বর্তমান তারিখ:August 12, 2020

আপনি একটি বিষয়ে অনেক দক্ষ,কিভাবে সেই বিষয়ে একটি ব্লগ তৈরি করবেন?

আপনি-একটি-বিষয়ে-অনেক-দক্ষকিভাবে-সেই-বিষয়ে-একটি-ব্লগ-তৈরি-করবেন

আপনি একটি বিষয়ে অনেক দক্ষ,এখন আপনি চাচ্ছেন আপনার দক্ষ বিষয়ের উপর একটি ব্লগ তৈরি করতে।

সে যে পারপাসেই হোক না কেন,হোক সেটা টাকা ইনকাম করার জন্য কিংবা শিখানর জন্য, বা আপনার দক্ষতা সবার মাঝে শেয়ার করার জন্য? কিন্তু আপনি বুজতে পারছেন না, ঠিক কিভাবে শুরু করবেন?

ওয়েল তাহলে আজকের এই আর্টিকেল টি আপনার জন্য,আজ এই আর্টিকেলে আমি আপনার সাথে শেয়ার করব “আপনি যে বিষয়ে অনেক দক্ষ সেই বিষয়ের উপর কি করে একটি ব্লগ তৈরি করবেন!

তাহলে চলুন এখানে বেশি কথা না বাড়িয়ে মেইন আর্টিকেলর দিকে মুভ করা যাক…

আপনি কোন বিষয়ে অনেক দক্ষ?

আপনি কোন বিষয়ে অনেক দক্ষ এটা জানা অতান্ত জরুরী, কেননা আপনি যে বিষয়ের উপর দক্ষ তার উপর ডিপেন্ড করছে আপনি ব্লগিং করতে পারবেন কি না তার উপর।

ওয়েল একটু পরিস্কার করে বুঝিয়ে বলি, ধরুন আপনার ট্রাভেল করতে অনেক বেশি ভাল লাগে বা আপনার মেকাপ করতে বা সাজু,গুজু করতে অনেক বেশি ভাল লাগে, বা বলা চলে এই সব বিষয়ে আপনি অনেক পটু, বা দক্ষ!

আপনার যদি ট্রাভেল করতে ভালো লাগে তাহলে আপনি আরামসে ব্লগিং শুরু করে দিতে পারেন, কিভাবে শুরু করবেন সে বিষয়ে একটু পরে আসছি।

তার আগে বলে রাখি আপনার যদি মেকাপ বা সাজু,গুজু করতে অনেক এক্সপার্ট হয়ে থাকেন তাহলে আমি রিকমেন্ড করব আপনি ইয়উটুবিং করুন, কারন আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে আপনি এই টাইপ এর ব্লগ করে সফল হতে পারবেন না।

তবে হ্যাঁ, আপনি চাইলেই করতে পারেন,আপনি নতুনত্বের ছোঁয়া নিয়ে আসতে পারেন, কিন্তু প্রাথমিক ভাবে সফল হবার সম্ভাবনা অনেক অংশেই কম থাকবে।

তবে যদি আপনার ক্যামেরার সামনে কথা বলতে লজ্জা লাগে, বা আপনি মুখে বলা থেকেও লিখে বুঝাতে অনেক বেশি কম্ফটেবল হয়ে থাকেন,তাহলে ডেফিনেটলি আপনি ব্লগিং ফিল্ডে আসতে পারেন।

এছাড়াও আরও এরকম অনেক টপিক আছে যে সকল টপিকে এর উপর ব্লগ না করে ইউটিউব একটি চ্যানেল খুলে ভিডিও বানানই শ্রেয় হতে পারে।

তবে আপনার যদি নিজের উপর অধাত বিশ্বাস থাকে যে আপনি ভিডিও থেকে ভালো লিখে বুঝাতে বা বলতে পারবেন তাহলে পৃথিবীর বুকে সব বিষয়ের উপরই ব্লগিং করা সম্ভব।

আচ্ছা কিভাবে শুরু করবেন?

শুরু করার পূর্বেই আপনাকে অনেক খাটাখাটি করতে হবে, অর্থাৎ আপনাকে অনেক রিসার্চ করতে হবে।

এবং আপনাকে আপনার প্রতিদ্বন্দ্বী কাউকে খুজতে হবে, প্রথম দিকে তার উপর কিছু দিন নজর দারি করতে হবে, সে কিভাবে লিখছে কিভাবে বুঝাচ্ছে।

মোটামুটি অর্থে আপনার প্রতিদ্বন্দ্বীর সব কিছুর উপর আপনার নজর দারি করতে হবে,এবং সব টা বুজতে হবে।

এছাড়াও প্রতিদ্বন্দ্বী খুজে বের করার পর নিজেকে তার সাথে টক্কর দেওয়ার জন্য প্রস্তুত করতে হবে, এবং নিজের বেস্ট দেওয়ার চেস্টা করতে হবে।

তবে এটা খেয়াল করতে হবে, আপনি যেন হুবহু আপনার কম্পিটরের সব কিছু নজর দারি করতে গিয়ে আপনার কম্পিটরের সব কিছু কপি করে না বসেন।

আপনাকে আপনার কাজের নিজস্বতা রাখতে হবে,আপনি হতে পারেন আপনার নিজের কাজের উপর অনেক বেশি দক্ষ, কিন্তু সেই দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে ব্লগিয়ে রুপান্তিরত করাটা ওতোটাও সহজ না।

নিজেকে তৈরি করুন

আপনি যে বিষয়ে দক্ষ সেই বিষয়ে রিসার্চ করার পরে আপনার কম্পিটিটরের সব কিছু ভালো করে এনালাইস করুন দেখুন,বুঝুন,শিখুন।

আপনি আপনার কম্পিটরকে ভালো করে এনালাইস করার পরেই কিন্তু ব্লগ তৈরি করার কথা ভাববেন না,কিছু দিন সময় নিন এবং আপনি নিজের মত করে আর্টিকেল লেখার চেষ্টা করুন।

অর্থাৎ আপনার দক্ষ বিষয়ে আর্টিকেল লেখার চেষ্টা করুন, এবং আর্টিকেল লেখার মাঝে নিজের দক্ষতা উজাড় করে দিন, এবং এভাবেই কিছু দিন লিখতে থাকুন আর দেখুন আপনার লেখা আর্টিকেল আপনার কাছে কেমন লাগছে।

আপনার আর্টিকেলে যদি কিছুর কমতি মনে হয় তাহলে সেই কমটির জায়গাটা খুজে বের করুন, এবং যেখানে কমতি আছে সেই জায়গাটা ঠিক করার চেষ্টা করুন।

একটা সময় দেখবেন নিজে থেকেই সব টা বুজতে পারবেন আপনার কিভাবে, কি করে আর্টিকেল লিখতে হবে, বা কিভাবে বেশি ভালো করে বুঝিয়ে আর্টিকেল লিখতে হয়।

আর যখনই আপনি এই বিষয় গুলি বুজতে পারবেন, তখনই বুজবেন যে আপনি এখন ব্লগিং করার জন্য সম্পূর্ণ ভাবে তৈরি হয়ে গিয়েছেন।

এবং তারপর আপনি একটি ব্লগ তৈরি করে ব্লগিং শুরু করে দিতে পারেন।

কিভাবে একটি ব্লগ তৈরি করবেন?

এখন আপনি যদি একদম ফ্রীতেই সব কিছু করতে চান তাহলে গুগল এর ফ্রী প্লাটফ্রম ব্লগার ব্যবহার করে একটি ফ্রী ব্লগ তৈরি করে ফেলতে পারবেন এবং ব্লগিং শুরু করে দিতে পারবেন।

আর যদি আপনি চান ওয়ার্ডপ্রেসে একটি ব্লগ তৈরি করবেন তাহলে তাও করতে পারেন, তবে ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করে একটি ব্লগ ওয়েবসাইট তৈরি করতে আপনাকে কিছু টাকা খরচ করতে হবে।

আমাদের কিছু কথা

এই আর্টিকেলর সমস্ত কথা এবং সব কিছু আমি আমার নিজের এক্সপিরিয়ান্স থেকে আপনার সাথে শেয়ার করেছি, পাস্টে আমিও অনেক ভুল করেছি, সঠিক একটি গাইডেন্স এর অভাবে,আমি চাইনা আপনিও আমার মত ভুল করুন এবং পিছিয়ে পড়ুন।

এবং এই জন্যই আপনারদের সাথে এই আর্টিকেল টি শেয়ার করা, এতোখন সাথে থাকার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ, ভালো থাকবেন টা,টা ❤❤

ইমেজ ক্রেডিট; Hunters Race  Via Unsplash

আপনিও কি আমার মত টেক পোকা? আপনারও কি নতুন নতুন টেকনোলজি বিষয়ে জানতে ভালো লাগে? তাহলে বন্ধু আপনি একদম সঠিক জায়গাতে এসেছেন, কেননা আমি এখানে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন টেক বিষয় গুলি নিয়ে আলোচনা করি, এবং টেকনোলজির জটিল টার্ম গুলিকে আপনাদের সামনে জলের মত সহজ করে উপস্থাপন করার চেষ্টা করি।

2 Comments

    1. আকাশ গোলদার Post author Reply

      ওয়েল ব্রো, আমি আপনার ওয়েবসাইট চেক করে দেখলাম – আপনার ওয়েবসাইট বেশ অনেক টাই স্লো, আপনার ওয়েবসাইটের লোডিং স্পীড যদি এরকম স্লো থাকে তাহলে আপনার ওয়েবসাইটের ভিসিটর আপনার ব্লগ কখনই পছন্দ করবে না! এখন আপনার প্রস্নের উত্তর দিচ্ছি, দেখুন ব্রাদার আপনাকে প্রথমেই আপনার ওয়েবসাইটের জন্য লাইট-ওয়েট থিমস ব্যবহার করতে হবে। আই থিংক আপনি “Pixwell” থিমস টি ইউজ করছেন আপনার ওয়েবসাইটের জন্য। আপনি যদি “CDN + VPS” হোস্টিং ব্যবহার করেন তাহলে এই টাইপ এর থিমস এর সাথে আপনি নির্দ্বিধায় যেতে পারেন, কিন্তু আপনি যদি শেয়ার হোস্টিং বা ওয়ার্ডপ্রেস হোস্টিং এর সাথে গিয়ে ওয়েবসাইট তৈরি করে থাকেন, তাহলে আপনাকে প্রথমেই এই টাইপ এর থিমস গুলা ব্যবহার করা বন্ধ করতে হবে, আপনি ওয়ার্ডপ্রেস ডিরেক্টরি থেকে যে কোন একটা লাইট-ওয়েট থিমস ব্যবহার করতে পারেন। এছাড়াও ব্রাদার আরও অনেক গল্প আছে ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইট সুপার ফাস্ট করে তোলার পিছে, আপনি আমাদের এই আর্টিকেল টি পড়ে আসতে পারেন, আশা করি উপক্রিত হবেন! ❤❤ ওয়েবসাইট স্পীড অপ্টিমাইজেশন — কিভাবে ওয়েবসাইট এর স্পীড বৃদ্ধি করবেন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *