ব্লগিং সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রশ্ন ও তার সহজ উত্তর!

ব্লগিং-সম্পর্কে-গুরুত্বপূর্ণ-কিছু-প্রশ্ন-ও-তার-সহজ-উত্তর
ব্লগিং সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রস্ন – যেগুলা আপনার অবশ্যই যেনে রাখা উচিৎ

ব্লগিং সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রশ্ন! একটা সময় ছিল যখন শুধুই লেখালেখি করে নিজের জ্ঞান ভাগ করে নেওয়ার মাধ্যম ছিল ব্লগিং। বাট যদি ব্লগিং কে বর্তমান সময়ের সাথে কম্পেয়ার করা হয়; তাহলে ব্লগিং বিষয় টা এখন আর আগের মত নেই। বর্তমান সময়ে ব্লগিং কে আপনি যদি ঠিক ভাবে নিজের বসে আনতে পারেন তাহলে আপনাকে আর পায় কে। হ্যাঁ, আমি সত্যি কথা বলছি খুজলে তো এমন অনেক কেই পাওয়া যাবে যারা ১০/১৫ হাজার টাঁকা মাইনের চাকরী ছেড়ে দিয়ে ফুল টাইম ব্লগিং করছে, এবং সেই ব্লগিং থেকে খুব ভালো টাকা ইনকাম করছে।

ওয়েল ব্রাদার শুনতে অনেক ইন্টারেস্টিং হলেও ব্যাপার টা সত্যি অতটা সহজ না, নিজের ব্লগিং ক্যারিয়ার সোজা করে দাড় করাতে অনেক কস্ট করতে হয়। আর এই ব্যাপার টা যারা নিউলি ব্লগার আছে তারা ভাবে, ব্লগিং করা খুবই সহজ এটা কোন ব্যাপার নাকি। ফলে তাদের ব্লগিং ক্যারিয়ার নিয়ে দেখা সপ্ন স্বপ্নই থেকে যায়, সেই স্বপ্ন কে বাস্তবায়িত করা আর হয়ে উঠে না।

যাই হোক, আপনিও যদি ভেবে থাকেন আপনাকে দিয়ে আর হচ্ছে না, আপনাকে দিয়ে ব্লগিং হবে তো? তাহলে ব্রাদার আজকের আর্টিকেল টি আপনার জন্যই। আপনাকে আজ ব্লগিং বেটে গুলে খাইয়ে দেওয়ার চেস্টা করবো।

নিউলি ব্লগার দের চিন্তা ভাবনা!

ব্রাদার আপনি ব্লগিং করছেন বর্তমান সময়ে, আর আপনার চিন্তা ভাবনা যদি সেই আদিম কালের হয়ে থাকে তাহলে কিভাবে চলবে বলুন। সময়ের সাথে সাথে নিজের চিন্তা শক্তিও পরিবর্তন করতে হবে। আমার কথা কি মাথার উপর দিয়ে যাচ্ছে – ওয়েল উদাহরন দিয়ে বুঝিয়ে বলছি; ধরুন আপনি এই সময়ে এসে ব্লগিং করছেন, আর আপনার মাথায় ব্লগিং এর কনসেপ্ট সেই পুরানো সময়ের তাহলে কিভাবে চলবে?

আরও সহজ করে বুঝিয়ে বলার চেস্টা করছি, আগে একটা সময় ছিল যখন এই টাইপ এর কনটেন্ট খুব বেশি রকম চলত, যেমন – কিভাবে ফ্রী ইন্টারনেট ব্যবহার করবেন, এই সিমে এই অফার, অমুক, তমুক হাবি জাবি। ব্রাদার প্রথম কথা ইহাকে তো কোন ভাবে ব্লগিং বলা চলে না, আর দ্বিতীয় কথা হচ্ছে এই টাইপ এর কনটেন্ট এখন চলে না। মানুষ এখন আগের থেকে অনেক সচেতন এসব ফালতু জিনিস নিয়ে মানুষের মাথা ঘামানোর সময় এখন আর নেই।

তো তাই এখন চেস্টা করতে হবে চিন্তা ভাবনা পরিবর্তন করে নতুন কিছু করার, কিছু ক্রিয়েটিভ করবার – ওই সবাই যা করছে তাহা করলে চলবেনা ও আগের জামানার সিস্টেম অনুসরণ করে ব্লগিং করলেও চলবেনা। নিজের নিজস্বতা দিয়ে চেস্টা করতে হবে।

নিউলি ব্লগার দের চিন্তা ভানবা নিয়ে এতো গুলা কথা বলার মেইন কারন হচ্ছে এটা, নিউলি ব্লগার দের সর্বপ্রথম ভুল এই এটাই। কাউকে দেখে অনুপ্রানিত হয়ে ব্লগিং শুরু করে দেওয়া, কিন্তু ঠিক ঠাক চিন্তা শক্তির অভাবে কিছু দিন পর ব্লগিং ছেড়ে দেওয়া।

ব্লগিং সম্পর্কে আপনার মাঝে লুকয়িত কিছু প্রশ্ন ও তাহার সহজ উত্তর!

১. ব্লগিং আপনাকে দিয়ে হবে তো?

ওয়েল কেন হবেনা, হতে বাধ্য আমি পারলে আপনি কেন পারবেন না বলুন? আমি পারলে আপনিও পারবেন! তবে আবার এখানে অন্য গল্প ও আছে সব কাজ সবাই কে দিয়ে পসেবল না। যেমন আপনার যদি লিখতে ভালো লাগে তাহলে আপনি আজ হোক বা কাল একদিন সফল ব্লগার হয়ে উঠতে পারবেন। আর যদি আপনার লিখতে ভালো না লাগে, ওই আপনি কাউকে দেখে অনুপ্রানিত হয়ে ঠিক করেছেন আপনিও লিখবেন মানে ব্লগিং করবেন তাহলে হয়তবা আপনাকে দিয়ে ব্লগিং নাও হতে পারে।

কারন ব্লগিং এর জার্নি টা এক বা দু দিনের নয়। আপনাকে প্রতিনিয়ত লিখে যেতে হবে কিন্তু আপনি যদি কাউকে দেখে ব্লগিং করতে আসেন নিজের ইচ্ছার বিরুদ্ধে — অর্থাৎ শুধুই টাকা ইনকাম করার চিন্তায় যদি ব্লগিং করতে আসেন, তাহলে আপনি ব্লগিং করতে পারবেন কি না এই বিষয়ে আমার যথেষ্ট সন্দেহ থাকবে!

২. গুগল এডসেন্স এর পিছনে দৌড়ানো

কেন ব্রাদার আপনার গুগল এডসেন্স নিয়ে এতো মাথা ব্যাথা কেন বলবেন কি? দেখুন আপনার ব্লগে যদি পর্যাপ্ত পরিমান ট্রাফিক ই না আসে তাহলে আপনি করবেন টা কি এই এডসেন্স দিয়ে বলুন? তাই ব্লগিং শুরু করে দেওয়ার সাথে সাথেই এডসেন্স এর পিছনে “ভাগ মিল্কা ভাগের” মত করে না দৌড়ে নিজের কন্টেন্ট এর দিকে ফোকাস করুণ, তাহলে দেখবেন আপনার ব্লগে ভালো রকম ট্রাফিক আসছে। আর যখন দেখবেন আপনার ব্লগে ট্রাফিক আসা শুরু করে দিয়েছে তখন এডসেন্স এর কথা চিন্তা করুণ!

আর হ্যাঁ গুগল এডসেন্স নিয়ে নিউলি ব্লগার দের লাফালাফি করার মেইন যে কারন তা হচ্ছে – আপনার ব্লগে এডসেন্স আপ্রুভাল দিবে তো? হুম ১০০% দিবে এটা নিয়ে আপনাকে একটুও টেনশন করতে হবে না। আপনার ব্লগের কন্টেন্ট এর মান যদি ভালো হয় তাহলে প্রথম চান্স এই আপনি এডসেন্স এর আপ্রুভাল পেয়ে যাবেন।

৩. ট্র্যাফিক আসছে না

একটু হিসাব করুণ তো আমাদের ১০/ ১২ হাজার টাকা একটা চাকরী পাওয়ার জন্য কত বছর পড়াশুনা করা লাগে? আর আপনি দু – দিন ব্লগিং শুরু করেই তার থেকে অর্থ উৎপাদন করতে চান? ব্যাপার টা হাস্যকর না, দেখুন আপনার কন্টেন্ট এর গুনগত মান যদি ভালো হয় তাহলে একটা সময় আপনার ব্লগে ট্রাফিক আসবে এটা আপনি নিশ্চিন্তে থাকতে পারেন।

কিন্তু যারা নিউলি ব্লগার তাদের এক্সপেক্টেশন — আজ একটি ব্লগ তৈরি করবো, এবং কাল কিছু আর্টিকেল ব্লগে পাবলিশ করে দিব ও পরশু থেকে আমার ব্লগে প্রচুর ট্রাফিক আসা শুরু করে দিব। এভাবে কি হয় বলুন? না ব্রাদার এভাবে হয় না। আপনাকে যেভাবে ১০/১২ হাজার টাকা চাকরী করবার জন্য অনেক ক বছর পড়াশুনা করা লাগে। ঠিক সেভাবে আপনার ব্লগ কে একটি সাক্সেস ফুল ব্লগে রূপান্তরিত করবার জন্যও কিছুটা সময়ের প্রয়োজন আছে।

তাই নতুন ব্লগ তৈরি করার পর পর ই এটা ভেবে মন খারাপ করবেন না যে, আপনার ব্লগে ট্রাফিক কেন আসছে না। এবং এটা ভেবে ব্লগিং করা বন্ধ ও করে দিবেন না। সঠিক ভাবে কাজ করে গেলে বছর খানেক এর মাঝেই আপনার ব্লগ একটি সফল ব্লগে রুপান্তিরিত হবে।

৪.ব্লগিং তৈরি করবেন কি সিএমএস ব্যবহার করে?

ওয়েল দেখুন প্রফেশনাল ভাবে যদি ব্লগিং করতে চান তাহলে অবশ্যই আমি আপনাকে ওয়ার্ডপ্রেস সিএমএস ব্যবহার করে ব্লগ তৈরি করতে বলব। বাট তার মানে কেউ আবার এটা ভেবে বসবেন না যে গুগল এর ব্লগার বাজে বা খারাপ – বিস্তারিত বলার আগে আপনাকে এই digitalinformationworld ওয়েবসাইট এর সাথে পরিচিত করিয়ে দিতে চাই একটু, এই ওয়েবসাইট টি কিন্তু সম্পূর্ণ গুগল এর ব্লগারে তৈরি ও এই ব্লগ টি’কে কিন্তু প্রচুর ট্র্যাফিক হয় প্রতি মাসে “আড়াই লক্ষের” মত ট্র্যাফিক হয়। যা মোটেও কম না; তাহলে বুজতে পারছেন তো? গুগল এর ব্লগার কে কেউ আবার আন্ডারস্টিমেট করতে যাবেন না।

উপরের এই ওয়েবসাইট টি দিয়ে উদাহরন দেওয়ার কারন শুধু এটাই যে, আপনার কন্টেন্ট যদি ভালো হয় তাহলে আপনি কি সিএমএস ব্যবহার করে ব্লগ তৈরি করছেন এটা মোটেও ম্যাটার করে না। মনে রাখবেন ব্লগের কন্টেন্ট ই আপনার ব্লগের “কিং” সিএমএস দিয়ে তা কখনই বিচার করতে যাবেন না।

একজন নিউলি ব্লগার এর এই স্পস্ট কথা গুলি অবশ্যই জানা উচিৎ, যাতে করে ব্লগিং করতে করতে হঠাৎ করেই আপনাকে ব্লগিং করা বন্ধ না করে দিতে হয়। এবং ব্লগিং করতে গিয়ে আপনাকে যাতে কখনও এমন বাজে সময়ে না পড়তে হয় তাই জন্য আজকের এই আর্টিকেল টি লেখা।

ইমেজ ক্রেডিট; By Plann Via Pexels

আপনিও কি আমার মত টেক পোকা? আপনারও কি নতুন নতুন টেকনোলজি বিষয়ে জানতে ভালো লাগে? তাহলে বন্ধু আপনি একদম সঠিক জায়গাতে এসেছেন, কেননা আমি এখানে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন টেক বিষয় গুলি নিয়ে আলোচনা করি, এবং টেকনোলজির জটিল টার্ম গুলিকে আপনাদের সামনে জলের মত সহজ করে উপস্থাপন করার চেষ্টা করি।

8 responses on “ব্লগিং সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রশ্ন ও তার সহজ উত্তর!”

  1. নিশ ব্লগ কি খুবই গুরুত্বপূর্ণ? সবাই বলে নিশ না থাকলে ভালো আয় হয় না। এইটা কি সত্যি কথা? সত্যি হলে কেন, ব্যখ্যাটা কি? ৩-৪ টা টপিককে পূঁজি করে ব্লগ বানালে ভালো ইনকাম পাবো না?

    Reply
    • আপনার প্রস্নটা অনেক বেশি ইন্টারেস্টিং মনে হয়েছে আমার কাছে, এবং আমি আপনার প্রশ্নের সঠিক উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করছি – দেখুন ব্রাদার ব্লগিং কোন ভাবেই কোন ছেলে খেলা না, ব্লগিং এর মাঝে আরো অনেক গুলি বিষয় জড়িয়ে আছে, ব্যাপার টা মোটেও এমন নয় যে আপনি নির্দিষ্ট একটি নিশ নির্বাচন করে ব্লগিং করু করে দিলেন ও আপনি গুগলের প্রথম পেজে আপনার ব্লগ কে রেঙ্ক করিয়ে ফেললেন, ও তারপর যথারীতি আপনার রাতারাতি অর্থ উৎপাদন হওয়া শুরু হয়ে গেলো। আবার সেই একই গল্পো কিন্তু মাল্টি নিশেও, অর্থাৎ আপনি যদি সিঙ্গেল নিশ নির্বাচন না করে অনেক গুলি টপিক নিয়ে ব্লগিং করেন, তাহলেও কিন্তু এটা কখনই ভাববেন না যে আপনি রাতারাতি আপনার ব্লগ কে রেঙ্ক করিয়ে তুলতে পারবেন, সাথে রাতারাতি আপনি অনেক অর্থ উরপাদন করতে পারবেন! আচ্ছা এখন আমি আপনাকে আমার নিজের পার্সোনাল গল্প কিছুটা শেয়ার করি, আমি যখন ব্লগিং শুরু করি তখন আমিও ভাবতাম যে সিঙ্গেল নিশ নিয়ে ব্লগিং করলে মনে হয় অনেক তারাতারি আমি সফল হতে পারব, এবং সেই সাথে টাকা ইনকাম করতে পারব। কিন্তু না, আমি সম্পূর্ণ ভুল ছিলাম, আসলে ব্লগিং এর মুল মন্ত্র বা গল্প যাই বলুন না কেন, তা হচ্ছে আপনার লেখার মান ও আপনার ইচ্ছা শক্তি, আপনার কন্টেন্ট ও লেখার মান যদি প্রচণ্ড রকম ভাল হয় তাহলে আপনি সিঙ্গেল নিশ নিয়ে ব্লগিং করেও টাকা ইনকাম করতে পারবেন। পাশাপাশি আপনি যদি অনেক গুলা টপিক নিয়েও ব্লগিং করেন তাহলেও আপনি ভাল মানের টাকা ইনকাম করতে পারবেন। এবং হ্যাঁ, আমি এই প্রস্ন টা অনেক বেশি পেয়ে থাকি, তা হচ্ছে অনেকে বলে সিঙ্গেল নিশ নিয়ে ব্লগিং করলে তাড়াতারি ব্লগ রেঙ্ক করিয়ে তোলা সম্ভব। কিন্তু সত্যিকার অর্থে, এই কথার কোন দাম;ই নেই – তার প্রধান কারন হচ্ছে, বাংলা কন্টেন্ট কে আপনি ইংলিশ কন্টেন্ট এর সাথে গুলিয়ে ফেলছেন, বাংলা এবং ইংলিশ কন্টেন্ট কখনই এক নয়! এবং দুটি কন্টেন্ট এর প্রেক্ষাপট ও অনেক ভিন্ন। তাই সব শেষে ভাই আমি আপনাকে এটাই বলব, ব্লগিং শুরু করে দেওয়ার পূর্বে, নিজেকে এই নিশ নির্বাচন এর কনফিউশনে ডুবিয়ে রাখবেন না, এতে করে আপনার সময় সাথে টাকা ও আপনার ইচ্ছা শক্তির উপর মারাত্তক বাজে ভাবে প্রভাব পড়বে।

      ব্লগিং শুরু করতে চান? আপনার যে টপিক বা যে যে টপিক নিয়ে লিখতে ইচ্ছা হয়, অনায়াসে লিখে ফেলুন, কেবল তবেই আপনি বর্তমান সময়ে এসে ব্লগিং ফিল্ডে টিকে থাকতে পারবেন! আর একটা ব্যাপার হচ্ছে আপনার প্রশ্নের উত্তর আশা করি, এখানে পেয়ে যাবেন, অনেক ব্লগার আছে যারা বলে সিঙ্গেল নিশ ইজ বেস্ট, সিঙ্গেল নিশ নিয়ে ব্লগিং করলে, রাতারাতি ব্লগ ভাইরাল করা পসেবল। আসলে মোড়াল গল্প হচ্ছে, তারা তো ব্লগিং এই টপিক এর বাইরে কিছু ভাবতেও পারেনা, সো ঘুরিয়ে পেচিয়ে দেখলে, তাদের নিশ এই এক্টাই ব্লগিং! এই জন্যই তারা জগাখিচুড়ী পাকিয়ে অনেক রকম জট বাঁধিয়ে ফেলে! তাই সব শেষে ভাই এটাই বলব, ব্লগিং করতে চাইলে নিশ কোন ব্যাপার;ই না! আপনার লেখার মান ও আপনার কন্টেন্ট যদি ইউনিক হয় তবেই আপনি ভাল কিছু করতে পারবেন! অন্যথায় আপনি যাই করুণ না কেন, কোন কিছুতেই কোন ভাল ফলাফল পাবেন না ভাই।।
      আশা করছি, আপনি আপনার প্রশ্নের উত্তর পেয়েছেন ব্রাদার, আপনার আরো কিছু জানার বা আমাকে কিছু বলার থাকতে, অবশ্যই আপনাকে প্রস্ন করতে ভুলবেন না…

      Reply
  2. আরো প্রশ্ন আছে ভাই… ডোমেইন কোথায় থেকে কিনব? আমার তো মাস্টারকার্ড নেই। তাহলে উপায় কি… আর এ্যাডসেন্সের মাধ্যমে মোটামুটি কত টাকা কামাতে পারব, আর টাকা কামাতে কত সময় লাগতে পারে… আমি আসলে টাকার বিষয়ে কনফিউজড। একেকজন একেক কথা বলে। কেউ বলে, টাকা ইনকাম খুব কঠিম, তারচেয়ে ইউটিউবিং করো। আবার অনেকে বলে টাকা পাওয়া যায়, তবে তিন চার বছর পর… আপনি হয়তো বলবেন, এটা নির্ভর করে কনটেন্টের মানের উপর। কিন্তু, অনেকেই তো আগেই ভালো কনটেন্ট বানিয়েই রেখেছে…. তাহলে আমারটা কেন গুগলে র‍্যাংক করবে…. আমি সম্ভবত আপনাকেও কনফিউশানে ফেলে দিচ্ছি… আসলে আমার টাকার দরকার। আমি ভালোই লেখতে ভালোবাসি। কিন্তু নিজের ওয়েবসাইট শুরু করতে যেয়েই কেমন কেমন লাগছে। যদি ফেইল মারি…

    Reply
    • ওয়েল ব্রাদার নো প্রবলেম; আমি আপনার সকল প্রশ্নের উত্তর সহজ ভাবে দেওয়ার চেষ্টা করছি।
      (১) ডোমেইন কিভাবে কিনবেন – আপনার তো মাস্টার কার্ড নেই? ওয়েল, ব্রো ডোমেইন হোস্টিং কিনতে এখন আর মাস্টার কার্ড এর প্রয়োজন হয় না, আপনি আমাদের বাংলাদেশ থেকে স্বল্প মুল্লে ডোমেইন ও হোস্টিং কিনে নিতে পারবেন! আপনি ডোমেইন এবং হোস্টিং কেনার জন্য EBNHOST ট্রাই করে দেখতে পারেন! আপনি বাংলাদেশ থেকে হোস্টিং নিলে বিকাশ, রকেট, ডাচ বাংলা, দিয়ে পেমেন্ট করতে পারবেন। ডোমেইন কেনার পূর্বে আপনার যে বিষয় গুলি মাথায় রেখে ডোমেইন কেনা উচিৎ তার উপর আমাদের একটা ডিডিকেটেড আর্টিকেল পাবলিশ করা আছে, এখান থেকে পড়ে আসতে পারেন

      (২) এডসেন্স থেকে মোটামুটি কত টাকা আয় করতে পারবেন? দেখুন এডসেন্স থেকে মোটামুটি কত টাকা ইনকাম হবে, এটা অনেক গুলি ফ্যাক্টর এর উপর নির্ভর করে, তবে আপনাকে একটা ধারনা দিতে পারি, মনে করুণ আপনার ব্লগে যদি পার দে; এক হাজার ভিজিটর হয় ও কম করে ২/৩ হাজার পেজ ভিউ হয় তাহলে মোটামুটি আপনি ৫/৭ ডলার ইনকাম করতে পারবেন প্রতিদিন।

      (৩) আপনি আসলে কনফিউজড টাকার বিষয়ে এবং সেই সাথে ইউটিউব এবং ব্লগিং এর বিষয়েও! ওয়েল দেখুন ব্রো, প্রথমত ব্লগিং কিংবা ইউটিউব কোনটাই টাকা ছাপার মিশিন নয়, আপনাকে সব যায়গাতেই হার্ড ওয়ার্ক করতে হবে, ইউটিউব বা ব্লগিং কোন টাই খুব বেশি সহজ নয়! এখন কথা হচ্ছে ইউটিউবে বেশি টাকা নাকি ব্লগিং এ? উত্তর ব্লগিং! ইউটিউব নাকি ব্লগিং টপিকের উপরেও আমাদের আর্টিকেল পাবলিশ করা আছে, দয়া করে পড়ে আসুন।

      আর একটা বিষয় আপনি প্রস্ন করেছেন তা হচ্ছে, ব্লগিং এ টাকা ইনকাম হওয়া শুরু হতে অনেক টাইম লেগে যায়, বাট ব্রাদার আপনি যতটা বেশি টাইম বলছেন, ঠিক অতোটাও বেশি টাইম লাগে না। তবে হ্যাঁ, ব্লগিং ক্যারিয়ার ঠিক ভাবে বিল্ড করতে চাইলে কম পক্ষে ১/২ বছর টাইম আপনাকে দিতেই হবে।

      (৪) অনেকেই তো আগে থেকে ভাল ভাল কনটেন্ট তৈরি করে রেখেছে, তাহলে আপনার কনটেন্ট কেন গুগলে রেঙ্ক করবে? হি,হি,হি ব্রো এখানেই তো আসল গল্প। আপনি যদি সেই অনেকের সাথে নিজেকে গুলিয়ে ফেলেন তাহলে আপনার আর সেই অনেকের মাঝে পার্থক্য টা কি থাকলো? আর আপনি কেনই বা অনেকের সাথে নিজেকে কম্পেয়ার করবেন বলুন, আপনি আপনার মত করে বেস্ট দেওয়ার চেষ্টা করবেন, এবং এটাই হবে আপনার ব্লগিং লাইফের ভিন্নতা। কি,কি করেছে – বা কে কি করল তা দিয়ে আপনার কি! আর একটা বিষয় আপনার কথার যুক্তি আছে, কিন্তু এটা ভাবুন তো এরকম তো অনেকেই ব্লগিং করছে বা অনেকেই আগে থেকে তাদের ব্লগিং ক্যারিয়ার অনেক বেটার একটা যায়গাতে নিয়ে গিয়েছে। তার মানে কি এটাই, যে এই জন্য নতুন রা ব্লগিং ছেড়ে দিয়েছে? বা নতুন কোন ব্লগ রেঙ্ক করছে না। না এরকম কোন কিছুই না।

      (৫) না, না আপনি আমাকে মোটেও কনফিউজ করছেন না ব্রো! ওয়েল, দেখুন আপনি যেহেতু বলছেন আপনার লিখতে অনেক বেশি ভাল লাগে, তার মানে আপনি লেখালেখি করতে বেশ অনেক টাই কমফোর্টেবল, সো আমার আপনার প্রতি পরামর্শ থাকবে; যেহেতু আপনার লেখালেখি করতে ভাল লাগে তাই জন্য আপনি ব্লগিং শুরু করে দিতে পারেন, হ্যাঁ কিছুটা টাইম আপনাকে দিতে হবে, সেই সাথে কিছু ইনভেস্ট ও করতে হবে। বাট আপনি যদি আপনার লক্ষে অটল থাকেন, তাহলে আপনি ব্লগিং থেকে কিছু করতে পারবেন।

      আর ব্রাদার, ভয় পাওয়ার তো কিছুই নাই, নিজে যদি আত্মবিশ্বাসী না হন; আপনি আপনি ব্লগিং কেন – পৃথিবীর কোন কাজ কেই জয় করতে পারবেন না। বা নিজের বসে আনতে পারবেন না। সো এই সকল কনফিউশন মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলে, শুরু করে দিন… শুভকামনা রইল আপনার জন্য!!!

      Reply
  3. অনেক অনেক ভালো লাগলো…. এতো সুন্দর করে উত্তর দেয়ার জন্য প্রচুর ধন্যবাদ☺☺☺☺☺☺☺☺☺☺☺☺☺☺☺☺☺☺☺☺☺☺☺☺❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤

    Reply

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *