উইন্ডোজ ১০ স্পীড অপ্টিমাইজেশন – উইন্ডোজ ১০ স্পীড বাড়িয়ে তোলার কিলার ফর্মুলা!

যদিও উইন্ডোজ ১০ বর্তমানে আগের মত অতোটাও বাজে পারফর্ম করে না – রাইট নাও উইন্ডোজ ১০ এ বিশাল এক পরিবর্তনের দেখা মিলেছে, বাট হে ব্রাদার – আপনি যদি আপনার লো ইন্ড সিস্টেমে লেটেস্ট উইন্ডোজ ১০ ব্যবহার করে থাকেন, তাহলে আমার থেকে বিষয় টা আপনি খুব ভাল করেই জানেন, যে উইন্ডোজ ১০ লো ইন্ড সিস্টেম এর জন্য এখন কততা ভারি!

ওয়েল, ভারি বিষয় গুলিকে সাইডে রেখে – এখন কথা বলা যাক লো ইন্ড সিস্টেমে উইন্ডোজ ব্যবহার করা ও স্পীড বুস্ট করার বিষয়ে! এটা কি আদেও পসেবল? হুম, কিছুটা ভেবেই উত্তর দিচ্ছি হ্যাঁ পসেবল।

তার আগে আপনাকে ছোট্ট করে একটা কথা বলে নিতে চাই, আপনি উইন্ডোজ ব্যবহার করুন কিংবা লিনাক্স আপনার কম্পিটারের মালিক কিন্তু শুধু মাত্র আপনি, এখন আপনি চাইলে’ই কিন্তু আপনার কম্পিটার মারাত্তক হালকা ভাবে ব্যবহার করতে পারেন – ওপর দিকে আপনি ইচ্ছা করলেই “জগাখিচুড়ি” পাকিয়েও আপনার কম্পিটার ব্যবহার করতে পারেন।

না, আমি কোন রেজেস্ট্রি হ্যাক কিংবা উল্টা পাল্টা কিছু করে উইন্ডোজ ১০ স্পীড হ্যাক করবার কথা বলছি না, এখানে আপনি যদি একটু গুড চিন্তা শক্তির সাথে আপনার উইন্ডোজ ১০ ব্যবহার করেন – কেবল তাহলেই আপনি আপনার উইন্ডোজ ১০ অপারেটিং সিস্টেম এর স্পীড বুস্ট করে তুলতে পারবেন।

ওয়েল, তাহলে চলুন মুল গল্পে যাওয়া যাক, ও যেনে নেওয়া যাক কিভাবে আপনার উইন্ডোজ ১০ অপারেটিং সিস্টেম এর স্পীড বাড়িয়ে তুলবেন।

গুগল ক্রোম (বাবাজি)

যদিও আমার এই কথা গুলি একদম’ই বলা উচিৎ নয়, তারপরেও বলছি – দেখুন প্রথমত আপনার কাছে আছে লো- ইন্ড সিস্টেম, তার উপর আবার আপনি উইন্ডোজ ১০ ব্যবহার করছেন, তা ছাড়াও আপনার সিস্টেমে র‌্যাম হচ্ছে “2GB, বা 4GB” ! এরকম অবস্থায় আপনি যদি গুগল ক্রোম ব্যবহার করেন তাহলে বুজতে হবে, আপনার সিস্টেমের ৬৮% নিয়ে নিচ্ছে গুগল ক্রোম!

বাকি যে টুকু অবশিষ্ট থাকছে তা উইন্ডোজের ব্যাকরাউন্ড অ্যাপস গুলি নিয়ে নিচ্ছে – ফলে আপনি পাচ্ছেন মারাত্তক রকম বাজে পারফর্মেন্স। হুম, ব্রাদার গুগল ক্রোম প্রচুর রিসোর্স হাংরি।

অবশ্য এখানে গুগল ক্রোম এর কোন দোষ আমি দেখি না, তার কারন আপনি ব্যবহার করছেন ২০০৯ সালের কম্পিউটার হার্ডওয়্যার বা কম্পনেট, আর এখন গুগল ক্রোম ডেভলপ করা হচ্ছে লেটেস্ট হার্ডওয়্যার বা কম্পনেট এর জন্য।

এ ক্ষেত্রে আপনি নিজেই ভেবে দেখুন আপনার সিস্টেমে কিভাবে গুগল ক্রোম স্মুথ ভাবে রান করবে? তাই সর্বদাই মাথায় রাখবেন লো-ইন্ড সিস্টেম + উইন্ডোজ ১০, এর সাথে কখনই গুগল ক্রোম গুড চয়েজ নয়।

আচ্ছা কিন্তু এখানে তাহলে সমাধান কি??

