ওয়েবসাইট তৈরি করার পূর্বে যে বিষয়গুলো মাথায় রাখবেন!

ওয়েবসাইট তৈরি

বর্তমানে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করে টাকা ইনকাম করা, বা নিজের জন্য একটি পার্সোনাল ওয়েবসাইট তৈরি করে নেওয়াটা খুব সাধারন একটি বিষয় হয়ে দাড়িয়েছে।

তবে ঠিক কজনই সঠিক ভাবে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারে, তা আপনার জানা আছে কি?

সহজ ভাবে বললে, এখন একটি ওয়েবসাইট তৈরি করে নেওয়াটা খুবই সহজ ব্যাপার। চাইলেই যে কেউ খুব সহজে কিছু সময়ের মধ্যই একটি পরিপূর্ণ ওয়েবসাইট বানিয়ে নিতে পারে।

বাট,বাট,বাট সব কিছুই এতো সহজ নয়। ওয়েবসাইট তো অনেক সহজেই তৈরি করে নেওয়া সম্ভব। তবে ওয়েবসাইট তৈরি করে নেওয়ার পড়ে দেখা যায় সমস্যার শেষ নেই।

কিন্তু কেন? কারণ এর পিছনে অনেক বড় ব্যাখ্যা রয়েছে।

এবং হ্যাঁ, আজকের আর্টিকেলে আপনার সাথে সেই ব্যাখ্যা তুলে ধরব।

আরও পড়ুনঃ-

ও আপনাকে খুব সহজ করে বুঝিয়ে বলবার চেষ্টা করব একটি ওয়েবসাইট তৈরি করবার পূর্বে ঠিক কি,কি বিসয় মাথায় রেখে ওয়েবসাইট তৈরি করবেন।

এবং তার ফলে আপনি খুবই সহজে ঝামেলা হিন ভাবে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করে নিতে পারবেন।

ওয়েবসাইট তৈরি করবার আগে যে ব্যাপার গুলো মাথায় রাখবেন?

আমার পরিচিত এমন অনেকেই আছে, তারা খুব অল্প কিছু খরচ করেই একটি হাই-প্রফেশনাল ওয়েবসাইট তৈরি করতে চায়। যা শুনতেই প্রচণ্ড হাস্যকর।

একটি ওয়েবসাইট রান করতে চাইলে আপনাকে অনেক বিষয়ের উপর নজর রাখতে হবে। এক কথায় মাল্টি-টাস্কিং করতে হবে।

কেবল একটি ওয়েবসাইট তৈরি করে ছেড়ে দিলেন, এমন করলে সমস্যার শেষ থাকবেনা।

একটি ওয়েবসাইট ম্যানেজ করাটাও কিন্তু খুবই ঝামেলার কাজ। তাই জন্য শুরু থেকেই সব কিছু বিশেষ ভাবে খেয়াল রেখে তারপর শুরু করতে হবে।

তবে চলুন এখন মুল প্রসঙ্গে যাওয়া যাক, ও জেনে নেওয়া যাক সবটা।

আপনার রিকয়েরমেন্ট কি?

শুরুতেই আপনাকে বুজতে হবে, আপনার চাহিদা কি? অর্থাৎ আপনি কি জন্য ওয়েবসাইট তৈরি করতে চাচ্ছেন।

সহজ ভাবে বললে আপনি ওয়েবসাইট ঠিক যেমন কাজের জন্য তৈরি করতে চাচ্ছেন আপনাকে ঠিক তেমন ভাবেই আগাতে হবে।

উদাহরন দিয়ে বলছিঃ- অনেকেই এমন আছে, তাদের ধারনা খুব অল্প টাকায় একটি প্রফেশনাল লেভেল এর ওয়েবসাইট তৈরি করে নেওয়া যেতে পারে।

ওয়েবসাইট রান করতে খুব বেশি খরচ হয়না। সত্য কথা বলতে কি, এটা দুনিয়ার সব থেকে বড় ভুল ও মিথ্যা কথা।

যদি আপনি একটি ওয়েবসাইট কেই নিজের রুজি,রুটি চিন্তা করতে চান। তবে খুব অল্প টাকায় ওয়েবসাইট তৈরি করা যায় এই চিন্তা ধাঁরা এখনই দূর করে নিন।

কেননা খুব অল্প টাকায় ওয়েবসাইট বানিয়ে হয়তবা নিতে পারবেন। বাট তারপর আপনি যত যত সমস্যার মাঝে পড়বেন তার কোন শেষ থাকবেনা।

তাই জন্য ওয়েবসাইট তৈরি করবার পূর্বে আপনার রিকয়েরমেন্ট ঠিক কি এটা বুঝে তারপর শুরু করতে হবে।

ডোমেইন সম্পর্কিত কিছু বিষয়

হুম, খুব ছোট করে ডোমেইন নেম খুঁজতে হবে। এমন নাম হলেই চলবে যার কোন মানেই বাস্তবিক অর্থে নেই।

জাস্ট খুবই ছোট নাম বেছে নিতে হবে।

ওয়েল, এসব ভুল ব্রিন্তির মাঝে কখনই পড়তে যাবেন না। আপনার ব্রান্ডিং ও আপনার পরিচিত সব কিছুই কিন্তু নির্ভর করছে আপনার ওয়েবসাইটের ডোমেইন নেম এর উপর।

মনে করুন আপনার ওয়েবসাইট ফুড রিলেটেড। এবার আপনি আপনার ওয়েবসাইটের নাম এমন কিছু ঠিক করলেন যা আপনার ওয়েবসাইটের সাথে নেওয়া যায়না।

যদি গল্প এমন হয়, তবে বুজতেই পারছেন বিষয় টা কতখানি বাজে হয়ে উঠতে পারে।

তাই জন্য ডোমেইন নির্বাচন করবার সময় শুধু এটা মাথায় রাখবেন না। খুব করে ছোট নাম খুঁজতে হবে।

চেষ্টা করবেন, এমন কিছু খুঁজে বের করবার যার সাথে আপনার ওয়েবসাইটের টপিক মানিয়ে নেওয়া যায়।

তবে হ্যাঁ, ছোট করে ডোমেইন নেম রাখাটা কিন্তু কোন ভুল কিছু নয়। তবে তাই জন্য উদ্ভট কিছু নয়।

হোস্টিং অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়

শুরুতেই অনেকের খুব বেশি বাজেট থাকেনা ওয়েবসাইট তৈরি করবার জন্য। তবে এই একটি বিষয় হোস্টিং এখানে আপনাকে অনেক কিছু মাথায় রাখতে হবে।

যদি আপনি খুব সস্তায় হোস্টিং খুঁজছেন ও ভাবছেন এতেই নিজের সব কিছু সুন্দর করে চালিয়ে নিতে পারবেন, তবে কিছুদিন পর তা আপনার মাথা ব্যথার কারণ হয়ে দাড়াতে পারে।

কেননা অল্প ডামে নেওয়া হোস্টিং দিয়ে যখন ওয়েবসাইট তৈরি করবেন। কিছুদিন পর থেকেই সমস্যার শুরু হয়ে যাবে।

উলেক্ষঃ- ওয়েবসাইট ডাউন থাকবে, খুব বেশি লোড নিতে পারবেনা, ওয়েবসাইট ক্রাশ করবে, বেশি ভিসিটর হান্ডেল করতে পারবেনা, এমন আরও অনেক সমস্যার মাঝে পড়তে হবে।

এখন আপনি আপনাকে প্রশ্ন করতে বলতে পারেন, ভাই আমার তো বাজেট কম। সেক্ষেত্রে আমি কি করতে পারি।

সহজ উত্তর, যদি আপনার বাজেট কম থাকে তবে কিছুদিন অপেক্ষা করুন। এবং তারপর ঠিক ভাবে বাজেট করে নিয়ার পর হোস্টিং কিনুন।

অন্যথায় অল্প ডামে হোস্টিং নেওয়ার পর তখন আর কিছুই করবার থাকবেনা।

এছাড়াও মাথায় রাখার বিষয় হচ্ছে। কোন বিশ্বত যায়গা থেকে হোস্টিং কিনবার চেষ্টা করুন।

ফলে, আপনি অনেক সুধিদা পাবেন।

যেমনঃ- সার্ভার রিলেটেড যে কোন সমস্যায় পড়লে তাৎক্ষণিক ভাবে সাহায্য পাবেন।

তো এই সব কিছুর জন্য, হোস্টিং নেওয়ার পূর্বে ঠিক ভাবে এই বিষয় গুলি মাথায় রাখতে হবে ও তারপর হোস্টিং নির্বাচন করতে হবে।

সঠিক ভাবে ওয়ার্ডপ্রেস ইন্সটলেশন

যদিও এখানে এ বিষয় টা না রাখলেও পারতাম। তবে অনেকেই এমন আছে তাদের কোন ধারনাই নেই কিভাবে সঠিক নিয়মে ওয়ার্ডপ্রেস ইন্সটাল করতে হয়।

যদি আপনিও এই বিষয়ে তেমন পারদর্শী না হয়ে থাকেন। তবে ডোমেইন হোস্টিং নেওয়ার পর আপনার প্রথম কাজ হবে।

ওয়ার্ডপ্রেস কি, ও কিভাবে কাজ করে তা সম্পর্কে বেসিক ধারনা অর্জন করে নেওয়া।

আপনি একটু ইউটিউব বা গুগল করলে ওয়ার্ডপ্রেস কি, তা সম্পর্কে বিস্তারিত সব কিছু পেয়ে যাবেন।

এবং যদি আপনি ওয়ার্ডপ্রেস কি ও কিভাবে কাজ করে সব কিছু বিস্তারিত ও সহজ ভাবে জানতে ইচ্ছুক তবে তা নিচে কমেন্ট সেকশনে আমাকে জানাতে পারেন।

এখানে আর একটু কথা সঠিক ভাবে ওয়ার্ডপ্রেস ইন্সটাল না করতে পারলে, আপনাকে বেশ কিছু সমস্যার মাঝে পড়তে হবে পারে। যদিও এটা খুব একটা কঠিন কিছু নয়।

আপনি চাইলে আপনার হোস্টিং প্রভাইদের কে নক দিয়ে ওয়ার্ডপ্রেস ইন্সটাল করে নিতে পারছেন।

তবে আমার মতে তা না করাই ভাল। নিজে শিখে তারপর করুন। তবে আরও সহজ ভাবে সব টা বুঝে তারপর শুরু করতে পারবেন।

থিম নির্বাচন নিয়ে বিস্তারিত

থিম নির্বাচন নিয়ে নতুন দের মাঝে এতো এতো ভুল ধারনা আছে তা বলে শেষ করবার নয়।

তবে আপনাকে জানিয়ে রাখি, থিম নির্বাচন নিয়ে প্রথম অবস্থায় খুব বেশি কষ্ট না করাটাই বেটার।

যদি আপনার কোন স্পেসিফিক টপিক হয়ে থাকে, যার জন্য অবশ্যই থিম মেটার করে তবে তখন আপনি থিম নির্বাচন নিয়ে একটু বেশি রিসার্চ করতে পারেন।

এবং সর্বদা চেষ্টা করুন, এমন থিম ব্যবহার করবার যা মাল্টি পারপাসে ব্যাবহারের জন্য তৈরি নয়।

অর্থাৎ আপনার যেমন চাহিদা শুধু সেই অনুযায়ী থিম ব্যবহার করবার চেষ্টা করুন।

এতে করে আপনার দুদিক থেকে লাভ হবে। প্রথমঃ- ফ্রিতে অনেক ভাল ভাল থিম পেয়ে যাবেন। দ্বিত্বয়ঃ- আপনার ওয়েবসাইট স্লো হয়ে যাওয়া থেকে সুরক্ষিত থাকবেন।

জেনে রাখুন, ওয়েবসাইটের থিম কিন্তু অনেক বড় ভুমিকা পালন করে একটি ওয়েবসাইট রান করতে। যদি আপনি এমন থিম ব্বাওহার করছেন যা প্রচণ্ড ভারি ও অধিক স্লো লোড হয়ে থাকে।

তবে আপনাকে প্রচুর সমস্যার মাঝে পড়তে হবে।

তাই জন্য, ওয়েবসাইট তৈরি করে নেওয়ার পর থিম নির্বাচনে বিশেষ ভাবে নজর রাখুন।

প্লাগিন ব্যবহার সম্পর্কিত বিষয়

অধিক ফিচার যুক্ত করবার চক্করে খুব বেশি প্লাগিন ব্যবহার করবেন না। এটা আপনাকে শুরুতেই বুজতে হবে আপনার আসলে চাহিদা কি?

যদি আপনার চাহিদা অধিক হয়ে থাকে। তবে তার জন্য আপনাকে এমন থিম বা প্লাগিন খুঁজে নিতে হবে যার মাঝে আপনি এখের মাঝেই সব কিছু পেতে পারবেন।

এবং সেক্ষেত্রে আপনাকে থিম বা প্লাগিন এর জন্য হয়তবা টাকা খরচ করতে হতে পারে। কেননা ফ্রি বিষয় গুলোতে এতো এতো কিছু আশা করা ভুল হবে।

মনে রাখবেন, অধিক প্লাগিন ব্যবহার করা আপনার ওয়েবসাইটের স্বাস্থ্যর জন্য ভাল নয়। এতে আপনার ওয়েবসাইট স্লো হয়ে যেতে পারে।

ও আরও অনেক সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে।

এবং প্লাগিন বাবহারে আরও কিছু বিষয় মাথায় রাখবেন। অনেক পুরান বা যা বিগত কিছু মাস থেকে আপডেট হয়নি এমন প্লাগিন ব্যবহার করবেন না।

এতে আপনার ওয়েবসাইট হ্যাক হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকতে পারে।

CDN ব্যবহার সম্পর্কিত বিস্তারিত

ওয়েবসাইট তৈরি করে নেওয়ার পূর্বে আপনার অবশ্যই সিডিএন সম্পর্কে কিছুটা ধারনা অবশ্যই রাখা উচিৎ।

সিডিএন ব্যবহার করে ওয়েবসাইটের নিরাপত্তা কয়েক গুন বেশি ব্রিধি করে নেওয়া যেতে পারে। সাথে ওয়েবসাইটের স্পীড ও ব্রিধি করে নেওয়া যেতে পারে।

এবং সিডিএন ব্যাবহারের ফলে আপনার ওয়েবসাইটের সার্ভারের লোড কিছুটা কমিয়ে রাখার সম্ভব। যা আপনার ওয়েবসাইটে আরও বেশি ভিসিটর হান্ডেল করতে সাহায্য করবে।

এই সকল বিষয় আপনি ফ্রিতেই করে নিতে পারবেন, cloudflare free cdn ব্যবহার করে।

এ ছাড়াও আপনার ওয়েবসাইটের ইমেজ, জাভাস্ক্রিপ্ট, সিএসএস সহ অনন্যা ফাইল সিডিএন ব্যবহার করে সার্ভ করাতে পারবেন।

তাই জন্য সিডিএন কি ও কিভাবে কাজ করে তা সম্পর্কে আগে জেনে রাখাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

তবে হ্যাঁ সিডিএন কিন্তু ফ্রি নয়, তার জন্য আপনাকে বেশ ভাল টাকাই দিতে হবে।

কিন্তু আপনার চিন্তিত হবার কারণ নেই, আপনার যদি বাজেট না থাকে তবে আপনি ফ্রি সিডিএন ব্যবহার করতে পারেন।

আপনি jetpack এই প্লাগিন ব্যাবহারের মাধ্যমে আনলিমিটেড ফ্রি সিডিএন ব্যবহার করতে পারবেন।

ওয়েবসাইট ম্যানেজমেন্ট

ওয়েবসাইট তৈরি করবার পূর্বে, তার আগে আপনাকে ওয়েবসাইট ম্যানেজমেন্ট সম্পর্কে পর্যাপ্ত জ্ঞান রাখতে হবে।

অন্যথায় প্রচুর সমস্যার মাঝে পড়তে হবে। যা অনেক সময় প্রচুর কষ্ট দায়ক হয়ে উঠতে পারে।

আপনাকে ওয়েবসাইটের সার্ভার রিলেটেড বেসিক বিষয় গুলো আয়ত্ত করতে হবে। যেমন cpanel কি, কিভাবে কাজ করে।

php কি? কিভাবে php ভার্সন আপগ্রেট করতে হয়। ইত্যাদি ইত্যাদি বিষয় গুলো সম্পর্কে জ্ঞান রাখাটা অত্তাধিক জরুরি।

তা ছাড়া আপনি যখন নতুন ওয়েবসাইট তৈরি করবেন। তখন প্রতিদিন কিছু না কিছু সমস্যার মাঝে আপনাকে পড়তে হবে পারে।

এবং তার জন্য নিজেকে প্রস্তুত রাখতে হবে। যার জন্য ওয়েবসাইট ম্যানেজমেন্ট সম্পর্কিত কিছু ধারনা রাখাটা অধিক বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

শুনুন একটি ওয়েবসাইট তৈরি করে নেওয়াটা খুব কঠিন কিছু নয়। তবে একটি ওয়েবসাইট ঠিক ভাবে লাইভ রাখাটা বেশ কিছুটা কঠিন।

এবং যদি আপনি ওয়েবসাইট ম্যানেজমেন্ট সম্পর্কে বিশেষ ভাবে জ্ঞান রাখেন। তখন ওয়েবসাইট লাইভ রাখতে খুব বেশি বেগ পেতে হবে না আপনাকে।

ওয়েবসাইট অপ্টিমাইজেশন

ওয়েবসাইট তৈরি করে সব কিছু গুছিয়ে নেওয়ার পর আপনার প্রথম কাজ হচ্ছে ওয়েবসাইট সঠিক ভাবে অপ্টীমাইজেশন করে নেওয়ার।

বাট যদি আপনি কিভাবে ওয়েবসাইট অপ্টিমাইজ করতে হয়। তা সম্পর্কে না জেনে থাকুন। তবে আপনাকে কিছু সমস্যার মাঝে পড়তে হবে।

উলেক্ষঃ- স্লো লোডিং ওয়েবসাইট

যা বর্তমানে কেউই পছন্দ করে না। অর্থাৎ স্লো লোডিং ওয়েবসাইট গুগল কিংবা আপনার ভিসিটর কেউই পছন্দ করে না।

তা ছাড়া এখন ওয়েবসাইট লোডিং স্পীড এখন র‍্যাংকিং ফাক্টর।

তো বুজতেই পারছেন, যদি আপনি গুগল থেকে অরগানিক ভিসিটর পেতে চান বা গুগল নিজের ওয়েবসাইট র‍্যাংক করিয়ে নিতে চান। তবে ঠিক ভাবে ওয়েবসাইট অপ্টীমাইজ করে নেওয়াটা খুবই জরুরি।

এবং আপনার ওয়েবসাইট জততা ভাল করে অপ্টিমাইজ করতে পারবেন ঠিক ততটাই ইউজার এক্সপ্রিয়ান্স ভাল হবে।

যার জন্য সব কিছু মিলিয়ে ওয়েবসাইট অপ্টীমাইজ সম্পর্কে বিশেষ জ্ঞান রাখাটা খুব বেশি জরুরি।

মাল্টি-টাস্কিং অভিজ্ঞতা

উপরের এট কিছু থেকে নিশ্চয়ই বুজতে পারছেন, শুধু একটি ওয়েবসাইট তৈরি করে ফেল্লেই সব গল্প শেষ নয়।

আপনাকে প্রচণ্ড মাল্টি-টাস্কিং করতে হবে। অর্থাৎ একটি ওয়েবসাইট সঠিক ভাবে রান করতে চাইলে এই সকল বিষয় গুলো মাথায় রেখে তারপরই তা করতে পারবেন।

হ্যাঁ, এসব এক দিনেই করে নেওয়া সম্ভব নয়। সময় লাগবে ধিরে ধিরে সব কিছু করতে হবে।

মনে রাখবেন একটি ওয়েবসাইট তৈরি করে নেওয়ার পর, আপনাকে অনেক কিছু করতে হবে। এবং অনেক কিছু সম্পর্কে বিশেষ জ্ঞান রাখতে হবে।

অন্যথায় প্রতিনিয়ত সমস্যার মাঝে পড়তে থাকবেন।

এর জন্যই ওয়েবসাইট তৈরি করবার পূর্বে এসকল মাল্টি-টাস্কিং করবার বিষয় গুলিতে নজর দিয়ে তারপর ওয়েবসাইট তৈরির চিন্তা করুন।

মূল বিষয়বস্তু,,

ওয়েবসাইট তৈরি করে নেওয়ার পর, অনেক সময় অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়।

তবে যদি ওয়েবসাইট তৈরি করবার পূর্বে এই বিষয়গুলোতে ঠিক ভাবে নজর রেখে তারপর শুরু করা যায়।

তাহলে এসকল সমস্যা থেকে নিজের ওয়েবসাইট অতি সহজেই সুরক্ষিত রাখা যেতে পারে।

এবং আমরা মনে করি, যদি আপনি একটি ওয়েবসাইট তৈরি করতে চাচ্ছেন বা তৈরি করে নিয়েছেন। তবে অবশ্যই অবশ্যই আপনার এই সকল বিষয়গুলি সম্পর্কে বিশেষ নজর রাখা খুবই জরুরি।

তো, সব কিছু মিলিয়ে এই ছিল আজকের আর্টিকেল।

এই আর্টিকেল সম্পর্কিত কোন প্রশ্ন বা মতামত থাকলে নিচে কমেন্ট সেকশনে তা জানাতে ভুলবেন না।

ধন্যবাদ, বাই,বাই।

Hi, i'm Akash Golder, Author & founder of "LarnBD", A blog that provides authentic information regarding technology, blogging, SEO, online earn money, how to guide & much more.

4 thoughts on “ওয়েবসাইট তৈরি করার পূর্বে যে বিষয়গুলো মাথায় রাখবেন!”

  1. খুবই দরকারি একটি আর্টিকেল শেয়ার করার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ

    Reply
    • আপনাকেও অনেক গুলো ধন্যবাদ আপনার মূল্যবান মতামত জানানোর জন্য।

      Reply
    • আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ, আমাকে কমেন্ট করে উৎসাহিত করবার জন্য। অনুগ্রহ করে আমাদের সাথেই থাকবেন।

      Reply

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *