ফ্রী হোস্টিং ব্যবহার শুরু করার পূর্বে, আপনার যে বিষয় গুলি জানা উচিৎ

একটি ওয়েবসাইট এর সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ পার্ট হচ্ছে ওয়েব হোস্টিং। এখন এই হোস্টিং যেহেতু ফ্রীতে পাওয়া যায় না এ জন্যই অনেকে ফ্রী হোস্টিং খুঁজে থাকে। আপনি একটু ইন্টারনেট ঘাটাঘাটি করলে এমন অসংখ্য ফ্রী ওয়েব হোস্টিং ওয়েবসাইট পেয়ে জাবেন।

ওয়েট, এখন আপনি ভাবতে পারেন তাহলে আমি কি আজ আপনাদের সাথে বেস্ট ফ্রী ওয়েব হোস্টিং নিয়ে কথা বলতে যাচ্ছি। ওয়েল, আপনার এই প্রশ্নের উত্তর হচ্ছে না। আমি আজ শুধু আপনাদের সাথে এটা শেয়ার করার চেস্টা করবো কেন আপনার ফ্রী হোস্টিং ব্যবহার করা উচিৎ নয়। ফ্রী হোস্টিং ব্যবহার করার ফলে আপনি কি ধরনের সমস্যায় পড়তে পারেন।

ওকে, তাহলে এখন এখানে কথা না বাড়িয়ে চলুন মেইন আর্টিকেলের দিকে মুভ করা যাক। সাথেই থাকুন…

ফ্রী হোস্টিং ব্যবহার শুরু করার পূর্বে, আপনার যে বিষয় গুলি জানা উচিৎ

ফ্রী ওয়েব হোস্টিং সম্পর্কে আপনার যে বিষয় গুলি জানা প্রয়োজন

ফ্রী ওয়েব হোস্টিং আপনার কেন প্রয়োজন? অবশ্যই একটি ওয়েবসাইট অথবা একটি ব্লগ তৈরি করার জন্যই রাইট? হ্যাঁ তাই ছাড়া তো আর অন্য কোন কারন আমি দেখি না যে তার জন্য আপনার ফ্রী হোস্টিং এর প্রয়োজন হতে পারে।

ওকে এখন এটা ধরে নিয়ে আগানো যাক, আপনার নিজের একটি পার্সোনাল ওয়েবসাইট অথবা শখের বসে আপনি একটা ব্লগ তৈরি করতে চান। আর এ জন্যই আপনার ফ্রী হোস্টিং এর প্রয়োজন। হ্যাঁ! এখন আপনার কাছে ফ্রী হোস্টিং ব্যবহার করার যথাযথ কারন আছে।

কিন্তু আপনি জানেন কি এই ফ্রী ওয়েব হোস্টিং প্রোভাইট কারি কম্পানি গুলা আপনাকে চোখে আঙ্গুল দিয়ে ঠকিয়ে যাচ্ছে। কিভাবে? বলছি তাহলে শুনুন, দেখুন এই জামানায় কেউ কি কাউকে বিনা স্বার্থে কোন কিছু একদম ফ্রীতে দিয়ে থাকে। না কখনই দেয়না, আর যদিও বা বলে ফ্রীতে দিচ্ছি তাহলে ধরে নিতে হবে তার পিছে অন্য কোন গল্প আছে।

এই যেমন আপনাকে বলা হচ্ছে ১ জিবি ডিস্ক স্পেস, ও ১০/১০০ জিবি ব্যান্ডওয়িথ আপনাকে একদম ফ্রীতে দেওয়া হবে। ইস কি মজা তাই না, ফ্রীতেই এতো কিছু দিচ্ছে সত্যি তো এই ফ্রী হোস্টিং ওয়েবসাইট কম্পানি টা সত্যি তো খুব ভালো দেখছি।

হা জি, ঘন্টা ভালো। এসব লোক ঠকানো ধান্দা আর কিছুই না। ফাক তালে আপনাকে যে হোস্টিং কম্পানি গুলা বলছে যে তারা আপনাকে ফ্রী হোস্টিং দিচ্ছে, তারা কিন্তু দিন শেষে ঠিক ই প্রফিট ঘরে তুলে নিচ্ছে। আর আপনি পাচ্ছেন কাঁচকলা!

কিভাবে ?

আপনি একটু Upwork,Fiverr থেকে ঘুরে আসুন তাহলে আপনি বুজতে পারবেন। আপনাকে ব্যবহার করে এই ফ্রী হোস্টিং প্রদান কারি কম্পানি গুলা কিভাবে অর্থ উৎপাদন করে চলেছে।

আচ্ছা আপনাকে একটু পরিস্কার করে বুঝিয়ে বলছি। আপনি যখনি কোন ফ্রী হোস্টিং কম্পানি থেকে হোস্টিং নিতে জান তখন তাদের কিন্তু কিছু কন্ডিশন থাকে যেমন; আপনার ইমেল ভেরিফিকেশন। মানে আপনি একটি ফ্রী ওয়েব হোস্টিং ওয়েবসাইটে গিয়ে যখন আপনার নামে একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করবেন, তখন আপনি আপনার যাবতীয় তথ্য তাদের কাছে তুলে দিবেন। বা দিতে হবে অন্যথায় আপনি তাদের ওয়েবসাইটে অ্যাকাউন্ট করতে পারবেন না।

আর অ্যাকাউন্ট না করতে পারলে ফ্রী হোস্টিং ও কপালে জুটবে না। যাই হোক মুল গল্পে ফিরে আসা যাক এখন! আপনি যখনি কোন ফ্রী ওয়েব হোস্টিং কম্পানি তে গিয়ে নিজের সব তথ্য দিয়ে তাদের ওখানে একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করবেন। ঠিক তখনই কিন্তু আপনি তাদের কে আপনার তথ্য বিক্রি করার পারমিশন দিয়ে দিচ্ছেন।

হ্যাঁ, আর এভাবেই আপনার আমার তথ্য বিক্রি করেই এই ফ্রী ওয়েব হোস্টিং টাইপ এর কম্পানি গুলি আজও টিকে আছে, এবং থাকবে। এখন আপনি আমাকে বলতে পারেন ভাই ঠিক আছে আমাদের তথ্য বিক্রি করে দিচ্ছে ঠিকই, কিন্তু বিনিময়ে তো আমাদের ফ্রীতে হোস্টিং দিচ্ছে। ঘন্টা! আপনাকে হোস্টিং এর নামে যা দেওয়া হচ্ছে তাহাকে কোন ভাবেই হোস্টিং বলা চলে না ব্রো। তো যাই হোক এই টপিক টা নিয়ে একটু পরে বলছি।

এখন দেখুন আপনার দেওয়া তথ্য আপনার অজান্তেই বিক্রি হয়ে যাচ্ছে, এবং এর পর থেকেই কিছু দিন পর পর দেখবেন আপনার ইমেলে হাবি জাবি ইমেল আসা শুরু করেছে। এতো গেলো সাধারন বিষয়।

কিন্তু ব্রো গল্প তো আরও বাকি, আপনি যখন আপনার অ্যাকাউন্ট টি তৈরি করেছিলেন তখন কিন্তু আপনি শুধু আপনার ইমেল টি দেন নাই, আপনি আপনার ইমেল অ্যাকাউন্ট এর সাথে আপনার বাসার ঠিকানা,হোল্ডিং অ্যাড্রেস, জিপ কোড ইত্যাদি ইত্যাদি দিয়েছেন সে গুলার কি হবে। আবার অনেক সময় তো এসব কম্পানি গুলা আপনার ন্যাশনাল আইডি কার্ড ও চেয়ে বসে বা দিতে হয়। অন্যথায় অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে দেয় না।

এখন আপনি কিভাবে বলতে পারেন যে, আপনার দেওয়া সব তথ্য তারা যত্ন সহকারে তুলে রাখবে। কোন বাজে কাজে আপনার দেওয়া ইনফরমেশন গুলি ব্যবহার করবে না। না আপনি বলতে পারবেন না, আপনি কেন কেউই বলতে পারবেনা। তাহলে এখন বুজতে পারছেন তো আপনার সাথে কি কি হতে পারে।

ওয়েট ব্রদার গল্প এখানেই শেষ নয়, আরও অনেক বাকি আছে

আপনার তথ্য যেহেতু ইন্টারনেটে কিভাবে ব্যবহার হচ্ছে এটা আপনি জানেন না, এই কথার অর্থ আপনি ইন্টারনেট বাবহারে সচেতন না। আপনি অনেক সময় অনেক বড় ধরনের ঝামেলায় ও পড়তে পারেন এসব এর কারনে। কেননা আপনার তথ্য কোথায় এবং কিভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে এটা তো আর আপনি জানেন না।

তাই এসব ফ্রী জিনিসের চক্করে কখনই পড়তে জাবেন না, অনেক সময় ফলাফল খারাপ হতে পারে।

কেন ফ্রী হোস্টিং ব্যবহার করবেন না

এখন আসি আপনার একটি ওয়েবসাইট তৈরি করা সত্যি খুব প্রয়োজন এ জন্যই আপনি একটি ফ্রী হোস্টিং প্রোভাইডার খুজছেন। এবং আপনি চাচ্ছেন আপনার ওয়েবসাইট টি ইন্টারনেটে সচল রাখতে ও সবার সাথে ভাগাভাগি করে নিতে।

তবে এখানে দেখার বিষয় হচ্ছে আপনি যখন ফ্রী ওয়েব হোস্টিং এ আপনার ওয়েবসাইট টি হোস্ট করছেন তখন সেই ওয়েবসাইট টি কি সত্যি ইন্টারনেটে সচল থাকছে, বা ইন্টারনেট ব্যবহার কারি সবার সাথেই কি আপনি আপনার তথ্য বহুল ওয়েবসাইট টি শেয়ার করতে পারছেন?

এই প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার আগে আপনাকে আগে বলতে চাই ধরুন সবাই যদি ফ্রী হোস্টিং ব্যবহার করত তাদের ওয়েবসাইট হোস্ট করার জন্য, তাহলে এই Google Cloud, Amazon Web Services (AWS) এই কম্পানি গুলার কি হত। সবাই যদি ফ্রী হোস্টিং ব্যবহার করত তাহলে তো এই কম্পানি গুলাকে হাতে হ্যারিকেন নিয়ে বসে থাকতো হতো।

কিন্তু তা তো নয়, তাহলে মানুষ কেন ফ্রী হোস্টিং রেখে গুগল ক্লাউড বা আমাজন ওয়েব সার্ভিস ব্যবহার করছে? তার কারন বিশ্বাসতা ও সেটিস্ফেকশন। হ্যাঁ আপনি গুগল ক্লাউড থেকে হোস্টিং নিয়ে ব্যবহার করলে জততুকু বিশ্বাসতার সাথে ব্যবহার করতে পারবেন, তা কখনই একটি ফ্রী হোস্টিং থেকে হোস্টিং নিলে সেই বিশ্বাসতার সাথে ব্যবহার করতে পারবেন না।

আমি জাস্ট এখানে উদাহরন দেওয়ার জন্য গুগল ক্লাউড ও আমাজন কে টেনে এনেছি, আপনার কাছে যেহেতু বাজেট নেই এ জন্যই আপনি ফ্রী হোস্টিং খুঁজছেন, না হলে আপনিও গুগল ক্লাউড থেকেই হোস্টিং নিতেন। আচ্ছা ধরে নিলাম বিষয় টা তাই।

কিন্তু একটি ওয়েবসাইট তৈরি করতে খুব বেশি কিন্তু বাজেট এর প্রয়োজন হয় না। আচ্ছা বুজলাম আপনার এখন টোটাল বাজেট নেই এ জন্য আপনি ফ্রী হোস্টিং খুঁজছেন।

তাহলে এখন শুনুন আপনি ফ্রী হোস্টিং ব্যবহার শুরু করে একটি ব্লগ ওয়েবসাইট তৈরি করলে কি কি সমস্যায় পড়তে পারেন।

১. ওয়েবসাইট ডাউন থাকা

আপনার ওয়েবসাইট বা ব্লগ টি তৈরি করার মুল পারপাস টা কি? আপনার ওয়েবসাইট টা ইন্টারনেটে সচল রাখা ও আপনার শেয়ার করা তথ্য গুলি ইন্টারনেট ব্যবহার কারি সবার সাথে শেয়ার করা।

কিন্তু আপনি ফ্রী হোস্টিং ব্যবহার করলে কথা কাজ কখনই এক পাবেন না। মানে দেখা যাবে ২৪ ঘণ্টার মাঝে ২ ঘন্টা আপনার ওয়েবসাইট লাইভ আছে এবং বাকি ২২ ঘন্টা আপনার ওয়েবসাইট ডাউন আছে। তাহলে লাভ টা কি যদি আপনার ওয়েবসাইট ২৪ ঘন্টার মাঝে ২২ ঘন্টা ডাউন থাকে।

আর এরকম ভাবে চলতে থাকলে আপনার ওয়েবসাইট ইন্টারনেটে থাকা, না থাকার মতই হয়ে যাবে।

২. ডিস্ক স্পেস ব্যান্ডউইথ

আপনাকে ১ জিবি ডিস্ক স্পেস ও ১০০ জিবি ব্যান্ডউইথ দেওয়ার কথা ফ্রী হোস্টিং থেকে এবং আপনি সেই কথার উপরে নির্ভর করে আপনার ওয়েবসাইট টি তৈরি করে লাইভ করে দিলেন। এবং দেখলেন দু এক জনের বেশি ট্র্যাফিক আপনার ওয়েবসাইটে আসলে আপনার ওয়েবসাইট ডাউন হয়ে যাচ্ছে। কিন্তু কেন?

তার কারন এটা তো হওয়ারই কথা ব্রো, বুজতে হবে আপনাকে সব কিছু সম্পূর্ণ ফ্রীতে দিচ্ছে তো আপনি কি ভেবেছিলেন আপনাকে তারা যেমন টা বলছে “ফ্রী ফ্রী ফ্রী” তার সত্যি কার অর্থ কি সব কিছু ফ্রী হবে নাকি!

না ব্রো হবে না, তো আপনি যদি অনলাইনে আপনার বিজনেস বা যে প্রয়জনেই ওয়েবসাইট তৈরি করতে চান তাহলে আপনার অবশ্যই এসব ফ্রী হোস্টিং ব্যবহার করা থেকে নিজেকে সংযত রাখতে হবে।

তাহলে ফ্রী হোস্টিং যেহেতু ব্যবহার করবো না, কিন্তু আমার বাজেট নেই এখন এটার সলুশন কি?

কিছু পেতে হলে কিছু তো আপনাকে অবশ্যই দিতে হবে, তাই নয় কি। কিন্তু আপনার যদি একদম বাজেট না থাকে তাহলে আপনার জন্য আমাদের গুগল বাবাজি আছে তো। অতো ভাবতে হবে না আপনি গুগল এর ফ্রী ব্লগিং প্লাটফ্রম ব্লগার ব্যবহার করতে পারেন।

গুগল এর ব্লগার ব্যবহার করার জন্য আপনাকে একটি টাকাও খরচ করতে হবে না। আপনি ডোমেইন থেকে শুরু করে হোস্টিং সব কিছুই ফ্রীতে পেয়ে জাবেন এবং তাও গুগল এর পক্ষ থেকে। আর ভাই গুগল এর প্রডাক্ট নিয়ে তো আর কিছু বলার নেই, আপনি জানেন যে গুগল কতটা ট্রাস্টেড কম্পানি চোখ বন্ধ করে গুগল কে বিশ্বাস করা যায়।

আর হ্যাঁ ফ্রী ডোমেইন বলছি তার মানে আবার কেউ এটা ভাববেন না যে, আপনাকে টপ লেভেল এর ডোমেইন সম্পূর্ণ ফ্রীতে দেওয়া হবে। না আপনাকে ব্লগার এর সাব ডোমেইন “ব্লগস্পট” ফ্রীতে দেওয়া হবে।

যেমন example123.blogspot.com, এছারাও আপনার যদি কিছু বাজেট থাকে তাহলে আপনি হোস্টিং না নিয়েও ব্লগারে আপনার ওয়েবসাইট একদম ফ্রীতে হোস্ট করতে পারেন। আপনার শুধু প্রয়োজন পড়বে একটি টপ লেভেল ডোমেইন এর, আর তার জন্য আপনার ৮০০/১০০০ তাকার মত বাজেট থাকলেই হবে।

আপনি ওয়ার্ডপ্রেস শেখার জন্য ফ্রী হোস্টিং ব্যবহার করতে চাচ্ছেন তাহলে কি করবেন?

কেন ব্রো আপনি কিসের জন্য ওয়ার্ডপ্রেস শিখতে ফ্রী হোস্টিং ব্যবহার করবেন? যেখানে ফ্রী হোস্টিং ব্যবহার করার ফলে আপনার তথ্য চুরি হওয়া থেকে শুরু করে অনেক টাইপ এর ঝামেলা হতে পারে।

আপনার যদি ওয়ার্ডপ্রেস শিখতেই হয় তাহলে আপনি আপনার কম্পিটার ব্যবহার করেই শিখুন না। আপনি যেভাবে আপনার কম্পিটারে সফটওয়্যার ইন্সটাল করেন, সেভাবেই আপনার কম্পিটারে Bitnami WordPress এই সফটওয়্যার টি ডাউনলোড করে ইন্সটাল করে নিন এবং শিখতে থাকুন ওয়ার্ডপ্রেস,আপনার কম্পিটার ব্যবহার করে।

এছারাও আরও অনেক এমন সফটওয়্যার আছে যে সফটওয়্যার গুলা ব্যবহার করে, আপনার কম্পিটার কে এক প্রকার লোকাল হোস্ট বানিয়ে ওয়ার্ডপ্রেস শিখতে পারবেন।

উলেক্ষ আমি যে সফটওয়্যার টির কথা বলেছি এই সফটওয়্যার টি কিন্তু সম্পূর্ণ ফ্রী, এবং এই ফ্রী সফটওয়্যার টি ব্যবহার করায় আপনার প্রাইভেসি সংক্রান্ত কোন ঝামেলা নেই। তারপরেও আপনি যদি আপনার কম্পিটারে ওয়ার্ডপ্রেস শেখার জন্য অন্য কোন সফটওয়্যার ব্যবহার করতে চান, তাও পারেন শুধু একটু গুগল করে নিবেন।

আর হ্যাঁ যাই করুণ ফ্রী হোস্টিং এর চক্করে পড়বেন না, তাহলে কিছু শিখতেও পারবেন না কিছু করতেও পারবেন না, শুধু আপনার প্রাইভাসি অন্যর হাতে তুলে দিবেন।

মুল কথাঃ

চাইলেই এই আর্টিকেল টি লিখে আরও অনেক বেশি রকম বড় করতে পারতাম, কিন্তু তাতে লাভ টা কি হত। হয়তবা বড় করতে গিয়ে আপনাকে ঠিক ভাবে বুঝতেই অক্ষম হতে হত। তাই আপনার সামনে শুধু বিশেষ বিশেষ পয়েন্ট গুলি তুলে ধরা হয়েছে।

এবং আপনাকে সহজ ও স্পস্ট ভাবে বুঝিয়ে বলার চেস্টা করা হয়েছে, কেন আপনার ফ্রী ওয়েব হোস্টিং ব্যবহার করা উচিৎ নয়, বা ফ্রী হোস্টিং ব্যবহার করলে কি প্রবলেম হতে পারে। আপনি যেহেতু নিয়মিত লার্নবিডির পাঠক তাই আপনার এই বিষয়ে একটি স্পস্ট ধারনা থাকা উচিৎ। এবং এই জন্যই আজকের এই আর্টিকেল টি আপনার সাথে শেয়ার করা।

ধন্যবাদ এতো সময় সাথে থাকার জন্য, টা,টা

হ্যাপি লার্নিং

আপনিও কি আমার মত টেক পোকা, আপনারও কি নতুন নতুন টেকনোলজি বিষয়ে জানতে ভালো লাগে? তাহলে বন্ধু আপনি একদম সঠিক যায়গাতে এসেছেন, আমি এখানে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন টেক বিষয় নিয়ে আলোচনা করি, এবং টেকনোলজির জটিল টার্ম গুলা আপনার সামনে জলের মত সহজ করে উপস্থাপন করি...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Secured By miniOrange