ওয়েল, আমি জানি বর্তমানে ইন্টারনেট ছাড়া থাকাটা কতটা কস্ট সাধ্য একটা বিষয়। জাই হোক আপনাকে ইন্টারনেট ইউজ করা বন্ধ করতে হবে না, কিন্তু আমি যে বললাম গুগল ক্রোম ব্যবহার করলে উইন্ডোজ ১০ অপারেটিং সিস্টেম স্লো হয়ে যাবে তাহলে?? “আমি উইন্ডোজ ১০ অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করব সাথে ইন্টারনেট ও ব্যবহার করব – কিন্তু আমি ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার ব্যবহার করতে পারব না” এখন কি বলার আছে বলুন।

হা,হা,হা ব্রাদার কোন প্রব্লেম নেই আপনাকে ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার ব্যবহার করার পরামর্শ আমি নিজেও দিব না তার কারন পার্সোনালই ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার ব্রাউজার হিসাবে আমার নিজের;ই মোটেও পছন্দের তালিকায় নেই।

আপনি যা করতে পারেন তা হচ্ছে লাইট- ওয়েট কোন ব্রাউজার এর সাথে যেতে পারেন Slimjet, UR Browser, Qutebrowser, Yandex এই সকল লাইট- ওয়েট ব্রাউজার এর সাথে যেতে পারেন। এই ব্রাউজার গুলি মারাত্তক রকম লাইট- ওয়েট, এই টাইপ এর ব্রাউজার গুলি আপনার লো-ইন্ড সিস্টেম কে বুস্ট করে তুলবে – যেখানে গুগল ক্রোম ইউজ করলে আপনার সিস্টেম বাজে ও খুব বাজে পারফর্ম করে!

আচ্ছা এর পরেও আরও একটা গল্প থেকে যায় তা হচ্ছে, ভাই আমি সব কিছুই বুজলাম কিন্তু আমার এসকল ব্রাউজার পছন্দের তালিকায় নেই – আমার গুগল ক্রোম’ই ভাল লাগে! এবং আমি আমার লো-ইন্ড সিস্টেমে গুগল ক্রোম ব্যবহার করতে চাই, কিন্তু স্পীড টা ভাল পাওয়া চাই! এখন তাহলে কি করব বলুন??

ওয়েল, ব্রো নো প্রবলেম, লো-ইন্ড সিস্টেমেও উইন্ডোজ ১০ + গুগল ক্রোম ব্যবহার করে কিছুটা স্পীড বুস্ট করা পসেবল, কিভাবে বলছি শুনুন।

  • যত কম সম্বব এক্সটেনশন + থিমস ব্যবহার করবার চেষ্টা করবেন
  • ব্যাকরাউন্ডে গুগল ক্রোম রান হতে দিবেন না
  • হার্ডওয়্যার এক্সিলারেশন ডিজেবল করে রাখবেন
  • এক সাথে অনেক গুলি ট্যাব রান করার ভুল করবেন না
  • গুগল ক্রোম রান করা অবস্থায় অন্যান্য অ্যাপস সফটওয়্যার ব্যবহার করবেন না

তো, ব্রো আপনি যদি এই ছোট,ছোট বিষয় গুলি মাথায় রেখে গুগল ক্রোম ইউজ করতে পারেন, কেবল তাহলে আপনার লো-ইন্ড সিস্টেম থেকেও কিছুটা বেটার স্পীড ও পারফর্মেন্স আশা করতে পারেন।

গেমস (ভিন্ন এক প্যাঁড়া)

হুম, যদিও আমি মারাত্তক রকম গেমস প্রেমি মানুষ নই, আমার নিজের গেমস খেলার থেকেও, অন্যকে গেমস খেলতে দেখতে বেশি পছন্দ করি আমি। বাট এখানে গল্প আমার মত করে নাও হতে পারে। হতে পারে আপনি মারাত্তক গেমস প্রেমি একজন মানুষ।

যদি গল্প এরকম হয়ে থাকে, তাহলে ব্রো আপনি নিজেই চিন্তা করুন আপনার কাছে এখন আছে আই থ্রি প্রসেসর ও 500GB হার্ডডিস্ক, এখন আপনি আপনার সেই সিস্টেমে চাচ্ছেন “GTA5” খেলতে! বিষয় টা কি কম হাস্যকর নয়, ভাই আপনি আপনার সিস্টেম অনুয়াজি তো তাকে কাজ দিবেন রাইট?

আপনি যদি আপনার লো-ইন্ড সিস্টেমে ভারি কোন গেমস রান করতে চান, তাহলে আপনাকে তার জন্য অবশ্যই বেটার সিস্টেম থাকা চাই। অন্যথায় আপনার লো-ইন্ড সিস্টেম কোন ভাবেই এই টাইপ এর ভারি গেমস, বা সফটওয়্যার রান করতে পারবে না। আর স্বাভাবিক ভাবেই তখন আপনার উইন্ডোজ ১০ অপারেটিং সিস্টেম বাজে পারফর্মেন্স করবে।

না, না, ভাই ভুল বুজবেন না – আমি নিজে গেমস খেলা পছন্দ করি না তাতে কি, যারা গেমস খেলে বা গেমস খেলে নিজের ক্যারিয়ার তৈরির চিন্তা ভাবনায় আছে আমি তাদের মন থেকেই রেস্পেক্ট করি।

যাই হোক, এখানে কথা হচ্ছে লো-ইন্ড সিস্টেম নিয়ে, জেহেতু আপনার কাছে এখন লো-ইন্ড সিস্টেম আছে, ফলে স্বাভাবিক ভাবেই আপনি লেটেস্ট যে গেমস গুলি আছে তা কখনই আপনার সিস্টেমে বেটার ও স্মুথ ভাবে রান করাতে পারবেন না।

আপনি গেমস খেলুন কিন্তু আপনি পুরানো গেমস গুলি খেলুন, যে গেমস গুলি আপনার সিস্টেমের হার্ডওয়্যার চালাতে সক্ষম সেগুলাই খেলুন অন্যথায়, কখনই আপনার উইন্ডোজ ১০ অপারেটিং সিস্টেমের স্পীড বুস্ট করা পসেবল নয়।

অহেতুক সফটওয়্যার ইন্সটাল করা রাখা

আমি প্রায় অনেকেই দেখি, এমনিতে তাদের লো-ইন্ড সিস্টেম তার উপর আবার লেটেস্ট উইন্ডোজ ১০ অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করছে, তার সাথে ইচ্ছা মত দুনিয়ার সকল সফটওয়্যার ইন্সটাল করে রাখছে। যেগুলা এ জীবনেও ব্যবহার করে কিনা সন্দেহ আছে!

ওয়েল, আপনিও যদি এমন করেন তাহলে আপনার সিস্টেম বাজে পারফর্ম করতে বাধ্য কেননা, আপনার সিস্টেম যেমন আপনাকে তো ঠিক সেভাবেই সফটওয়্যার ব্যবহার করা শিখতে হবে।

আপনার কাছে আছে 2GB র‌্যাম, আর আপনি যদি সেই র‌্যামের উপর দিয়ে দুনিয়া’র সকল সফটওয়্যার এক সাথে রান করতে চান, তাহলে তা কিভাবে সম্ভব বলুন??

তাই সব শেষে বলব, আপনি যদি আপনার উইন্ডোজ ১০ অপারেটিং সিস্টেমের স্পীড বুস্ট করতে চান – তাহলে যে সকল সফটওয়্যার আপনি মোটেও ব্যবহার করেন না, বা যে সকল সফটওয়্যার গুলির আপনার প্রয়োজন নেই সেই সকল সফটওয়্যার আনইন্সটাল করে রাখুন।

প্রয়জনে আপনি আপনার সকল কাজের সফটওয়্যার আপনার হার্ডডিস্ক কিংবা ক্লাউড স্টোরে সেভ করে রাখুন, আপনার যখন যেমন সফটওয়্যার এর প্রয়োজন পড়বে তখন আপনি সেই সফটওয়্যার গুলি ইন্সটাল করে ব্যবহার করুন! এবং ব্যবহার করা শেষে আবার আনইন্সটাল করে দিন। আর এভাবেই আপনি আপনার উইন্ডোজ ১০ অপারেটিং সিস্টেম এর স্পীড বুস্ট করে তুলতে পারেন।

উইন্ডোজ ১০ + অন ড্রাইভ (এক মহা প্যাঁড়া লো-ইন্ড সিস্টেম এর জন্য)

হুম, আপনি যদি আপনার লো-ইন্ড সিস্টেমে উইন্ডোজ ব্যবহার করেন আর তার সাথে উইন্ডোজের অন ড্রাইভ ইউজ করেন। ভাই তাহলে দুনিয়ার কোন টিপস ট্রিক কাজ করবে না, আপনার কম্পিটার আজীবন’ই বাজে পারফর্ম করে যাবে।

তার কারন, আপনি যদি উইন্ডোজ ১০ ব্যবহার করে ইন্টারনেট ব্রাউজ করেন, তাহলে অন ড্রাইভ সর্বদাই তার নিজের কাজ করে যাবে। অর্থাৎ সর্বদাই “সিঙ্ক” করার কাজ চালিয়ে যাবে, ফলে আপনার উইন্ডোজ ১০ অপারেটিং সিস্টেম ব্যাকরাউন্ডে সর্বদাই রান থাকবে। আর তার ফলে খুব স্বাভাবিক ভাবেই আপনার উইন্ডোজ ১০ বাজে পারফর্ম করবে।

না,না,না আরও কাহিনী আছে, এই উইন্ডোজ এর অন ড্রাইভ আপনার ইন্টারনেট স্পীড ও কিন্তু অনেক কমিয়ে দিবে, তার কারন অন ড্রাইভ সব সময় ব্যাকরাউন্ডে চলছে ও “সিঙ্ক” করার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে, ফলে অন ড্রাইভ আপনার যথেষ্ট ইন্টারনেট ইউজ করছে।

তাই আপনি যদি আপনার ঈন্তারনেট বাঁচাতে চান + ইন্টারনেট স্পীড বাড়িয়ে তুলতে চান ও উইন্ডোজ ১০ স্পীড বুস্ট করতে চান – তাহলে অবশ্যই অবশ্যই আপনাকে আপনার উইন্ডোজ ১০ অপারেটিং সিস্টেম থেকে অন ড্রাইভ রিমুভ বা আনইন্সটাল করে দিতে হবে।

মিডিয়া প্লেয়ার + বাজে পারফর্মেন্স

হ্যাঁ, ঠিক তাই আচ্ছা বর্তমানে সব থেকে ভাল ও বেস্ট মিডিয়া প্লেয়ার বলতে আপনি কাকে চিনেন – হুম আই গেস VLC মিডিয়া প্লেয়ার! ওয়েল, ব্রো এখানেও কিন্তু একটা গল্প আছে – লো-ইন্ড সিস্টেমে যদি লেটেস্ট VLC ইউজ করেন ও হাই কোয়ালিটির ভিডিও বা মুভি বা কোন মিডিয়া প্লে করতে চান।

তাহলে দেখবেন কিছু সময়ের জন্য আপনার সিস্টেম “ফ্রিজ” হয়ে যাবে, না এটা হয়তবা আপনি ধরতে পারেন নি, বা পারবেন ও না, কেননা এই ঘটনাটি ঘটে অল্প কিছু মিলি-সেকেন্ড এর জন্য।

যাই হোক, এটা আসলে খুব বরো কোন ইসু না, কিন্তু আপনি খেয়াল করে দেখবেন আপনার কাছে যদি সেই আদিম যুগের কোন সিস্টেম থাকে, আপনি সেই সিস্টেমে উইন্ডোজ + লেটেস্ত VLC ইউজ করছেন দেখবেন অনেক সময়’ই ভিডিও চলতে চলতে “বাফার” করছে, সাউন্ড আগে পরে আসছে!

হুম, এখন আপনি বলতে পারেন এটা ভিডিও ফর্মেট এর জন্য হতে পারে? হ্যাঁ হতে পারে, তবে অনেক সময় আপনার লো-ইন্ড সিস্টেম এর জন্য ও এরকম টা হতে পারে।

তো, আমি জানি অনেকেই VLC মিডিয়া প্লেয়ার এর চরম ভক্ত, ইভেন আমি নিজেও “উবুন্টু” তে VLC মিডিয়া প্লেয়ার ব্যবহার করি – ফলে VLC নিয়ে আর কথা বলব না। তবে আপনি যদি আপনার উইন্ডোজ ১০ অপারেটিং সিস্টেম ফাস্ট ও স্মুথ মিডিয়া প্লেয়ারের সাধ নিতে চান তাহলে আপনি PotPlayer এর সাথে যেতে পারেন।

এন্টিভাইরাস (একগাদা র‌্যাম একাই খেয়ে নেওয়ার জন্য যথেষ্ট)

এই সময়ে এসে এন্টিভাইরাস ব্যবহার করার কতটুকু যুক্তি আছে, এই গল্প অন্য কোন আর্টিকেলের জন্য তুলে রাখছি – এখন প্রস্ন হচ্ছে আপনি উইন্ডোজ ১০ ব্যবহার করছেন সাথে এন্টিভাইরাস ব্যবহার করছেন! ভাই তাহলে আপনি যতই বেটার সিস্টেম ব্যবহার করে থাকুন না কেন, আপনার উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম স্লো হতে এক কথায় বাধ্য।

তার কারন এন্টিভাইরাস গুলির কাজ কি এটা সবার আগে ভাবতে হবে? এন্টিভাইরাস এর কাজ হচ্ছে আপনার সিস্টেম কে প্রটেক্ট করা! এবং তার জন্য এন্টিভাইরাস কে সর্বদাই ব্যাকরাউন্ডে রান হয়ে থাকতে হয়। এবং আপনি যদি 2KB এর ফাইল ও ডাউনলোড করেন তাহকেও স্কেন করার জন্য সবসময় প্রস্তুত থাকে আপনার এন্টিভাইরাস!

এর ফলে হয় কি, আপনি যা কিছুই করুন না কেন এন্টিভাইরাস তো সবসময় আপনার সিস্টেমে রান হয়ে থাকছে ফলে, অনেক টা স্পেস + র‌্যাম একাই খেয়ে নিচ্ছে এন্টিভাইরাস, আর তার ফলে যা হবার তাই হচ্ছে আপনার উইন্ডোজ ১০ অপারেটিং সিস্টেম মারাত্তক বাজে ভাবে স্লো হয়ে পড়ছে ও আপনি পাচ্ছেন বাজে পারফর্মেন্স!

তাই সব সময় চেষ্টা করুন এন্টিভাইরাস ব্যবহার না করবার জন্য, আর তা ছাড়া আপনি যদি উইন্ডোজ ১০ অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করেন তাহলে আপনার আন্টিভারস ব্যবহার করার কোন রকম কোন আবশ্যকটা নেই, “Microsoft Defender” যথেষ্ট আপনার সিস্টেম প্রটেক্ট করবার জন্য!

CPU ওভার ক্লক করে স্পীড বুস্ট

হুম, সব কিছু করা সর্তেও যদি আপনি দেখেন যে কোন কিছুতেই কাজ হচ্ছে না, তাহলে আপনি আপনার “CPU ওভার ক্লক” করে স্পীড বুস্ট করে নিতে পারেন। তবে ধ্যান রাখবেন CPU ওভার ক্লক করা কিন্তু মোটেও ছেলে খেলা না – এটা অনেক ট্রিকি কাজ।

আপনি যদি উল্টা পাল্টা ভাবে CPU ওভার ক্লক করে থাকেন তাহলে আপনার CPU নস্টজ্বলে যেতে পারে – CPU ওভার ক্লক করার পূর্বে আগে ভাল করে রিসার্চ করে নিবেন আপনার কাঙ্খিত CPU ওভার ক্লক সাপোর্ট করে কিনা এই বিষয়ে।

(Note) আপনি যদি একজন ট্রিকি মানুষ না হয়ে থাকেন তাহলে আপনার প্রতি আমাদের পরামর্শ থাকবে, এই পন্থাটি আপনি বয়কট করুন। এটা নতুন দের জন্য একদমই নয়। এবং তারপরেও যদি আপনি আপনার CPU ওভার ক্লক করতে গিয়ে যদি কোন রকম সমস্যার সম্মুখিন হয়ে পড়েন – তাহলে তার জন্য লার্নবিডি দায়ি নয়।

লাস্ট মেথড

হুম, সব কিছু করার পরে আপনি যা করতে পারেন তা হচ্ছে আপনার উইন্ডোজ ১০ অপারেটিং সিস্টেম থেকে “হাই পারফর্মেন্স সেটিং” টি এনাবেল করে দিতে পারেন। কিভাবে করবেন সেই প্রসেস টায় একটু খানি পরে আসছি।

তার আগে একটু বলে রাখি – আপনি যদি ল্যাপটপ ব্যবহার করে উইন্ডোজ ১০ অপারেটি সিস্টেম চালিয়ে থাকেন – তাহলে এই “হাই পারফর্মেন্স” অপশন টি এনাবেল করে দেওয়ার পরে কিন্তু আপনার ল্যাপটপ এর ব্যাটারি লাইফ অনেক টাই বাজে হয়ে যেতে পারে। সো আপনি যদি আপনার ল্যাপটপ এর ব্যাটারি ব্যাকআপ নিয়ে মোটেও চিন্তিত না হয়ে থাকেন তাহলে অবশ্যই এই টিপস কি কাজে লাগিয়ে আপনার উইন্ডোজ ১০ অপারেটিং সিস্টেম এর স্পীড বেশ কিছুটা বুস্ট করে নিতে পারেন।

কিভাবে হাই পারফর্মেন্স সেটিং এবানেল করবেন??

  • প্রথমেই সেটিং অপশনে চলে জান
  • তারপর “System”
  • Power & Sleep
  • Releted Settings
  • Additional Power Settings
ইমেজ ক্রেডিট; LarnBD

পরিশেষে :-

উইন্ডোজ ১০ অপারেটিং সিস্টেম অপ্টমাইজেশন করাবার জন্য, এ ছারাও হাজারো টিপস ট্রিক আপনি ইন্টারনেটে পেয়ে যাবেন – তবে আমাদের উদ্দেশ্য আপনাকে বিভ্রাত করা নয় – বরং সঠিক ও সৎ তথ্যবলি গুলি আপনাদের সামনে তুলে ধরাই আমাদের “লার্নবিডি’র” উদ্দেশ্য।

আশা করি আজকের আর্টিকেল আপনার উইন্ডোজ ১০ অপারেটিং সিস্টেম স্পীড বুস্ট করতে কিছুটা হলেও সাহায্য করবে, ওয়েল, নাও টাইম টু সে বাই,বাই – আপনার এই আর্টিকেল রিলেটেড কোন প্রস্ন ও উপদেশ থাকলে নিচে কমেন্ট সেকশনে আমাদের তা জানাতে ভুলবেন না!

ইমেজ ক্রেডিট; By Panos Sakalakis Via Unsplash

আপনিও কি আমার মত টেক পোকা? আপনারও কি নতুন নতুন টেকনোলজি বিষয়ে জানতে ভালো লাগে? তাহলে বন্ধু আপনি একদম সঠিক জায়গাতে এসেছেন, কেননা আমি এখানে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন টেক বিষয় গুলি নিয়ে আলোচনা করি, এবং টেকনোলজির জটিল টার্ম গুলিকে আপনাদের সামনে জলের মত সহজ করে উপস্থাপন করার চেষ্টা করি

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *