উপর দিয়ে যায় তাহলে আমি আপনাকে এই প্রস্নের সহজ ও সঠিক উত্তর দিচ্ছি।

আপনার জন্য যে বা যারা একটি পেইড সফটওয়্যার ক্রাক করে দিচ্ছে, তাদের এখানে অবশ্যই কোন না কোন লাভ আছে – এবং সেই লাভ ক্ষতির হিসাব নিচে তুলে ধরছি।

  • আপনাকে দিয়ে বিটকয়েন মাইনিং করা – আপনি কি এর আগে বিটকয়েন এর মান শুনেছেন যদি শুনে থাকেন তাহলে আপনি অবশ্যই যেনে থাকবেন বিটকয়েক কি? আর আপনি যদি নতুন হয়ে থাকেন তাহলে আপনার জন্য ছোট্ট করে বলছি বিটকয়েন কি, বিটকয়েন হচ্ছে এক প্রকার ভার্চুয়াল টাকা যা ছোঁয়া যায় না, দেখা যায় না এমন কি ট্রেস ও করা যায় না। বিটকয়েন কি ও কিভাবে কাজ করে এই সম্পূর্ণ টপিক টা অন্য একটি টপিক এর জন্য তুলে রাখলাম, পরে কখনও শেয়ার করবো।
  • আপনার যাবতীয় তথ্য হাতিয়ে নেওয়া – আপনি মনের আনন্দে কোন একটি পেইড সফটওয়ারের ক্রাক ভার্সন ব্যবহার করছেন, তার উপর আবার ইন্টারনেট ও ব্যবহার করছেন। ব্যাস তাহলেই হয়েছে হটাত করেই দেখলেন আপনার সকল যাবতীয় দরকারি তথ্য হ্যাক হয়ে গিছে। আপনি সেই ফাইল গুলাতে আর আক্সেস করতে পারছেন না।
  • আপনার থেকেই টাকা দাবি করা – এরকম টা হতেই পারে, তার কারন এরকম তা অনেকের সাথেই হয়েছে, ক্রাক বা পাইরেটেড সফটওয়্যার ব্যবহার করার ফলে হ্যাকার তার সকল তথ্য হাতিয়ে নিয়েছে, এবং সেই তথ্য গুলি আপনাকে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য আপনার থেকে মোটা অংকের অর্থ দাবি করছে, ভাবুন একটা কি ভয়ানক ব্যাপার টা!
  • এরকম আরও অনেক বিষয় আছে যেগুলা মাঝে আপনিও ফেঁসে যেতে পারেন যদি আপনি পেইড সফটওয়্যার এর ক্রাক ভার্সন ইউজ করেন তাহলে।

ওয়েল, তাহলে আশা করছি আপনার কাছে বিষয় টা কিছুটা হলেই পরিস্কার হয়েছে যে আপনি কিভাবে ফাঁদে পড়তে পারেন এই পাইরেটেড সফটওয়্যার ব্যবহার করে।

আচ্ছা সব বুজলাম কিন্তু এখন সলুইশন কি?

দেখুন উপরে আমি যতই মহাজ্ঞানী টাইপ এর কথা বলি না কেন সফটওয়্যার বা অ্যাপস পাইরেসি কিন্তু কোন ভাবেই বন্ধ করা পসেবল না।

এবং তা ছাড়া ধরে নিলাম যে আপনি পাইরেটেড ক্রাক সফটওয়্যার বয়কট করলেন, কিন্তু এখানেও কিছু বাজে প্রবলেম আপনার সাথে থেকে যেতে পারে।

যেমনঃ আপনি ক্রাক সফটওয়্যার বয়কট করেছেন, তাহলে এখন আপনার অবশ্যই টাকা দিয়ে অরজিনাল সফটওয়্যার কিনে ব্যবহার করতে হবে। যার জন্য আপনাকে অনেক টাকা কম্প্রোমাইজ করতে হতে পারে।

এবং এই অনেক টাকা কম্প্রমাইজ করা অনেকের পক্ষেই পসেবল না, সো তাহলে তারা কি করবে?

ওয়েল, ব্রো সব কিছু থেকে এটা তো নিশ্চিত বুজতে পারছেন যে, আমরা যতই সচেতন হই না কেন আমাদের সকলের পক্ষে অরজিনাল সফটওয়্যার বা অ্যাপস কিনে ব্যবহার করা সম্ভব না। আর যেহেতু সকলের পক্ষে অরজিনাল সফটওয়্যার কিনে ব্যবহার পসেবল না, ফলে পাইরেটেড বা পাইরেসি চলতেই থাকবে।

এটা, কোন ভাবেই একদম ফেলে দেওয়া সম্ভব না। তো তাহলে সব কিছুই বুজলাম কিন্তু এর কোন সলুশন আছে কি যে আমি ফ্রী ক্রাক বা পাইরেটেড সফটওয়্যার ব্যবহার করবো কোন সমস্যা ছাড়া?

উত্তর না, অর্থাৎ আমি আপনাকে ১০০% কথা দিতে পারব না যে আপনি পাইরেটেড সফটওয়্যার ব্যবহার করা সর্তেও নিজের সিকিউরিটি শতভাগ সিকিউর রাখতে পারবেন।

তবে এখানে ধ্যান রাখার বিষয় হচ্ছে আপনি যদি কোন ট্রাস্টেড সোর্স থেকে এসকল পাইরেটেড সফটওয়্যার অ্যাপস নিয়ে ব্যবহার করতে পারেন তাহলে আপনি অনেক টাই সুরক্ষিত থাকতে পারেন।

  • আমাদের কি এরকম ট্রাস্টেড সোর্স জানা আছে – উত্তর না আমাদের এরকম সোর্স সম্পর্কে জানা নেই।
  • আমরা কি পাইরেতেড সফটওয়্যার ইউজ করি – তার উত্তর ও হচ্ছে না, আমাদের জন্য সব কিছু ওপেন সোর্স, অর্থাৎ আমাদের কাছে উইন্ডোজ থেকে লিনাক্স বেশি প্রিয়! ফলে আমাদের কে ক্রাক বা পাইরেটেড কোন কিছু খুজতে হয় না, লিনাক্সে সব কিছুই ওপেন সোর্স।

আচ্ছা এখন সব কথার শেষ কথা যদি বলতে হয়, বা আপনি আমাদের কে প্রস্ন করতে পারেন ব্রো আমি আপনার কম্পিটার অপারেট + পাইরেটড সব কিছু বয়কট করতে চাচ্ছি তাহলে কি করবো?

ওয়েল, ব্রো তাহলে আপনি লিনাক্সে মুভ করতে পারেন – লিনাক্স হতে পারে আপনার কাছে এক ভালবাসার নাম। কেন আপনার লিনাক্সে মুভ করা উচিৎ, এই টপিকের উপর আমাদের একটা কমপ্লিট আর্টিকেল লেখা আছে, আপনি আর্টিকেল টি পড়ে আসুন ও নিজের সকল কনফিউশন দূর করে ফেলুন।

আমাদের শেষ কথাঃ

এই আর্টিকেলর মাঝে আমরা চেস্টা করেছি সফটওয়্যার পাইরেসি কি ও কিভাবে কাজ করে সেই বিষয়ের উপর আপনাদের একটি পূর্ণাঙ্গ ধারনা দেওয়ার। এবং কেন আপনার পাইরেটেড সফটওয়্যার ইউজ না করাটাই বেটার এই আর্টিকেলে সেই বিষয়েও আপনাকে অবগত করা হয়েছে।

এই আর্টিকেল টি লেখার উদ্দেশ্য হচ্ছে – পাইরেটেড বা সফটওয়্যার পাইরেসি সম্পর্কে বিস্তারিত একটি গাইডলাইন প্রদান করা, যার ফলে আপনি এই টপিকের উপরে বিস্তারিত সব গল্প জানতে ও বুজতে পারেন।

আশা করি আজকের আর্টিকেল আপনাদের কাছে অনেক উপভোগ্য লেগেছে। আপনার এই আর্টিকেল রিলেটেড বা অনলাইন রিলেটেড যে কোন প্রস্ন আমাদের কে কমেন্ট সেকশনে করতে পারেন, আমরা খুবই নিপুন ভাবে আপনার করা প্রস্নের উত্তর দিব।

বাই,বাই 💕💕

ইমেজ ক্রেডিট; By ThisisEngineering RAEng Via Unsplash

আপনিও কি আমার মত টেক পোকা? আপনারও কি নতুন নতুন টেকনোলজি বিষয়ে জানতে ভালো লাগে? তাহলে বন্ধু আপনি একদম সঠিক জায়গাতে এসেছেন, কেননা আমি এখানে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন টেক বিষয় গুলি নিয়ে আলোচনা করি, এবং টেকনোলজির জটিল টার্ম গুলিকে আপনাদের সামনে জলের মত সহজ করে উপস্থাপন করার চেষ্টা করি

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *