কিভাবে ব্লগিং (Blogging) শুরু করবেন? (Complete Guideline)

কিভাবে-ব্লগিং-Blogging-শুরু-করবেন-Complete-Guideline
কিভাবে-ব্লগিং-Blogging-শুরু-করবেন-Complete-Guideline
কিভাবে ব্লগিং (Blogging) শুরু করবেন

আপনিও কি ব্লগিং (blogging) শুরু করতে চান! হুম নিশ্চয়ই চান, যদি না চাইতেই তাহলে তো আর এই আর্টিকেল পড়তে আসতেন না রাইট? ওয়েল ব্রাদার তাহলে আপনার জন্যই আজকের এই আর্টিকেল। এই আর্টিকেলে কিভাবে ব্লগিং শুরু করবেন বা করতে হয় তা আপনাকে একদম বেটে গুলে খাইয়ে দেওয়া হবে।

ফলে আপনি একটি সম্পূর্ণ গাইডলাইন পেয়ে যাবেন কিভাবে ব্লগিং শুরু করবেন এই টপিক (Topic) এর উপরে। এবং আপনি তারপরই শুরু করে দিতে পারবেন আপনার ব্লগিং যাত্রা। তাহলে চলুন এখানে বেশি কথা না বাড়িয়ে মেইন আর্টিকেলের দিকে যাওয়া যাক।

Select Your Niche (প্রথমেই আপনার নিশ বা টপিক নির্বাচন করুন)

অনেকেই আছে, যারা ব্লগিং করতে তো ঠিকই আসে কিন্তু তাদের না থাকে কোন পরিকল্পনা না থাকে গুড চিন্তা শক্তি। ফলে কিছুদিন পর এসব ব্লগিং (bloging) এর ভুত মাথা থেকে হারিয়ে যায়! এখন দেখুন আপনার সাথেও এমন টা হতে পারে, যদিনা আপনি ঠিক ভাবে নিশ নির্বাচন না করেন ও পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ না করেন।

যেমন আপনি আমার বা অন্য কারো দেখাদেখি ব্লগিং শুরু করে দিলেন বাট (But) আমি যে নিশ (Topic) নিয়ে কাজ করি সেই নিশ (Topic) আপনার পছন্দের নয়, ফলে আপনি তেমন কিছু লিখতে পারছেন না। দু-চার দিন পর হতাশা-গ্রস্থ হয়ে পরছেন ও ব্লগিং ছেড়ে দিচ্ছেন!

যদি আপনি না চান আপনার সাথে এমন কিছু হোক তাহলে প্রথমেই ব্লগিং করার কথা মাথায় আনার আগে এটা মাথায় আনতে হবে যে আপনি কি নিশ (niche) নিয়ে কাজ করবেন বা কোন নিশ নিয়ে কাজ করতে আপনি বেশি কম্ফটেবল (comfortable)।

এখন আপনি আমাকে প্রস্ন করতে পারেন, বা এভাবেও বলতে পারেন ব্রো আমার টেকনোলজি (Technology) নিয়ে লেখালেখি করতে বেশি রকম ভালো লাগে। হ্যাঁ তাহলে তাই করুন; কিন্তু না গল্প তা নয় – প্রথম অবস্থায় প্রায় প্রত্যেক টি ব্লগার এরই টেকনোলজি (Technology) নিয়ে লেখালেখি করতে ভাল লাগে, বাট (But) কদিন পরে গিয়ে এসব ভাল লাগা হারিয়ে যায়।

স্পষ্ট ভাষায় বলতে গেলে কি, ব্লগিং মানেই কিন্তু শুধু লেখালেখি না – ব্লগিং মানে ভিন্ন (Different) কিছু। তাই আপনাকেও ভিন্ন ভাবে কাজ করতে হবে, ভিন্ন ওয়েতে (Way) তে চিন্তা করতে হবে। আর ঠিক ভাবে বুজতে হবে আপনি ঠিক কি, বা কোন টপিক (Topic) এর উপরে অনর্গল লিখে যেতে পারবেন!

কিন্তু, কিন্তু,কিন্তু আপনার এখন মনে হতে পারে আমি আসলে কিভাবে বুজবো যে আমার আসলে কোন নিশ (Topic) নিয়ে লিখতে অনেক বেশি ভালো লাগে? হুম, মাথার চুল ছেঁড়ার দরকার নেই এই কঠিন প্রশ্নের খুব সহজ উত্তর আছে।

আপনি আপনার পছন্দের নিশ নির্বাচন করবার জন্য, যে কাজ টি করতে পারেন তাহা হচ্ছে প্রথমেই আপনি খাতা, কলম নিয়ে বসে পড়বেন এবং তারপর একের পর এক, সকল টপিক নিয়ে দু-চার তে করে আর্টিকেল লেখা শুরু করবেন!

এবার দেখবেন প্রথমে দু-একটা আর্টিকেল লিখতে আপনার খুব বেশি বেগ পেতে হবে না, কিন্তু তারপর থেকে সমস্যা শুরু হবে, কি, লিখবেন কিভাবে লিখবেন কিছুই বুজতে পারবেন না। না,না এখানে থেমে থাকলে চলবেনা আরও লেখে যেতে হবে, দেখবেন জোর করে লিখতে লিখতে একসময় বিরক্ত হয়ে পড়বেন।

আর ঠিক তখনই আপনি বুজতে পারবেন যে আপনার কি নিশ (Topic) নিয়ে কাজ করতে আপনি বেশি কম্ফোর্টেবল (Comfortable) ব্যাস নিশ নির্বাচন করা শেষ, এখন এর পরের স্টেপে যাওয়া যাক!

Select Perfect Domain Name ( পারফেক্ট ডোমাইন নেম নির্বাচন করতে হবে?

ব্লগ এর জন্য ডোমেইন নেম (Domain Name) নির্বাচন (Choose) করা কাজ টা মোটেও সহজ না। প্রচুর বেগ পেতে হয় একটি পারফেক্ট (Perfect) ডোমাইন নেম খুঁজে বের করতে। আর এখানেই ভুল টা আমরা অনেকেই করি থাকি, ভাই দেখুন আপনি মানুন বা না মানুন একটা সত্যি কথা কি – আপনার ডোমাইন নেমই হচ্ছে আপনার ব্র্যান্ড।

এখন আপনি চিন্তা করে দেখুন, আপনি কি যা ইচ্ছা তাই জগাখেচুরি মার্কা একটা ব্র্যান্ড তৈরি করতে চাইবেন নাকি একটি ভালো মানসম্মত ব্র্যান্ড তৈরি করতে চাইবেন? অবশ্যই ভালো মানসম্মত ব্র্যান্ড রাইট?

হুম, তাহলে আপনাকে আপনার ডোমেইন নেম (Domain Name) নির্বাচন করা নিয়ে প্রচুর রিসার্চ (Research) করতে হবে, এবং সব কিছু গুছিয়ে মিলিয়ে দেখতে হবে যে এই নাম টি আপনার ব্লগের জন্য আদর্শ কিনা।

ডোমেইন নেম নির্বাচন নিয়ে আমাদের মাঝে অনেকের মারাত্মক রকম বাজে ভুল ধারনা আছে – তার ভিত্তর উলেক্ষ হচ্ছে যদি কোন ভাবে একটি পুরাতন ডোমেইন নেম পাওয়া যায়, তারপর এমন একটা ডোমেইন নেম নির্বাচন করতে হবে যার (DA – Domain Authority) অনেক বেশি হবে। বা এমন একটি ডোমেইন নেম যা আগে থেকে অনেক পপুলার ও আগে ব্লগ বা এই টাইপ এর কিছু ছিল!

বাট ভাই, এই ভুল্টা আপনি প্লিজ করতে যাবেন না, এই একটা ভুলের জন্য আপনার ব্লগিং ক্যারিয়ার (Blogging Career) এক নিমিষেই উড়ে যেতে পারে – কিভাবে বলছি শুনুন।

আচ্ছা ধরে নিলাম আগে একটি ব্লগ বা যে কোন টাইপ (Type) এর ওয়েবসাইট (Website) ছিল এমন একটি ডোমেইন আপনি নেম পেয়ে গিছেন, এখন আপনি তো আছেন মশাই মহাআনন্দে। বাট (But) আপনার এই আনন্দ দীর্ঘজীবী নাও হতে পারে।

কারন আপনি যে ডোমেইন টা নির্বাচন করেছেন আপনার ব্লগের জন্য, হতে পারে সেই ডোমেইন টা গুগল (Google) ব্লক (Block) করে দেওয়া, বা ওই কাঙ্খিত ডোমেইন এর রেপুটেশন (Reputation) আগে থেকেই খারাপ আছে এবং এমন ও হতে পারে আগে যেহেতু এই ডোমেইন এর অধীনে একটি ব্লগ (Blog) ছিল তাই এই ডোমেইন এর উপর অধিক থেকে অধিকতরও কপিরাইট (DMCA) আছে।

সব মিলিয়ে পুরানো বা (Old Domain Name) নির্বাচন করবার পূর্বে অনেক কিছু ভেবে চিন্তে তারপর পদক্ষেপ নিন – আর তা না হলে ভবিষ্যতে (Future) আপনাকে এই টাইপ এর ডোমেইন নির্বাচন করার জন্য পস্তাতেও হতে পারে। ওয়েল – আপনি যদি একদম ঝামেলাহিন ভাবে একটি পারফেক্ট ডোমেইন নেম নির্বাচন করতে চান আপনার ব্লগের জন্য তাহলে এই আর্টিকেল টি পরে আসুন, আশা করছি আপনি বিস্তারিত বুঝে যাবেন যে কিভাবে আপনার ব্লগের জন্য একটি আদর্শ ডোমেইন নেম নির্বাচন করবেন।

Choose Better Bosting (বেটার হোস্টিং নির্বাচন করতে হবে)

হোস্টিং চুজ করা হতে পারে আরেক প্যাঁড়ার নাম! আর একটি ব্লগ ওয়েবসাইট (Blog/Website) দাড় করাতে সব থেকে যার মুক্ষম ভূমিকা তিনি হচ্ছেন হোস্টিং তাই জন্য সব সময় চেস্টা করতে হবে বেটার (Better) হোস্টিং নির্বাচন করার।

অনেকেই ভেবে থাকে সস্তায় হোস্টিং পেয়ে যাচ্ছি, আবার সাথে এতোগুলা ডিস্ক স্পেস (Disk Space) পাচ্ছি আর কি চাই! ভাই আরও অনেক কিছুই চাই, এসব লোক দেখানো ডিস্ক স্পেস দিয়ে কিচ্ছু হবে না। জেনে রাখুন আপনি যদি সস্তায় হোস্টিং নেওয়ার কথা চিন্তা করে থাকেন তাহলে আপনার ব্লগের সাথে কি কি হতে পারে!

  • ব্লগ ওয়েবসাইট ডাউন থাকা
  • অনেক বাজে ভাবে ওয়েবসাইট লোড নেওয়া
  • একটু বেশি ট্র্যাফিক (Traffic) হওয়ার সাথে সাথেই ওয়েবসাইট ডাউন হয়ে যাওয়া
  • বিভিন্ন লোকেশন থেকে ওয়েবসাইট লোড না হওয়া
  • আপনার ওয়েবসাইটে ভাইরাস Virus/ Malware আসার সম্ভাবনা

ভাই এরকম আরও সমস্যার মাঝে আপনাকে পড়তে হতে পারে যদি আপনি সস্তায় হোস্টিং কিনে ব্যবহার করতে চান। দেখুন আপনি যে পরিমান টাকা দিয়েই হোস্টিং কিনছেন না কেন সেটা তো টাঁকাই, আর তা ছাড়া আপনি দেখলেন আপনি সস্তায় এক যায়গা থেকে হোস্টিং নেওয়ার পর দিনে ২৪ ঘণ্টার মাঝে আপনার ওয়েবসাইট ৫ ঘন্টা (Down) ডাউন থাকছে।

তখন আপনার কেমন লাগবে বলুন, এ ছাড়া আরও একটা মারাত্মক বাজে দিক হচ্ছে আপনার ওয়েবসাইট অনেক ধিরে লোড হওয়া। হ্যাঁ আপনি প্রথম অবস্থায় দেখলেন হুম আপনার ওয়েবসাইট তো সুপার ফাস্ট (Super Fast) বাট কিছুদিন পরে গিয়ে দেখলেন আপনার ওয়েবসাইট কোন কারন ছাড়াই প্রচণ্ড ধিরে লোড নিচ্ছে।

হুম, এরকম টা হয়েই থাকেম কারন আপনি সস্তায় হোস্টিং নিচ্ছেন তার মানে আপনি শেয়ার হোস্টিং নিচ্ছেন। আর শেয়ার হোস্টিং মানে একটি সার্ভার আপনি সহ আরও কম করে ২০০/৩০০ মানুশ ব্যবহার করছে।

বাট (But) হ্যাঁ, শেয়ার হোস্টিং এর গল্প কিছুটা এমনই আপনি সহ আরও এমন অনেকে একই হোস্টিং ব্যবহার করবে এটাই স্বাভাবিক, কিন্তু ঐযে যারা আপনাকে প্রচুর সস্তায় হোস্টিং দিচ্ছে তারা প্রচুর ওভার সেলিং করে ফলে আপনার ওয়েবসাইট ডাউন ও ঘুমিয়ে যাওয়াটা খুবই স্বাভাবিক। তাই জন্য সব সময় চেস্টা করুন বেটার (Better) হোস্টিং এর সাথে যাওয়ার।

এখন প্রস্ন আসতে পারে প্রথম অবস্থায় শেয়ার হোস্টিং এর থেকে বেটার (Better) কি কোন ওয়ে (Way) আছে? হ্যাঁ আছে তবে সেটা শেয়ার হোস্টিং থেকে কিছুটা ভারি হতে পারে, আপনি ওয়ার্ডপ্রেস হোস্টিং (WordPress Hosting) দিয়ে শুরু করতে পারেন।

হোস্টিং কত প্রকার ও কি,কি এই বিষয়ের উপর আমার অন্য একটি আর্টিকেল আছে আপনি চাইলে পড়ে আসতে পারেন হোস্টিং কি, কত প্রকার ও হোস্টিং এর দাম?

আবার এখন অনেকে তো ফ্রী হোস্টিং দিয়েও শুরু করতে চায়, কি যায় আসে প্রথমে টাকা নষ্ট না করে ফ্রী হোস্টিং দিয়ে কাজ চালাই। কিন্তু আপনি যেনে রাখুন এই ফ্রী হোস্টিং ব্যবহার হতে পারে আপনার জন্য মারাত্মক এক বাজে অভিজ্ঞতার নাম।

এখন সব কিছুর শেষে বলতে চাই, আপনি প্রথম অবস্থায় শেয়ার হোস্টিং (Share Hosting) বা ওয়ার্ডপ্রেস হোস্টিং (WordPress Hosting) দিয়েই শুরু করুন, তবে খেয়াল রাখুন অতি সস্তায় হোস্টিং কিনতে গিয়ে আবার ধরা না খেয়ে যান।

খুব ভাল সুনাম আছে যেসব কম্পানির সেই সকল কম্পানির থেকে সম্বব হলে হোস্টিং কিনুন, তার ফলাফল টা অনেক ভালো পাবেন। আপনি Namecheap,Bluehost,Siteground এই সকল কম্পানি গুলা থেকে একদম নিশ্চিন্তে হোস্টিং কিনতে পারেন।

Choose a Blogging Platform (ব্লগিং শুরু করবার জন্য একটি প্লাটফ্রম নির্বাচন করুন)

এখন ব্লগিং কিন্তু শুধু ওয়ার্ডপ্রেস (WordPress) আর ব্লগার (Blogger) এর মাঝে সীমাবদ্ধ নেই আপনি চাইলে এখন অনেক টাইপ (Type) এর (CMS – Content Management System) ব্যবহার করে শুরু করে দিতে পারেন।

  • ওয়ার্ডপ্রেস (WordPress)
  • ব্লগার (Blogger)
  • ড্রুপাল (Drupal)
  • জুমলা (Joomla)
  • (Gatsby)
  • ইত্যাদি,ইত্যাদি

এর ভিতর সব থেকে পপুলার (CMS) হচ্ছে ওয়ার্ডপ্রেস (WordPress) ও ব্লগার ( Blogger) – আপনি যদি ব্লগার বা ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার না করতে চান তাহলে আপনি আপনার পছন্দের (CMS) ব্যবহার করে একটি ব্লগ/ ওয়েবসাইট (Blog/Website) তৈরি করে ফেলতে পারেন।

আর যদি আপনি এই সকল বিষয়ে অতটা এক্সপার্ট (Expart) না হয়ে থাকেন তাহলে আপনার জন্য বেষ্ট চয়েজ (Choose) হচ্ছে ওয়ার্ডপ্রেস (WordPress) ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করে যে কেউ অনায়াসে একটি প্রফেশনাল লেভেল এর ব্লগ তৈরি করে ফেলতে পারবে।

আচ্ছা, এখন আসি আপনি ব্লগিং করতে ইচ্ছুক কিন্তু আপনি ঠিক বুঝে উঠতে পারছেন না আপনার জন্য বেষ্ট প্লাটফ্রম কোনটি ওয়ার্ডপ্রেস নাকি ব্লগার (WordPress Vs Blogger) তাহলে ওয়ার্ডপ্রেস বনাম ব্লগার এই আর্টিকেল টি সম্পূর্ণ পড়ে আসুন। এবং তারপর সিধান্ত নিন।

এতো গেলো যারা কিছুটা টাকা পয়সা খরচ করে ব্লগিং করতে চায় তাদের বিষয়। ধরে নেওয়া যাক আপনি প্রাথমিক অবস্থায় চাচ্ছেন সম্পূর্ণ ফ্রী তে ( Totally Free Blog Create) একটি ব্লগ তৈরি করতে তাহলে আপনি কি করবেন?

ভাই, আপনার জন্য গুগল এর ফ্রী ব্লগিং প্লাটফ্রম ব্লগার তো আছে (Free Blogging Platform By Google Blogger) আপনি সম্পূর্ণ ফ্রীতে একটি প্রফেশনাল ব্লগ তৈরি করে ফেলতে পারবেন Blogger.com ব্যবহার করে।

তবে এখানে কিছু সর্ত আছে আপনি আপনার ইচ্ছা মত নাম নির্বাচন করতে পারবেন না, হ্যাঁ পারবেন তবে নামের পরে (Blogger) এর দেওয়া ফ্রী (Sub- Domain Name) ব্যবহার করতে হবে। উদাহরণ (Example) larnbd.blogspot.com ব্যাস এতোটুকুই।

আর হ্যাঁ, গুগল এর ফ্রী ব্লগিং প্লাটফ্রম (Blogger) ব্যবহার করে একটি ব্লগ তৈরি করা খুব খুব সহজ, আপনাকে (Blogger.com) গিয়ে আপনার ইমেল (Gmail) দিয়ে সাইন-আপ করে নিতে হবে, ব্যাস তারপর বাকি প্রসেস (Process) টা খুবই সহজ।

বাকিটা আপনি নিজে থেকেই সব টা করতে পারবেন; আর হ্যাঁ যদি আপনার কোথাও গিয়ে আকটে যায়, বা আপনার বুজতে সমস্যা হয় অবশ্যই আপনাকে কমেন্ট সেকশনে বলবেন আমি আপনার সমস্যার সমাধান দেওয়ার চেষ্টা করবো।

Creating a Work Plan (আপনার কাজের একটি পরিকল্পনা করুন)

এ পর্যন্ত কম বেশি সবাই পারে, একটি নিশ (Topic) নির্বাচন করতে হবে, সুন্দর একটি ডোমেইন নেম (Domain Name) নির্বাচন করতে হবে, ভাল হোস্টিং (Hosting) নির্বাচন করতে হবে, ইত্যাদি,ইত্যাদি।

কিন্তু আসলে মোড়াল ব্যাপার টা হচ্ছে, এই এখন থেকে আপনার ব্লগিং জার্নি শুরু (Blogging Journey) – তাই এখন থেকেই যদি পরিকল্পনা (Work Plan) না করেন তাহলে ভবিষ্যতে (In Future) আপনার ব্লগিং জার্নি থেমে যেতে পারে।

আচ্ছা আমি এখানে পরিকল্পনা বলতে ঠিক কি বুঝাতে চেয়েছি? দেখুন ব্লগিং মজার বিষয় নয় (Bloging Is not a Joke) যে আপনি ইচ্ছা করলেন ও সব কিছু হয়ে গেলে। আপনাকে সুন্দর ও গোছাল ভাবে পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করে যেতে হবে। তবেই আপনি ব্লগিং করে ভালো কিছু করতে সক্ষম হবেন।

এই যেমন অনেকে এটা ভেবে ব্লগিং শুরু করে দেয়, হুম আমার মাথায় তো এখন প্রচুর আইডিয়া (Bloging Idea) আছে এসকল আইডিয়া দিয়ে আমি কম করে ৫০ টা আর্টিকেল তো অবশ্যই লিখে ফেলতে পারবো।

হুম, ধরে নিলাম আপনি ৫০ এর অধিক আর্টিকেল লিখে ফেললেন, তারপর? হুম তারপর আর কি আইডিয়া খুঁজে (Finding Blogging Idea) খুঁজে বের করবো। এই দেখুন এখানেও ভুল চিন্তা ভাবনা – আপনি যদি আপনার মাথায় থাকা আইডিয়া (Idea) গুলির পাশাপাশি একটু রিসার্চ (Research) করতেন ও নতুন নতুন আইডিয়া নিজের আয়ত্তে করে রাখতেন।

তাহলে আপনার ৫০ টা আর্টিকেল কেন ৫০০০ আর্টিকেল লেখার পরে গিয়েও ব্লগিং করতে কোন সমস্যার সম্মুখীন হতে হত না! আসলে ব্লগিং করতে গিয়ে সব থেকে বড় যে সমস্যার সম্মুখীন আপনাকে হতে হবে তা হচ্ছে আপনার ব্লগের আর্টিকেল লেখা নিয়ে।

কয়েক দিন ভাল করে আর্টিকেল লেখার পর, ধিরে ধিরে এমন টা হতে শুরু করবে যে কি,লিখব কিভাবে লিখব কিছুই মাথায় আসবেনা। হুম, আমি এই কথা গুলি বলছি তার কারন এরকম সময় আমিও পার করে এসেছি।

এই জন্যই বলছি আপনি যদি আপনার ব্লগকে একটি সাকসেস ফুল ব্লগ (Successful Blog) তৈরি করতে চান – তাহলে অবশ্যই আপনাকে খুব ভালো করে আপনার কাজের একটি পরিকল্পনা করতে হবে তারপর আপনার পরিকল্পনার ধারাবাহিকতায় কাজ করে যেতে হবে।

তো সব মিলিয়ে এই ছিল আজকের আর্টিকেল। আজকের আর্টিকেল টি আপনার কাছে কেমন লেগেছে তা নিচে কমেন্ট সেকশনে যানাতে ভুলবেন না, এবং এই আর্টিকেল সম্পর্কে আপনার যদি কোন প্রস্ন বা উপদেশ থেকে থাকে তাহলে তা নির্দ্বিধায় যানাতে পারেন।

হ্যাপি লার্নিং ❤❤

আকাশ গোলদার
আপনিও কি আমার মত টেক পোকা? আপনারও কি নতুন নতুন টেকনোলজি বিষয়ে জানতে ভালো লাগে? তাহলে বন্ধু আপনি একদম সঠিক জায়গাতে এসেছেন, কেননা আমি এখানে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন টেক বিষয় গুলি নিয়ে আলোচনা করি, এবং টেকনোলজির জটিল টার্ম গুলিকে আপনাদের সামনে জলের মত সহজ করে উপস্থাপন করার চেষ্টা করি।