অন্য ব্লগের আইডিয়া কপি করে নিজের ব্লগে কেন লিখবেন না? (প্রস্ন ও উত্তর)

ব্লগের আইডিয়া

অন্য ব্লগের আইডিয়া কপি করে নিজের ব্লগে লিখবেন না! হুম, আই থিংক বিষয় টা বুজতে আপনার অনেক খানি কষ্ট হয়ে যাচ্ছে? ওয়েল, কোন ব্যাপার না; আমি সব কিছুই পরিষ্কার করে বুঝিয়ে বলার চেস্টা করব এই আর্টিকেলে।

আসলে আজ যে টপিক নিয়ে কথা বলতে চলেছি – মুলত এই টপিক নিয়ে এক্সপেরিমেন্ট করতে গিয়ে মোস্ট অফ দা নিউ ব্লগার ফেল করে যায়; এবং তারপর তারা নিজেরা দাবি করে বসে “এসব ব্লগিং ফ্লগিং কিছুই নয়, অযথাই নিজের টাইম নস্ট করা” কিন্তু আসলে তারা যে ফেল মারছে তার পিছে কারন হচ্ছে অন্নের আইডিয়া কপি পেস্ট; এ কথাটা কিন্তু এক বারের জন্য হলেও স্বীকার করছে না।

ওয়েল, বুজতেই পারছেন আজ বড্ড কঠিন টপিক এক্সপ্লেন করতে চলেছি, সো সাথেই থাকুন ও চলুন যেনে আসি কেন আপনি অন্য ব্লগের আইডিয়া কপি করে নিজের ব্লগে লিখবেন না।

কেন অন্য ব্লগের আইডিয়া কপি করবেন না

খুব সহজ ভাবেই এক্সপ্লেন করার চেস্টা করছি – ধরুন আপনি আমার ব্লগের একজন নিয়মিত পাঠক, এবং সর্বোপরি আপনি আমার ব্লগ থেকে অনুপ্রানিত হয়ে ভেবে বলসেন আপনি ব্লগিং শুরু করবেন! হ্যাঁ; এটা খুব ভালো ডিসিশন।

এখন আপনি যেহেতু আমার ব্লগ দেখে অনুপ্রানিত হয়েছেন – সেই মর্মে আপনি আমার ব্লগের সব কিছুই হুবহু কপি করলেন যেমন, ‘ওয়েবসাইত ডিজাইন, আরটিকের লেখার ধরন, সেইম টপিক” এক কথায় আপনি পুরাই লার্নবিডি কে কপি করে বসলেন।

যদি এমন করেন; তাহলে কি কি হবে আপনার সাথে শুনুনঃ- প্রথমত আপনি আমাকে কপি করতে গিয়ে আপনার কন্টেন্ট এর উপর থেকে ফোকাস হারিয়ে ফেলবেন, এবং সুন্দর করে গুছিয়ে আর্টিকেল লিখতে পারবেন না।

তারপর আপনি যেহেতু আমাকে কিংবা অন্য কাউকে দেখে তার ব্লগের মতই সব কিছু করতে চান; অর্থাৎ আপনি আপনার ব্লগের “লুক, ডিজাইন” সেই অন্য কারো মত করতে চান। এক্ষেত্রে আপনার নিজের কোন ব্র্যান্ডিং তৈরি হবে না। আপনি যদি হুবহু দেখতে অন্য কোন ব্লগের লুক নিজের ব্লগে নিয়ে আসেন তাহলে আপনার পাঠকের বুজতে একটুও টাইম লাগবে না, যে আপনি অন্য বা “লার্নবিডি’র” ওয়েবসাইট থেকে ওয়েবসাইটের লুক কপি করেছেন।

এর ফলে আপনার ব্লগের পাঠকের মনে আপনার ব্লগ সম্পর্কে একটা বাজে ইম্প্রেশন তৈরি হবে ও আপনার ব্লগের পাঠক অনেক সময় ভেবে বসতেই পারে যে আপনি যেহেতু কপি পেস্ট করছেন। সো হয়তবা আপনার কন্টেন্ট এর ও ভেলু তেমন ভাল হবে না। যদি আপনার ব্লগের পাঠকের মনে আপনার ব্লগ সম্পর্কে এরকম বাজে চিন্তা তৈরি হয়ে যায়; তাহলে আশা করি বুজতেই পারছেন আপনার ব্লগের কততা নেগেটিভ দিক তৈরি হয়ে যাবে।

নিজের ব্যান্ড তৈরি করতে পারবেন না

কাউকে দেখে তার থেকে অনুপ্রানিত হয়ে যদি সব কিছুই তার মত করে করতে চান, তাহলে আপনি আপনার নিজস্ব ব্যান্ড ভেলু কখনই তৈরি করতে পারবেন না। আচ্ছা ধরেই নিলাম আপনি কাউকে দেখে অনুপ্রানিত হয়ে সব কিছুই একদম তার মত করে করে গুছিয়ে নিলেন।

যদি এমন করেন; তাহলে আপনার ফায়দা কতটুকু হবে বলতে পারবো না, কিন্তু আপনি যাকে দেখে অনুপ্রানিত হয়ে তার ব্লগের সব কিছু কপি করেছেন তার কিন্তু ঠিক উপকারে আসবে, আপনার এই পরিশ্রম।

কিভাবে? যেহেতু আপনি একটি পপুলার ব্লগ থেকে সেই ব্লগের সব কিছুই কপি করে নিজের ব্লগে ইমপ্লিমেন্ট করেছেন, এখন যখন আপনার ব্লগের পাঠক “আপনার ব্লগ পাসাপাশি সেই পপুলার ব্লগ” দেখবে তখন তাদের বুজতে বিন্দু মাত্র টাইম লাগবে না যে আপনি কপি করেছেন। এবং তার ফল সরুপ আপনি কিছুই পাবেন না।

যা পাবেন তা হচ্ছে; আপনার ব্লগ সম্পর্কে ভিসিটর দের মনে একটা নেগেটিভ দিক, আপনার ব্লগের নাম উঠে আসলেই চলে আসবে, আরে উনি তো অমুক ব্লগ থেকে সব কিছু কপি করে নিজের ব্লগে ইমপ্লিমেন্ট করছে। ওটা দুনিয়ার ফাইল একটা ব্লগ, যার নিজের কোন নিজস্বতা নেই।

অন্যর আর্টিকেল কপি করে লেখাঃ-

আর্টিকেল কপি করে লেখা মানে কিন্তু আমি এটা বুঝাতে চাইছি না, যে আপনি তার ব্লগের সম্পূর্ণ আর্টিকেল হুবহু ছেপে দিয়েছেন। আমি আর্টিকেল কপি বলতে বুঝাতে চেয়েছি “ধরুন আজ আমি আর্টিকেল লিখছি, অন্যর ব্লগের আইডিয়া কপি করে কেন নিজের ব্লগে লিখবেন না”

এখন আপনি কি করলেন আপনি এই টপিক কভার করবেন ওয়েল, খুব কথা; তবে আপনার কপি করার স্টাইল টা কিছুটা এমন “কেন অন্যর ব্লগের আইডিয়া কপি করে নিজের ব্লগে লিখবেন না” বিষয় টা বুজতে পেরেছেন তো।

আপনি না চাইতেও কিন্তু আমাকে কপি করে বসেছেন; এবং অনেকের ক্রিয়েটিভিটি লেভেল এতো বেশি, তারা তো হুবহু সব কিছুই একদম কপি করে দেয়। যদি এমন করেন তাহলে আপনি কিন্তু কিছুই পাবেন না। বরং সকলের কাছে আপনার ব্লগ সম্পর্কে একটা মারাত্তক বাজে দিক তৈরি হয়ে যাবে।

এবং এ ছাড়া সব থেকে বড় যে সমস্যার সম্মুখীন আপনাকে হতে হবে তা হচ্ছে, আপনি গুগল থেকে অরগানিক ট্র্যাফিক পাবেন না; কেননা গুগল এখন যথেষ্ট স্মার্ট গুগল এখন নিজে থেকেই বুজতে পারে, আপনি ঠিক কাকে এবং কিভাবে কপি করেছেন।

গুগল এটা বুজতে পারা মানেই কিন্তু গুগল আপনার ব্লগ কে কখনই পুশ উপরে তুলবে না। বরং আপনাকে নিচে নামিয়ে দিবে, তাই সৎ ভাবে নিজের চিন্তা শক্তি কাজে লাগিয়ে ব্লগিং শুরু করুন, ও নিজের মত করে লেখার চেস্টা করুন।

অন্য কে কপি করা মানেই ইনকাম এর চিন্তা ভুলে যাওয়া

হ্যাঁ, এতোখন উপরে সব কিছু পড়ার পর হয়তবা কিছুটা আঁচ করতে পেরেছেন আপনি; যদি হুবহু সব কিছু অন্য কাউকে কপি করেন তাহলে ইনকাম এর চিন্তা একদম ভুলে যেতে হবে; বলতে পারেন টাইম পাস করছেন, বা নিজেকে এটা ভেবেও সান্তনা দিতে পারেন যে আপনি নিতান্তই মজা করছেন।

কিন্তু কেনই বা আপনার ইনকাম হবে না? আচ্ছা বিস্তারিত বলছি – উপরে আপনাকে বলা হয়েছে আপনি যদি কাউকে কপি করেন তাহলে আপনার ব্লগের পাঠক ও গুগল কাররই বুজতে বাকি থাকবে না আপনি কপি করছেন। আর যেহেতু আপনি কপি করছেন সেহেতু আপনাকে কেউ ঠিক ভাবে দাম দিবা না। আর দাম না দেওয়া মানেই কিন্তু আপনার ব্লগে কেউ দেখা মাত্র ইগ্নর করবে। আর যদি সম্পূর্ণ প্রসেস এমন ভাবে চলতে থাকে তবে নিজেই চিন্তা করে দেখুন কিভাবে আপনার ইনকাম হবে?

যদি গুগল আপনাকে পুশ না করে পাসাপাশি আপনার পাঠকের মনে আপনার ব্লগ সম্বন্ধে একটা গুড চিন্তা তৈরি না হয়, তাহলে আপনি নিজেকেই নিজে প্রস্ন করে বুঝুন যে কিভাবে আপনার ইনকাম হতে পারে?

কম্পিটিটর কে বিট করা মানেই কিন্তু কপি করা নয়

এমন অনেকে আছে তাদের চিন্তা শক্তি সত্যি প্রশংসনীয়; কিন্তু তাদের ভুল পথে হাতে – যেমন তারা ব্লগিং শুরু করবার পূর্বে প্রপার ভাবে রিসার্চ করে তাদের কম্পিটিটর কে খুজে বের করে, তারপর তার কম্পিটিটর যে পথে হাঁটছে উনিও সেইম পথে হাঁটা শুরু করে।

হ্যাঁ, দেখুন ব্লগিং শুরু করবার পূর্বে প্রপার রিসার্চ করে নেওয়াটা সত্যি খুব বুদ্ধিমানের কাজ; তবে কম্পিটিটর কে হুবহু কপি করে ফেলাটা বোকামি ছাড়া আর কিছুই নয়।

নিজে একটু চিন্তা করুন; যদি আপনি আপনার কম্পিটিটর কে কপি করেন তাহলে আপনার এবং আপনার কম্পিটিটর এর মাঝে ঠিক পার্থক্য টা কি থাকছে? কিসের জন্যই বা আপনি ব্লগিং করছেন? আর ঠিক কিসের জন্যই বা গুগল আপনাকে রেঙ্ক করিয়ে দিবে।

ওয়েল, দেখুন আপনার কম্পিটিটর যেহেতু সেইম টপিক নিয়ে কাজ করছে ও আপনিও সেইম টপিক নিয়ে কাজ করছেন! এই অবস্থায় আপনার সব কিছুতেই যদি ভিন্নতা না থাকে, তবে কি করে আপনি ভিন্ন কিছু করছেন?

মানে বিষয় টা এরকম, আপনার কম্পিটিটর ব্লগিং নিয়ে লেখালেখি করছে এবং আপনি সেইম টপিক নিয়ে লেখালেখি করছেন; কিন্তু আপনি আপনার কম্পিটিটরের সব কিছু কপি করে বসে আছেন, তাহলে আপনার আর আপনার কম্পিটিটর এর মাঝে তফত টা কি থাকছে?

তাই জন্য, কম্পিটিটর কে খুজে বের করার পরেই এমন ভাবে চিন্তা করুন; আপনার আর্টিকেলে এমন কিছু থাকবে যার জন্য গুগল এবং আপনার ব্লগের ভিসিটর আপনার কম্পিটিটরের তুলনায় আপনার ব্লগ কে বেশি গুরুত্ব দিবে।

এর জন্য আপনার কম্পিটিটরের তুলনায় আপনাকে আরো বেশি ইউনিক হতে হবে ও তার থেকে বেটার অপ্টিমাইজেশনের সাথে নিজেকে তৈরি করে নিতে হবে।

আপনি কেনই বা অন্যর ব্লগের আইডিয়া কপি করবেন

হ্যাঁ, ঠিক তাই যেখানে আপনি কিসের জন্যই বা অন্যর আইডিয়া কপি করবেন; যেখানে এখন হাজার হাজার টপিক পড়ে আছে; একটু ইন্টারনেটে ঘাঁটাঘাঁটি করলে হাজারো আইডিয়া পেয়ে জাবেন, যেখানে অন্য ব্লগের আইডিয়া কপি করার কি মানেই বা থাকতে পারে এই বিষয় টা আমার বোধগম্ভ হয়না।

এখন আপনি গুলিয়ে ফেলতে পারেন অন্যর আইডিয়া কপি করতে মানা করা হচ্ছে; আবার সেই সাথে বলা হচ্ছে ইন্তারনেটে রিসার্চ করে আইডিয়া ফাইন্ড করার কথা! মাথার উপর দিয়ে যাচ্ছে।

ওয়েল, আমি খুব পরিষ্কার ভাবে বুঝিয়ে বলার চেষ্টা করছি – ধরুন আপনি আইডিয়া কপি করছেন আপনার কম্পিটিটরের ব্লগ থেকে; এক্ষেত্রে আপনার কম্পিটিটর কি করছে, সে প্রপার রিসার্চ করে তারপর নতুন একটা আইডিয়া নিজের ব্লগে লেখার জন্য খুজে বের করছে।

আর আপনি কি করছেন; আপনার কম্পিটিটর সেই আইডিয়ার উপর একটি বিস্তারিত আর্টিকেল লেখার পর, সেই আর্টিকেল থেকে আইডিয়া নিয়ে, হুবহু সেই আইডিয়া টাই ছেপে দিচ্ছেন। বিষয় টা পরিষ্কার হচ্ছে এখন কিছুটা করে?

আপনি যখন আপনার কম্পিটিটর বা অন্যর ব্লগে পাবলিশ করা কন্টেন্ট থেকে আইডিয়া খুঁজে বের করছেন তার মানে কিন্তু আপনার আইডিয়া ইউনিক নয়; আপনার কভার করা সেইম টপিক আপনারই ফিল্ডে থাকা অন্য কেউ আগে থেকে কভার করে ফেলেছে। সো এখানে আপনার নিজস্বতা কোথায়!

তাই জন্য, আইডিয়া এমন ভাবে খুঁজুন বা চিন্তা করুন যেটা আপনার কম্পিটিটর বা আপনার ফিল্ডে থাকা কেউ করছে না, কেবল তবেই আপনার আইডিয়া ইউনিক হয়ে উঠবে।

নিজের মত করে প্রস্ন তৈরি করে তারপর আইডিয়া খুঁজতে পারেন

উদাহরণ; আপনি ব্লগিং করছেন ও প্রতিনিয়ত আপনার ব্লগে আর্টিকেল লিখে যাচ্ছেন। এখন আপনি অনেক গুলি আর্টিকেল লেখার পর মুহূর্তেই দেখলেই আপনার হাতে আর কোন আইডিয়া নেই! এখন কি হবে? এবার ইন্টারনেটে বিশাল করে একটা সার্চ মারতে হবে, যে কিভাবে ব্লগে লেখার জন্য আইডিয়া খুঁজে বের করতে হবে।

হ্যাঁ, এভাবেই কাজ করা যায়; তবে এই কাজে কিছুদিন পরে হতাশ হয়ে পড়তে হয়! যেমন কিভাবে?

এই যেমন ধরে নেওয়া যাক আপনি ইন্টারনেটে সার্চ করে কিছু আইডিয়া খুঁজে বের করলেন আপনার ব্লগে আর্টিকেল লেখার জন্য। এখন আপনি সেই সকল আইডিয়াকে কাজে লাগিয়ে আর্টিকেল ও লিখে ফেললেন তারপর আবার সেই একই গল্প, আবার আপনার আইডিয়া খুঁজতে হবে।

এখন ভাবুন তো আপনি কি প্রতিনিয়ত অন্যর কাঁধে পা দিয়ে চলতে পারবেন; যদি আপনার উত্তর হ্যাঁ হয় তাহলে ভাই আপনি সত্যি একজন গুনি মানুষ!

এবার আপনি বিষয় টা ওভাবে না করে, নিজের মত করেও করতে পারেন; যেমন নিজেই নিজেকে প্রস্ন করতে হবে, “আপনি ঠিক কি বিষয়ে কনফিউজড” বা আপনার মনে আপনি যে ফিল্ডে আছেন সেই ফিল্ড নিয়ে আপনার মনে কি কি নতুন প্রস্নের উদয় হয়।

তারপর যখন নিজেই প্রস্ন খুঁজে পাবেন; তখন ইন্টারনেটে সার্চ করে আপনার সকল কনফিউশন দূর করতে পারেন ও আপনার সেই নিজের প্রস্ন কে কাজে লাগিয়ে মারাত্তক বেটার আইডিয়া ও খুঁজে বের করতে পারেন।

মূলকথা –

আমাকে অনেকেই প্রস্ন করে দাদা; আমি ব্লগিং শুরু করেছি অনেক দিন হয়ে গিয়েছে; আমি অনেক গুলা আর্টিকেল ও লিখে ফেলেছি নিজের ব্লগে কিন্তু আমার আর্টিকেল কেন রেঙ্ক করছে না। আমি গুগল থেকে অরগানিক ট্র্যাফিক পাচ্ছি না। দাদা আপনি কি আমার ওয়েবসাইট টা একটু চেক করে দেখবেন!

এবং আমি যখন তাদের ওয়েবসাইট চেক করে দেখি, আর দেখার পরে যা পাই তা হচ্ছে তারা সবাই সেই একই টপিক কভার করে রেখেছে; সবারই লেখার স্টাইল এক।

এবং এই জন্য বিস্তারিত করে আর্টিকেল লিখে ফেললাম; আশা করছি আজকের আর্টিকেল টি আপনার অবশ্যই উপকারে আসবে, এই আর্টিকেল রিলেটেড কোন প্রস্ন বা মতামতের জন্য সব সময় কমেন্ট সেকশন খোলা আছে, আপনার যে কোন প্রস্ন বা উপদেশ থাকলে আমাদের জানাতে ভুলবেন না।

ও আর একটি কথা, সবাই কন্টেন্ট এর পিছে ভাগে, কত কি না করে একটি ব্লগ রেঙ্ক করিয়ে তোলার জন্য; আপনি জাস্ট সিমপ্লি নিজের মত কনটেন্ট তৈরি করুন; দেখবেন গুগলই আপনাকে খুঁজে নিবে।

ফিচার ইমেজ ক্রেডিট; By Mark Fletcher-Brown Via Unsplash

আপনিও কি আমার মত টেক পোকা? আপনারও কি নতুন নতুন টেকনোলজি বিষয়ে জানতে ভালো লাগে? তাহলে বন্ধু আপনি একদম সঠিক জায়গাতে এসেছেন, কেননা আমি এখানে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন টেক বিষয় গুলি নিয়ে আলোচনা করি, এবং টেকনোলজির জটিল টার্ম গুলিকে আপনাদের সামনে জলের মত সহজ করে উপস্থাপন করার চেষ্টা করি

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

>