ব্লগিং এর ভবিষ্যৎ কি? আপনার ব্লগিং ক্যারিয়ার এর ভবিষ্যৎ কি?

ব্লগিং এর ভবিষ্যৎ কি? আপনি সদ্য ব্লগিং শুরু করেছেন, এখন আপনার মনে এই প্রশ্ন টি আসতেই পারে যে,

আমি যে ব্লগিং করছি এই ব্লগিং এর ভবিষ্যৎ টা কি? বা আমার ব্লগিং ক্যারিয়ারের ভবিষ্যৎ কি?

ওয়েল আজকের এই আর্টিকেলে আমি আপনার সাথে শেয়ার করব, আপনার ব্লগিং ক্যারিয়ার এর ভবিষ্যৎ কি? বা ব্লগিং এর ভবিষ্যৎ কি হতে পারে?

তাহলে চলুন মূল আর্টিকেলে যাওয়া যাক।

ব্লগিং এর ভবিষ্যৎ কি?

উত্তর, ব্লগিং এর ভবিষ্যৎ খুবই ভালো, দেখুন আগে ছিল একরম আর এখন ব্যাপার টা অন্য রকম।

আগে অনেকেই ব্লগিং মানেটা ঠিক ঠাক বুজত না, আর এখন প্রায় সবাই ব্লগিং সম্পর্কে বুঝে বা জানে।

আর কম বেশি সবাই এখন ব্লগিং এর দিকে বেশ ঝুকেও পড়েছে, অর্থাৎ এখন অনেকেই অনলাইনে ক্যারিয়ার ডেভেলপ করার জন্য ব্লগিং শুরু করছে।

এখান থেকে আপনি ৫/৭ বছর আগের কথা চিন্তা করে দেখুন তো? ব্লগিং সম্পর্কে অনেকেরই কোন ধারনা ছিল না, আর এখন ঘরে ঘরে সবাই ব্লগার।

আচ্ছা আসলেই কি ব্লগিং এর ভবিষ্যৎ ভালো? হ্যাঁ ভাই শতভাগ নিশ্চিন্তে থাকতে পারেন, এবং শতভাগ নিশ্চিন্ত হয়ে ব্লগিং শুরু করে দিতে পারেন।

তবে এটা ঠিক যে আগে যেভাবে ব্লগিং করে ক্যারিয়ার ডেভেলপ করা জেত, এখন বিষয় টা তেমন নেই।

অর্থাৎ এরটা দেখলাম অর টা দেখলাম কপি পেস্ট করে দিয়ে আর্টিকেল লিখে দিলাম এবং ব্লগিং ক্যারিয়ার ডেভেলপ করে ফেললাম।

এখন বিষয় টা সম্পূর্ণ ভিন্ন আপনাকে নিজের স্টাইলে কাজ করে যেতে হবে। আপনি যদি এই সময়ে কাউকে কপি পেস্ট করে ব্লগিং করার কথা চিন্তা করে থাকেন তাহলে ভাই আমি আপনাকে ব্লগিং ফিল্ডে না আসার পরামর্শ দিব।

তার কারন আপনি নিজে থেকে যদি কিছু না করতে পারেন, অন্নকে কপি করে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন তবে সত্যি আপনি কিছু করতে পারবেন না।

আচ্ছা কপি পেস্ট নিয়ে যেহেতু কথা বলছি, এই কপি পেস্ট এর বিষয়টা একটু পরিস্কার করে বুঝিয়ে বলি।

ধরুন আপনি একটি ব্লগকে টার্গেট করে রেখে ব্লগিং শুরু করেছেন, এবং হুবহু সেই ব্লগ এর মত সব কিছু করে চলেছেন, সেই ব্লগ এর ডিজাইন থেকে শুরু করে সেই ব্লগ এর কনটেন্ট সব একেবারে হুবহু কপি পেস্ট করে দিছেন।

বা কিছুতা নিজস্বতা রেখে কপি করেছেন। তাহলেও কিন্তু আপনি কিছু করতে পারেন বা, সত্যি বলছি ভাই!

যদি আপনি এমন করে থাকেন তাহলে আপনি ব্লগিং করে কিছু করতে পারবেন না, এবং আপনার ব্লগিং ক্যারিয়ার সম্পূর্ণ অন্ধকার।

দেখুন কপি পেস্ট একদমই না করে যে ব্লগিং করা পসেবল আমি তাও বলছি না

কারন আপনার মাথায় যে আইডিয়া আজ এসেছে তা হয়তবা কয়েক বছর আগে বা কয়েক মাস আগে অন্য কারও মাথায় এসেছে।

এবং আপনার মাথায় আসা আইডিয়া আগে থেকেই ইন্টারনেটে পড়ে আছে। তাহলে তার অর্থে আপনার মাথায় আসা আইডিয়াও কিন্তু কপি পেস্ট হয়ে যাচ্ছে।

কিন্তু এমন অবস্থায় কি করবেন?

কি আর করবেন আপনার মাথায় আসা আইডিয়া আপনি সবার সাথে শেয়ার করবেন।

তবে ধ্যান রাখতে হবে এটাই যে আগে থেকে যে আইডিয়াটা ইন্টারনেটে পড়ে আছে,

আপনার আইডিয়া বা আপনার লেখার ধরন যেন হুবহু তার মতন না হয়ে যায়। আপনি আপনার মত করে লিখবেন তাহলেই হবে।

মূল কথা একটু ক্রিয়েটিব হয়ে কাজ করবেন, আপনার কাজের মাঝে শুধুই আপনার নিজস্বতা থাকবে ব্যাস।

আর কপি পেস্ট করবেন না বলতে কি বুঝতে চাচ্ছি এটাই?

ধরুন আপনি এই আর্টিকেল টি কপি করবেন বা আমার লেখার ধরন কপি করে হবহু আমার মত করে লিখে দিলেন।

এরকম করা যাবেনা তাহলে আপনার ব্লগিং এর ভবিষ্যৎ ঘোর অন্ধকার। আপনার কাজের মাঝে আপনার নিজস্বতা অবশ্যই থাকতে হবে।

আর তা ছাড়া নিজের কাজে যদি নিজের নিজস্বতা না থাকে তাহলে আপনি ঠিক কতদিন এই অন্নকে কপি করে যেতে পারবেন।

একটা সময় আপনি বিরক্ত হয়ে যাবেন এবং ব্লগিং ছেড়ে দিবেন, তাই সব সময় চেষ্টা করবেন নিজস্বতা রেখে কাজ করতে।

মূলকথা, আপনি আপনার কাজ যদি ঠিক ঠাক করেন মানে কপি পেস্ট না করে নিজে থেকে কনটেন্ট ক্রিয়েট করে যেতে পারেন তাহলে ব্লগিং এর ভবিষ্যৎ খুবই ভালো।

আর যদি অন্নকে কপি পেস্ট করে কাজ করেন তাহলে ব্লগিং কেন আপনি অনলাইনে কিছুই করতে পারবেন না।

আপনার ব্লগিং ক্যারিয়ার এর ভবিষ্যৎ কি?

হ্যাঁ আপনার ব্লগিং ক্যারিয়ার এর ভবিষ্যৎ ও খুবই ভালো শুধু আপনাকে বুঝে শুনে কাজ করতে হবে, অর্থাৎ অনেক হিসাব নিকাশ করে ব্লগিং করতে হবে।

আমি অনেকেই দেখেছি তারা কি করে প্রতিদিন তাদের ব্লগে অনেক গুলা আর্টিকেল পাবলিশ করে, আর আর্টিকেল গুলার ধরন ওই অন্য সব আর্টিকেল এর মতন।

অর্থাৎ কোন বড় ব্লগ থেকে দেখে অনুপ্রিনিত হয়ে ধুমছে কপি পেস্ট করে দেওয়া। আর কিছু দিন পড়ে ব্লগিং ছেড়ে দেওয়া।

অবশ্য তাদের ব্লগিং ছেড়ে দেওয়ার পিছনে যথেষ্ট কারন আছে, কেননা তাদের কাজের মাঝে নিজস্বতা ছিল না, আর এই জন্যই তারা ব্লগিং করতে পারিনি।

সব কিছুরই একটি নিয়ম বা ধরন আছে, আপনাকে আগে ব্লগিং শিখতে হবে বুজতে হবে জানতে হবে।

ব্লগিং মানেই যে শুধু লেখালেখি করা তা কিন্তু না, ব্লগিং মানে অনেক কিছু।

এই যেমন আমার কাছে ব্লগিং মানে ভালবাসা, নিজের সব কিছু।

হ্যাঁ আপনাকেও আপনার কাজকে ভালবাসতে হবে প্রতিনিয়ত শিখে যেতে হবে, এবং তারপর আপনি আস্তে আস্তে ব্লগিং ফিল্ডে ভালো কিছু করতে থাকবেন।

আজ ব্লগিং শুরু করলেন কাল থেকে ব্লগিং ক্যারিয়ার সেটেল হয়ে যাবে এমন টা ভাববেন না ভাই।

আপনার ব্লগিং ক্যারিয়ারের ভবিষ্যৎ সত্যিকার অর্থে অনেকটা সচ্ছল, তবে এটা নির্ভর করে আপনি কিভাবে কাজ করছেন তার উপর।

অর্থাৎ আপনি ব্লগিং টা করছেন কিভাবে, আপনি যদি প্রতিনিয়ত ভালো ভালো কনটেন্ট লিখতে পারেন এবং আপনার কাজের মাঝে আপনার নিজস্বতা থাকে তাহলে অবশ্যই আপনার ব্লগিং ক্যারিয়ারের ভবিষ্যৎ খুবই ভালো।

তবে তা রাতারাতি হবে না আপনাকে কমকরে ১ বছর অপেক্ষা করতে হবে,তারপর আপনি আপনার ব্লগ থেকে কিছু পাওয়া শুরু করবেন।

মূলকথা এটাই ভাই আপনার ব্লগিং ক্যারিয়ার সত্যি খুব ভালো হতে পারে যদি আপনি আপনার কাজটি ঠিক মত করতে পারেন।

আপনি আপনার কাজ যেভাবে করবেন আপনার কাজের ফলাফলও ঠিক সেভাবেই পাবেন।

এই আর্টিকেল সম্পর্কে আপনার কিছু জানার বা আমাকে কিছু প্রশ্ন করার থাকলে নিচে আপনার মতামত ড্রপ করতে পারেন, ধন্যবাদ এতক্ষণ সাথে থাকার জন্য। টা, টা ❤❤

ইমেজ ক্রেডিট; Drew Beamer  Via Unsplash

আপনিও কি আমার মত টেক পোকা? আপনারও কি নতুন নতুন টেকনোলজি বিষয়ে জানতে ভালো লাগে? তাহলে বন্ধু আপনি একদম সঠিক জায়গাতে এসেছেন, কেননা আমি এখানে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন টেক বিষয় গুলি নিয়ে আলোচনা করি, এবং টেকনোলজির জটিল টার্ম গুলিকে আপনাদের সামনে জলের মত সহজ করে উপস্থাপন করার চেষ্টা করি

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *