ব্লগিং কি? ব্লগিং করে কিভাবে টাকা ইনকাম করবেন?

ব্লগিং কি

ব্লগিং কি ? কিভাবে করতে হয় ব্লগিং ? আবার ব্লগিং করেও শুনেছি টাকা ইনকাম করা যায়? ওয়েল আপনি যদি এই বিষয় গুলো না যেনে থাকেন, তাহলে আমি আপনাকে আজ সব টা একদম ক্লিয়ার করে বুঝিয়ে দিবো।

ব্লগিং কি ? (What is Blogging)

ওয়েল ব্লগিং বলতে বুঝায় কন্টেন্ট রাইটিং। যেমন আমরা সবাই তো কমবেশি ইউটিউব এর সাথে পরিচিত।

তো এই ইউটিউব হচ্চে ভিডিও কন্টেন্ট প্লাটফ্রম, আর ব্লগিং হচ্চে কন্টেন্ট রাইটিং প্লাটফ্রম। ইউটিউব যেমন আপনার ভিডিও কন্টেন্ট বানাতে হয়। সেম ভাবেই আপনার ব্লগিং এর জন্ন কন্টেন্ট লিখতে হয়।

তবে পার্থক্য শুধু এটুকুই ইউটিউব এ ভিডিও কন্টেন্ট এলায়ু করে। আর ব্লগিং এ আর্টিকেল লিখতে হয়।

এই যেমন আপনি আমার পোস্ট টি এখন পরছেন। ব্লগিং বলতে সহজ ভাবে বললে বুঝায় আর্টিকেল লেখা। মানে শুধুই লেখা লেখি করা।

আপনি কি ব্লগিং করতে পারবেন ?

হ্যাঁ, নিঃসন্দেহে করতে পারবেন। তবে ব্লগিং শুরু করার পূর্বে কিছু বিষয়ে আপনার ধ্যান রাখাটা অতান্ত জরুরি।

প্রথমেই বুজতে হবে আপনি কতটুকু ইন্টারেস্টেড ব্লগিং করার জন্য?

মানে আপনার কি সব সময় লেখা লেখি করতে ভালো লাগে। যদি আপনার উত্তর হ্যাঁ হয়ে থাকে, তাহলে আপনি চোখ বন্ধ করে ব্লগিং স্টার্ট করে দিতে পারেন।

আপনি ব্লগিং কতো দিনের জন্য করতে চাচ্ছেন ? এবং আপনি আপনার ব্লগিং এর ফিউচার নিয়ে কি অনেক সিরিয়াস?

না শুধুই অর্থের প্রলভের জন্য আপনি ব্লগিং করতে চাচ্ছেন? আপনি যদি শুধুই অর্থের জন্য ব্লগিং করতে চান। তাহলে আপনি ফেইলার হয়ে জেতে পারেন।

তার কারন ব্লগিং দু,এক দিনের বাপার না। আপনাকে প্রচুর সময় এবং ধৈর্য রাখতে হবে।

আপনি ব্লগিং করা শুরু করলেন অর্থের জন্য কিন্তু আপনি প্রথম অবস্থায় গিয়ে কখনই সাকসেস হতে পারবেন না।

আপনাকে আগে আপনার ব্লগিং এর ফিউচার নিয়ে ভাবতে হবে। আপনি আপনার এই ব্লগিং ক্যারিয়ার কে কতো দূর নিয়ে জেতে পারবেন তা নিয়ে ভাবতে হবে।

এবং চেষ্টা করতে হবে প্রথম অবস্থায় অর্থ উপার্জনের কথা ভুলে থাকতে। ফোকাস শুধু ব্লগিং এর উপরে রাখতে হবে।

এই ছাড়া আমি আর তেমন কঠিন কিছু দেখি না ব্লগিং করার জন্য প্রয়োজন হয়ে থাকে।

কেননা আমি আমার নিজের এক্সপিরিয়ান্স থেকে বলছি সব কিছু।

আমিও অনেক বড় একজন ফেইলার। সো আমি চাইনা সামান্য কিছু ভুল করার জন্য আপনিও আমার মত ফেইলার হন।

ব্লগিং করে টাকা ইনকাম করতে পারবেন কিভাবে ?

ওয়েল, ব্লগিং করে অর্থ উপার্জন করার অনেক ওয়ে আছে।

তবে সব থেকে ভালো এবং মানসম্মত উপায় হতে পারে আপনার জন্য গুগল অ্যাডসেন্স।

এছারাও আরও অনেক ওয়ে আছে যার মাধ্যমে আপনি ব্লগিং করে অর্থ উপার্জন করতে পারবেন।

যেমন আপনি বা আপনার ব্লগ একটু পপুলার হয়ে যাওয়ার পর, আপনি লোকাল মার্কেট থেকে স্পন্সার পেয়ে পেতে পারেন।

তারপর এফিলিয়াট মার্কেটিং করে, নিজের ইবুক বিক্রি করে।

তবে এ সকল ওয়ে তে কাজ করে অর্থ উপার্জনের জন্য আপনাকে যথেষ্ট অভিজ্ঞ হতে হবে। এবং সেটাও সাপেক্ষ।

তবে আপনি প্রথম অবস্থাতেই গুগল অ্যাডসেন্স এর সাথে কাজ করে অর্থ উপার্জন করতে পারবেন।

তারপর গিয়ে আস্তে আস্তে আপনি চাইলে আপনার ব্লগে এফিলিয়াট – মার্কেটিং করতে পারেন।

বা আপনি যদি ব্লগিং বিষয়ে অনেক এক্সপার্ট হয়ে যান তখন আপনি নিজে একটি ইবুক লিখে ফেলতে পারেন। এবং তা আপনার ব্লগে সেল করে অর্থ উপার্জন করতে পারেন।

আর একটু কথা আপনাকে বলে রাখতে চাই।

আপনি ব্লগিং স্টার্ট করার সাথে সাথেই কিন্তু ভালো রেসপন্স পাবেন, বা ভালো অর্থ ইনকাম করতে পারবেন এমন টা ভেবে বসে থাকবেন না।

ব্লগিং শুরু করার পর কম করে হলেও ৬ মাসের বেশি সময় লেগে যাবে আপনার অর্থ উপার্জন হওয়া শুরু হতে।

আমার কিছু কথা আপনার উদ্দেশে ।

ব্লগিং স্টার্ট করার পূর্বে আপনি এই কথা গুলি একটু মাথায় নিয়ে ব্লগিং স্টার্ট করুন।

আসা করি আপনি সুফল পাবেন।

আমি আমার নিজের করা ভুল গুলো আপনাদের মাঝে তুলে ধরেছি, জাতে করে আমার ভুল গুলা থেকে আপনি কিছু শিখতে পারেন, এবং ভালো কিছু করতে পারেন।

তবে ব্লগিং নিয়ে একটা আর্টিকেল এ সব কিছু বুঝিয়ে শেষ করা পসেবল না। পরবর্তীতে আরও আর্টিকেল আসবে এই ব্লগিং রিলেটেড।

এখন আপনার যদি ব্লগিং বিষয়ে আরও কিছু জানার থাকে তাহলে আপনি আমাকে জানাতে পারেন।

আমি অতি দ্রুততার সাথে আপনাকে রিপ্লায় দিবো। ভালো থাকবেন, এবং ভালো কিছু শিখতে পারবেন আমাদের (লার্নবিডি) ব্লগ থেকে এই আসা নিয়ে আজকের আর্টিকেল কি শেষ করছি, ধন্যবাদ।

ফিচার ইমেজ ক্রেডিট; By Igor Miske Via Unsplash

আপনিও কি আমার মত টেক পোকা? আপনারও কি নতুন নতুন টেকনোলজি বিষয়ে জানতে ভালো লাগে? তাহলে বন্ধু আপনি একদম সঠিক জায়গাতে এসেছেন, কেননা আমি এখানে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন টেক বিষয় গুলি নিয়ে আলোচনা করি, এবং টেকনোলজির জটিল টার্ম গুলিকে আপনাদের সামনে জলের মত সহজ করে উপস্থাপন করার চেষ্টা করি

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

>