ল্যাপটপ চালানোর নিয়ম, ল্যাপটপ ভাল রাখার টিপস

সাধারনত ল্যাপটপ চালানোর নিয়ম বা প্রক্রিয়া জটিল কিছু নয়। তবে কিছু বাজে অভ্যাস বা ভুল ভাবে ল্যাপটপ ব্যাবহারের ফলে, অল্প দিনের মাঝেই আপনার ল্যাপটপে সমস্যা হওয়া শুরু হতে পারে।

যেমন জানেন, ল্যাপটপ জিনিস টা অনেকটাই সৌখিন। ফলে ল্যাপটপ ব্যাবহারে যথেষ্ট সাবধনতা অবলম্বন না করলে, স্বাভাবিক ভাবেই সমস্যা শুরু হবে।

আমি প্রথম যখন ল্যাপটপ ব্যাবহার শুরু করি, তখন এতো বেশি সমস্যার সম্মুখিন হয়েছি। তার কথা কি আর বলবো।

আমি নিয়মিত ভাবেই ল্যাপটপ ব্যাবহারে প্রচুর ভুল করে এসেছি, বা বলা চলে ল্যাপটপ ব্যাবহারে বাজে অভ্যাস করে নিয়েছিলাম।

যার ফলে, কিছু দিন পর,পরই আমার ল্যাপটপে সমস্যা হত।

এখন বর্তমানে যদি আপনারও একই গল্প হয়ে থাকে, অর্থাৎ আপনার ল্যাপটপে মাঝে,মাঝেই সমস্যা হচ্ছে-তবে আশা করছি, সম্পূর্ণ আর্টিকেল আপনার প্রচুর কাজে আসবে।

তবে চলুন বিস্তারিত ভাবে জেনে নেওয়া যাক, ল্যাপটপ চালানোর নিয়ম বা সঠিক ভাবে ল্যাপটপ ব্যাবহার সম্পর্কে।

ল্যাপটপ চালানোর বিস্তারিত নিয়ম

সাধারনত ল্যাপটপ জিনিস,টা দিয়ে অনেক ভারি কাজ করা যায়না। না আমি এখানে অনেক শক্তিশালী ল্যাপটপের কথা বলছি না।

আমি বলছি মিডরেঞ্জের ল্যাপটপ গুলোর কথা।

যা ব্যাবহার করে, দৈনন্দিক কাজ গুলো অনেক সহজেই করে নেওয়া যায়। যেমন,- ইন্টারনেট ব্রাউজিং, অফিশিয়াল কাজ গুলো, টুকটাক গেমস খেলা, ইত্যাদি।

তবে যখন নিত্যদিনের কাজ করবার পথে কিছুই বুজতে পারার আগে, ল্যাপটপে সমস্যা দেখতে শুরু করেন।

সেই সময় টা নিশ্চয়ই প্রচুর বাজে হয়ে থাকে আপনার জন্য।

ল্যাপটপ চালানোর নিয়ম
ল্যাপটপ চালানোর নিয়ম সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন

এখন আপনি জেনে রাখুন- ল্যাপটপ ব্যাবহারে আপনি যদি কিছু নিয়ম অনুযায়ী ব্যাবহার করতে পারেন। তবে ল্যাপটপ ব্যাবহারের মেয়াদ দীর্ঘদিন করে নেওয়া যেতে পারে।

নিচে আমি বিস্তারিত করে সবটা তুলে ধরছি।

ল্যাপটপ খোলা এবং বন্ধ করার নিয়ম

ল্যাপটপ জিনিস,টা পোর্টেবল। এখানে আপনি ডেক্সটপ, বা পিসির মত করে জোর পূর্বক ভাবে কিছু করতে যাবেন না।

তাই জন্য, ল্যাপটপ বন্ধ বা খোয়ার সময় যথেষ্ট সাবধনতা অবলম্বন করুণ।

ল্যাপটপ খোলার সময়, যতটা সম্ভব ধিরে,ধিরে ল্যাপটপের শাটার টেনে খোলার চেস্টা করুণ।

এবং একই ভাবে ল্যাপটপ বন্ধ করবার সময় ধিরে,ধিরে শাটার বন্ধ করুণ।

যদি আপনি অনেক দ্রুত ল্যাপটপের শাটার খোলা অথবা বন্ধ করতে অভস্ত হয়ে থাকেন, তবে তা ল্যাপটপে সমস্যার প্রধান কারন হতে পারে।

তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রন রাখুন

ল্যাপটপ ব্যাবহার তাপমাত্র নিয়ন্ত্রনে রাখা অনেক বেশি দরকারি। কেননা ল্যাপটপে যেহেতু ডেক্সটপের মত বেশি স্পেস বা জায়গা থাকেনা।

ফলে, ল্যাপটপ, ডেক্সটপের তুলনায় কয়েক গুন বেশি গরম হয়ে থাকে।

এবং যদি গল্প এমন হয়, আপনি ল্যাপটপে ভারি কোন টাস্ক করছেন। এমন অবস্থায় আপনার ল্যাপটপ প্রচুর গরম হয়ে যাচ্ছে।

তবে তা নিয়ন্ত্রন করবার চেস্টা করুণ।

যদি আপনি মাল্টি-টাস্কিং করতে অভস্ত হয়ে থাকেন। তবে তা পরিবর্তন করে ফেলুন।

এতে করে সামান্য কিছু হলেও ল্যাপটপের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রনে রাখতে পারবেন।

এছারাও এমন জায়গাতে ল্যাপটপ ব্যাবহারের অভ্যাস পরিবর্তন আনুন। যেখানে তাপমাত্র বেশি, উদাহরন,- রোদের মাঝে বসে।

ল্যাপটপ ব্যাবহারের সময় এমন যায়গা নির্বাচন করুণ, যেখানে তাপমাত্রা অনেক টা শীতল।

ল্যাপটপ অন থাকা অবস্থায় নাড়া চাড়ার অভ্যাস

ল্যাপটপ অন থাকা অবস্থায় ল্যাপটপ নাড়াচাড়া করা এটা অপরিতচিত কোন বিষয় নয়। সাধারনত প্রায় সকল ল্যাপটপ ব্যাবহার,কারি তা করে থাকে।

তবে আপনি জেনে রাখুন, ল্যাপটপ অন থাকা অবস্থায় কোন ভাবেই ল্যাপটপ নাড়া,চাড়া করা উচিৎ নয়।

কেননা, এই বাজে অভ্যাসের জন্য ল্যাপটপে প্রচুর সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে।

আমরা যতই ল্যাপটপ জিনিস, টিকে পোর্টেবল করে দাবি করি। আসলেই কি তাই?

আমার তা মনে হয় না।

কেননা একটি মিডরেঞ্জের ল্যাপটপ,কে কখনও সম্পূর্ণ রুপে পোর্টেবল বলা চলেনা।

তার কারন, যদি আপনি এসকল মিডরেঞ্জের ল্যাপটপের সাথে কিছু বাজে অভ্যাস নিয়ে ব্যাবহার শুরু করেন।

তখন আপনি হতাশ হবেন।

যার জন্য, আমি আপনাকে বলতে চাই। ল্যাপটপ দীর্ঘমেয়াদী করতে কখনই-ল্যাপটপ অন রেখে নাড়া,চাড়া করবেন না।

কুলিং ফ্যানের ব্যাবহার

যদি আপনার মনে হয়, অহেতুক ল্যাপটপে এক্সট্রা কুলিং ফ্যান ব্যাবহারের কোন অবশ্যকতা আছে কি?

তবে জেনে রাখুন,-

ল্যাপটপে কুলিং ফ্যান ব্যাবহার করার দরুন-ল্যাপটপ টি দীর্ঘমেয়াদী করে নিতে পারবেন।

কেবল তাই নয়, এমন কিছু টাস্ক রয়েছে যা ল্যাপটপ দিয়ে করতে চাইলে, তা করাটা একটা ইম্পসেবল থিংক মনে হতে পারে।

তবে যদি ল্যাপটপের সাথে এক্সট্রা কুলিং ফ্যানের ব্যাবহার করেন, তখন তা কিছুটা হলেও আপনাকে সস্তি দিতে সক্ষম হবে।

এবং তা ছাড়াও, ল্যাপটপের প্রতি যত্নশীল হতে বা ল্যাপটপ ভাল রাখতে চাইলে অবশ্যই কুলিং ফ্যানের ব্যাবহার অনেক জরুরি।

যার জন্য চেষ্টা করবেন, ল্যাপটপের সাথে এক্সট্রা কুলিং ফ্যানের ব্যাবহার স্থাপন করতে।

ল্যাপটপ স্ক্রিন পরিস্কার করার নিয়ম

ল্যাপটপের স্ক্রিন পরিস্কার করবার সময় আপনাকে একটু বেশি সচেতন হয়ে তা করতে হবে। কেননা প্রতিটি ডিভাইজের স্ক্রিন জিনিস টা অনেক সেনসিটিভ।

এবং ল্যাপটপের স্ক্রিন তো আরও বেশি সেনসিটিভ, ফলে আপনাকে এক্সট্রা কেয়ার নিয়ে ল্যাপটপের স্ক্রিন পরিস্কার করে নিতে হবে।

যদি আপনার ল্যাপটপের স্ক্রিনে খুব বেশি স্ক্রাচ বা দাগ পড়ে থাকে, সেক্ষেত্রে তা ফিক্সড করবার জন্য কোন স্পেশালিষ্ট এর কাছে নিয়ে যেতে পারেন।

কেননা নিজে থেকে ল্যাপটপের স্ক্রাচ বা দাগ রিমুভ করতে চাইলে, তা হয়তবা আপনি করতে পারবেন না।

উপরুন্তু আপনি, কিছু ভুল করবার দরুন ল্যাপটপের স্ক্রিন নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

এবং ল্যাপটপের স্ক্রিন ধুলবালি থেকে রক্ষায়, বা স্ক্রিনের ধুলাবালি পরিস্কার করে নেওয়ার জন্য টিসু ব্যাবহার করে তা করতে পারেন।

তবে মনে রাখবেন, কোন অবস্থাতেই ল্যাপটপের স্ক্রিন পরিস্কার করতে ভারি বা শক্ত কাপড় ব্যাবহার করবেন না।

তাতে করে, ল্যাপটপের স্ক্রিনে স্ক্রাচ পড়ে জাওয়ার সম্ভাবনা থাকবে।

ল্যাপটপে কভার ব্যাবহার করুণ

ল্যাপটপে কভার ব্যাবহার করাটা অনেক ভাল অভ্যাস হতে পারে। কেননা যখন ল্যাপটপের সাথে কভার ব্যাবহার করবেন তখন এক্সট্রা ভাবে ল্যাপটপ প্রটেক করে নিতে পারবেন।

কিছু সময়, অহেতুক কারনে ল্যাপটপে স্ক্রাচ বা দাগ পড়ে থাকে। এমন সমস্যা থেকে পরিত্রান পেতে ল্যাপটপে কভার ব্যাবহার বিশেষ ভাবে ভুলিকা রাখবে।

এ ছাড়াও ল্যাপটপে কভার ব্যাবহারে ধুলাবালি থেকেও অনেক টা সুরক্ষিত রাখা যেতে পারে।

আমাদের পরামর্শ থাকবে, সম্ভব হলে অবশ্যই একটি ল্যাপটপের কভার ব্যাবহার করুণ।

ল্যাপটপের কীবোর্ড ব্যাবহারে সাবধানতা

ল্যাপটপের কিবোর্ড নিয়মিত ভাবে কাজ না করা, বা ল্যাপটপের কীবোর্ড মাঝে, মাঝেই সমস্যা করা।

এই গল্পের সাথে আমরা প্রায় সকলেই অভস্ত।

আসলে ল্যাপটপের কীবোর্ড সমস্যার কোন স্থায়ী সমাধান নেই। কেননা মিডরেঞ্জের ল্যাপটপের গুলোর সাথে এমন কিছু হওয়াটা জেন এক স্বাভাবিক বিষয়।

তবে, ল্যাপটপের কিবোর্ড দীর্ঘমেয়াদী করতে চাইলে। আপনার উচিৎ এক্সট্রা কীবোর্ড ব্যাবহার করা।

ফলে, ল্যাপটপের কীবোর্ড উপর কিছুটা চাপ কমিয়ে নেওয়া যেতে পারে।

তাই জন্য যদি আপনি ল্যাপটপের কীবোর্ড ব্যাবহার করতে বেশি অবস্ত, তবে আমাদের মতে আপনার একটি এক্সট্রা কীবোর্ড ব্যাবহার শুরু করা উচিৎ।

তাতে করে আপনি প্রতিনিয়ত ল্যাপটপের কীবোর্ড কাজ করছে না। এই প্রকার সমস্যা থেকে পরিত্রান পেতে পারবেন।

সিডি/ডিভিডি ব্যাবহারে সাবধানতা

আপনি মাঝে, মধ্যমেই লক্ষ করে দেখেছেন। যখন ল্যাপটপে কোন সিডি/ডিভিডি ইনসার্ট করেন তখন ল্যাপটপ অতিরক্ত গরম হয়ে থাকে ও ল্যাপটপ থেকে ভারি মাত্রায় শব্দ হয়ে থাকে।

আসলে এমন কিছু হওয়া খুবই স্বাভাবিক, কেননা সিডি/ডিভিডি ইনসার্ট করানর পর তা প্রচুর ঘূর্ণ্যমান অবস্থায় থাকে।

ফলে ল্যাপটপে শব্দ বা গরম হয়ে যাওয়া একদমই স্বাভাবিক।

তবে ল্যাপটপে সিডি/ডিভিডি ব্যাবহারে আপনাকে যে বিষয়ে সাবধান থাকতে হবে তা হচ্ছে,- আপনি যখন কোন সিডি/ডিভিডি ইনসার্ট করবেন তখন তা খুব ভাল করে পরীক্ষা করে নিবেন।

দেখবেন তাতে জেন, খুব বেশি স্ক্রাচ না থাকে।

যদি আপনি এমন সিডি/ডিভিডি ইনসার্ট করছেন জাতে অনেক বেশি স্ক্রাচ রয়েছে, তখন তা ল্যাপটপ কে প্রচুর গরম করে তুলবে, একই সাথে ল্যাপটপ থেকে হওয়া শব্দের মাত্র প্রচুর রকম বৃদ্ধি পাবে।

এবং আরও একটি বিষয় মনে রাখবেন, কখনই জোর পূর্বক হাত দিয়ে ধাক্কা দিয়ে সিডি বা ডিভিডি ইনসার্ট করানোর চেষ্টা করবেন না।

হার্ডডিস্কের যত্ন

ল্যাপটপের হার্ডডিস্কের উপর যত্নশীল হওয়াটা অনেক জরুরি একটা বিষয়। কেননা যদি ভুল ভাবে ল্যাপটপের হার্ডডিস্ক ব্যাবহার করা হয়।

তবে বা ল্যাপটপ স্লো হয়ে যাওয়ার প্রধান কারন বলে ধরে নিতে পারেন। তাই জন্য হার্ডডিস্ক ব্যাবহার বিশেষ ভাবে সচেতন থাকতে হবে।

যেমন, হার্ডডিস্কে অনেক বেশি পার্টিশন তৈরি করা একদমই উচিৎ নয়।

কেননা যদি হার্ডডিস্কে বেশি করে পার্টিশন তৈরি করা হয়, তবে হার্ডডিস্ক অনেক স্লো হয়ে যায়।

ফলে আপনার সম্পূর্ণ সিস্টেম বা ল্যাপটপ স্লো হয়ে থাকে।

এবং সর্বদা চেষ্টা করবেন, (Local Disk (C:) ড্রাইভ যথেষ্ট স্পেস বা ফাকা রাখার।

কারন (C:) ড্রাইভ যতটা ফাকা রাখা যেতে পারে, ল্যাপটপ তততাই স্মুথলি কাজ করতে পারবে।

তাই জন্য হার্ডডিস্কের এই বিষয় গুলোর দিকে বিশেষ ভাবে যত্ন নিতে হবে।

প্রসেসরের যত্ন

ল্যাপটপ বা কম্পিউটারের প্রসেসর কে তার প্রান বলা যেতে পারে। এবং মনে রাখবেন এই প্রসেসরের উপরই নির্ভর করে ল্যাপটপ কততা শক্তিশালী বা দুর্বল।

তাই জন্য ল্যাপটপের প্রসেসরের উপর আপনার বিশেষ ভাবে যত্নশীল হতে হবে।

আপনার মতে হতে পারে, প্রসেসর এটা যেহেতু ল্যাপটপের একদম ভিতরে অবস্থিত এক্ষেত্রে আমি কিভাবে প্রসেসরের যত্ন নিতে পারি।

দেখুন সাধারনত যখন আপনার প্রসেসরে সমস্যা থাকবে বা শুরু হবে তখন তা বুঝে নিতে পারবেন।

যেমন অহেতুক ল্যাপটপ প্রচণ্ড রকম গরম হয়ে যাওয়া।

কিছু কারন ছাড়াই ল্যাপটপ স্লো হয়ে যাওয়া ইত্যাদি।

এমন অবস্থায় আপনি যা করতে পারেন, প্রথমে বুঝার চেষ্টা করুণ ল্যাপটপে প্রসেসরের সাথে যে কুলিং ফ্যান রয়েছে তা ঠিক ভাবে কাজ করছে কি,না।

যদি আপনার মনে হয়, না কুলিং ফ্যান ঠিক ভাবে কাজ করছে না। তবে অবশ্যই আপনাকে কোন স্পেশালিষ্ট এর কাছে যেতে হবে।

কারন এটি অনেক সুক্ষ কাজ, যা নিজে থেকে না করতে যাওয়াই ভাল হবে।

এর বাইরে প্রসেসরের যত্নে যা করতে পারেন, চেষ্টা করতে হবে ল্যাপটপে কম প্রেশার দেওয়ার, যেমন এক সাথে অনেক কাজ করা বা মাল্টি-টাক্সিং করা ইত্যাদি কাজ বন্ধ করতে হবে।

চেষ্টা করবেন এক সাথে একটি মাত্র টাস্ক করার, তবে তা ল্যাপটপের প্রসেসরের উপর অনেক টা কম প্রেশার ক্রিয়েট করবে।

ল্যাপটপের পোর্টের যত্ন

ল্যাপটপের পোর্ট গুলোর দিকে আপনার একটু বেশি করেই যত্নশীল হতে হবে। কেননা যদি ল্যাপটপের কোন পোর্ট কাজ করা বন্ধ করে দেয়।

তখন ল্যাপটপের সম্পূর্ণ মাদারবোর্ড পরিবর্তন করবার মত সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে।

তাই জন্য, যখনই ল্যাপটপের পোর্ট গুলো ব্যাবহার করবেন। তখন তা অতান্ত সচেতন হয়ে করবেন।

যেমন,- জোরপূর্বক ল্যাপটপের পোর্ট গুলতে কিছু ইনসার্ট করানোর চেষ্টা করবেন না।

যদি আপনার মনে হয়, ল্যাপটপের কোন পোর্টে কিছু ইনসার্ট করতে চাইলে, তার সাথে জোর করার প্রয়োজন পড়ছে।

তখন তা ভাল করে পরীক্ষা করুণ, ও দেখুন আপনি ভুল ভাবে তা ইনসার্ট করার চেষ্টা করছেন না।

মনে রাখবেন, কোন অবস্থাতেই ল্যাপটপের পোর্ট গুলোতে জোরপূর্বক ভাবে কিছু ইনসার্ট করানোর মত বড় ভুল করবেন না।

অপ্রয়োজনীয় সফটওয়্যার ব্যাবহার

যদি আপনার ল্যাপটপ টি মিডরেঞ্জের হয়ে থাকে। তখন আপনাকে এই বিষয় টা মাথায় রেখেই ল্যাপটপে সফটওয়্যার ব্যাবহার করবার অভ্যাস করে তুলতে হবে।

অহেতুক, বা অপ্রয়োজনীয় সফটওয়্যার ল্যাপটপ ভীষণ ভাবে স্লো করে তুলতে পারে।

এবং যদি প্রয়োজন ছাড়াই ল্যাপটপে অনেক সফটওয়্যার ইন্সটাল করে রাখেন, তবে তা ব্যাকরাউন্ডে সর্বক্ষণ চলতে থাকবে।

ফলে, আপনি নিশ্চিন্ত থাকতে পারেন-ল্যাপটপ অবশ্যই স্লো হয়ে যাবে।

এবং ল্যাপটপ ব্যাবহারের অভিজ্ঞতা খারাপ হবে।

যার জন্য, অপ্রয়জনিয় সফটওয়্যার ব্যাবহার না করবার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।

নিয়মিত ল্যাপটপ বন্ধ করুণ

ল্যাপটপ স্লিপ মুড বা হাইবারনেট মুডে রাখা এটা খুব বেশি রকম বাজে অভ্যাস। জেনে রাখুন যদি আপনি নিয়মিত ল্যাপটপ বন্ধ না করে স্লিপ মুড বা হাইবারনেট করে রাখেন।

তবে ল্যাপটপ নষ্ট বা সমস্যা হওয়া এমন কিছু যেকোনো সময় ঘতটে পারে।

যার জন্য নিয়মিত ভাবে ল্যাপটপ বন্ধ করবার অভ্যাস করে তুলুন। এবং চেষ্টা করুণ স্লিপ মুড বা হাইবারনেট মুড যতটা সম্ভব কম করবার।

কেননা মিডরেঞ্জের ল্যাপটপ গুলো অততা বেশি শক্তিশালী হয়না, যার থেকে আপনি আশা রাখতে পারবেন আপনি টানা এক মাস ল্যাপটপ বন্ধ না করেও তা ব্যাবহার করে যেতে পারবেন।

তাই যদি, আপনার ল্যাপটপ স্লিপ মুডে রেখে তা ব্যাবহারের অভ্যাস থেকে থাকে। তবে তা পরিবর্তন করুণ ও নিয়মিত ল্যাপটপ বন্ধ করে ব্যাবহার করবার অভ্যাস করে তুলুন।

ল্যাপটপের ব্যাটারি ভাল রাখতে যা করনীয়

ল্যাপটপের ব্যাটারি সংক্রান্ত সমস্যা সবারই হয়ে থাকে। যেমন ল্যাপটপে অতি দ্রুততার সাথে চার্জ শেষ হয়ে যাওয়া।

বা চার্জ হতে একটু বেশি সময় নেওয়া।

আবার ল্যাপটপ চার্জে দিয়ে ব্যাবহার না করলে তা কোন কারন ছাড়াই বন্ধ হয়ে যাওয়া ইত্যাদি।

যদি আপনি সর্বক্ষণের জন্য ল্যাপটপ চার্জে রেখে ব্যাবহার করে থাকেন, তবে তা বন্ধ করুণ।

কেননা যদি সর্বক্ষণ ল্যাপটপ চার্জে রেখে তা ব্যাবহার করে থাকেন, তখন স্বাভাবিক ভাবেই ল্যাপটপের ব্যাটারি দুর্বল বা নষ্ট হয়ে থাকে।

চেষ্টা করুণ, মাঝে,মাঝেই ল্যাপটপ চার্জে দেওয়া ছাড়াই ব্যাবহার করবার।

এবং আরও ভাল হতে পারে, যদি ল্যাপটপ ভাল করে চার্জ করে তারপর তা ব্যাবহার করতে পারেন।

তবে যদি তা সম্ভব না হয়।

তাহলে সপ্তাহে একবার হলেও ল্যাপটপ ফুল চার্জ করে তা ব্যাবহার করুণ, ও চার্জ শেষ করুণ।

এবং যদি আপনি এমন সমস্যায় ভুগছেন, আপনি ল্যাপটপ চার্জে দিয়ে ব্যাবহার করলে তা সমস্যা ছাড়াই ব্যাবহার করতে পারছেন।

কিন্তু যখনই ল্যাপটপ চার্জ থেকে খুলে নিচ্ছেন, তখন তা কিছু বুঝে নেওয়ার আগেই বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।

বা মাঝে, মধ্যই অহেতুক ল্যাপটপ বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।

তখন যা করবেন, যদি আপনি নিজে থেকে ল্যাপটপের ব্যাটারি খুলতে পারেন। তবে তা করবেন, আর যদি তা না পারেন তবে স্পেশালিষ্ট এর কাছে নিয়ে যেতে পারেন।

ল্যাপটপ বিশেষত হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায় ব্যাটারির সমস্যা জনিত কারনে। তাই জন্য ল্যাপটপের ব্যাটারি একবার খুলে আবার লাগালে এ সমস্যার পরিত্রান পাওয়া যায়।

Bottom Line

ল্যাপটপ ব্যাবহারে এই আর্টিকেলে বর্ণীত সকল কিছু মাথায় রেখে যদি ল্যাপটপ ব্যাবহার করতে পারেন।

তবে আমরা আশাবাদি, আপনি অনেকটাই ঝামালিহিন ভাবে ল্যাপটপ ব্যাবহারের অভিজ্ঞতা উপভোগ করতে পারবেন।

ল্যাপটপে বিশেষত, যে কারন গুলোর জন্য সমস্যার সৃষ্টি হয়। আমরা তার সব কিছু নিয়েই এই আর্টিকেল আলচনা করেছি।

আশা করছি, সম্পূর্ণ আর্টিকেল আপনি এনজয় করেছেন ও নতুন কিছু জানতে বা শিখতে পেরেছেন।

এবং এই আর্টিকেল বা ল্যাপটপ সংক্রান্ত আপনার কিছু জানার বা প্রশ্ন থাকে, তবে তা নিচে কমেন্ট সেকশনে আমাদের জানাতে পারেন।

Hi, i'm Akash Golder, Author & founder of LarnBD , A blog that provides authentic information regarding technology, blogging, SEO, online earn money, how to guide & much more.

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *