কিভাবে ব্লগে আর্টিকেল লেখার মান ব্রিধি করবেন – ও গুছিয়ে আর্টিকেল লিখবেন?

কিভাবে ব্লগে আর্টিকেল লেখার মান ব্রিধি করবেন? ওয়েল, আর্টিকেল লেখা আর গুছিয়ে আর্টিকেল লেখা দুটি ভিন্ন গল্প। এবং ব্যাপার টা বেশ অনেক টাই রহস্যময়! আর সত্য বলতে কি; এই টপিকের উপর অনেকের’ই মারাত্তক ভুল ধারনা আছে।

অনেকেই মনে করে, আর্টিকেল লেখা একটা আর্ট, সাংবাদিক টাইপ এর চিন্তা ভাবনা না থাকলে বুঝি আর্টিকেল লেখা পসেবল নয়; এবং একটি আর্টিকেল লিখতে হলে নিজের মাঝে দার্শনিক কিংবা কবি,কবি একটা ফ্লেভার থাকা চাই!

ওয়েল, এটা তো গেলো প্রথম পর্যায়ের চিন্তা ভাবনা, এই টাইপ এর ভুল চিন্তা ভাবনা অনেকের মাথায় সারাক্ষণ প্যাঁচ কসতে থাকে; এবং তারা সর্বদাই এই চিন্তাই মগ্ন থাকে যে, কিভাবে ব্লগে আর্টিকেল লেখার মান ব্রিধি করে; নিজের লেখা আর্টিকেল এক সাহিত্যিক পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া যায়।

তো, ব্রাদার আপনার চিন্তা ধারাও যদি এরকম হয়ে থাকে – তাহলে আজ আমি আপনার এই সকল চিন্তার অবশন ঘতাটে চলেছি; কেননা আজকের আর্টিকেলে আমি এই টপিক কভার করতে চলেছি! তাহলে চলুন যেনে আসা যাক, কিভাবে নিজের ব্লগে আর্টিকেল লেখার মান, প্রচণ্ড ভাবে বেটার করতে তুলতে পারেন।

ব্লগিং একটা আর্ট – রিয়েলি তাই বুঝি?

ব্লগিং কোন কালেই আর্ট ছিল না; এবং আজও নেই। বা ব্লগিং কোন জাদু কিংবা ম্যাজিক ও নয় – যে আপনি একজন গুরু ধরলেন ও কিছুদিন পর তার থেকে সব কিছু শিখে নিয়ে নিজেকে একজন ম্যাজিশিয়ান তৈরি করে নিলেন।

এবং হ্যাঁ, ব্লগিং ব্যাপার টাই এমন যে, ইহা আপনাকে একদম বেটে গুলে খাইয়ে দেওয়াও পসেবল না – ব্লগিং ব্যাপার টা সম্পূর্ণ ভাবে নিজের উপরই নির্ভর করছে; ও আপনার চিন্তা শক্তির উপর নির্ভর করছে।

এখন কথা বলা যাক (ব্লগিং = আর্ট) জাস্ট রাবিশ, জাস্ট রাবিশ। এরকম কোন কিছুই নয়, ব্লগিং করতে চাওয়া মানেই আপনাকে, সাহিত্যিক, সাংবাদিক, অথবা কবি, দার্শনিক এরকম কোন কিছুই হওয়ার দরকার নাই। আপনি জাস্ট আপনি!

কি, মাথার উপর দিয়ে যাচ্ছে বুঝি? ওয়েল নো প্রবলেম আমি আরও সহজ করে বুঝিয়ে বলছি! অনেকের দাবি ব্লগিং এক ধরনের আর্ট ব্লগিং সবাই কে দিয়ে সম্ভব ও নয়; কেননা সবাই তো আর খুব সুন্দর করে গুছিয়ে লিখতে পারে না। এই জন্য ব্লগিং সবাই কে দিয়ে হয় না।

কিন্তু সত্যি কথা বলতে এটাই, ব্লগিং কোন আর্ট, ফারট কিছুই নয়! আপনার জাস্ট লেখার মাঝে একটা জাদু থাকতে হবে; এবং এমন ভাবে গুছিয়ে আর্টিকেল লিখতে হবে। যা সব ধরেনর মানুষের বুজতে বিন্দু মাত্র সমস্যা হবে না। অ্যান্ড ইয়া, আপনি যদি এমন ভাবে আর্টিকেল লিখতে পারেন, তাহলে ব্রাদার আপনার আর চিন্তার কোন কারনই নাই।

কেননা আপনি তখন নিজেই বেটার ভাবে বুঝে যাবেন, যে আপনাকে ঠিক কিভাবে গুছিয়ে আর্টিকেল লিখতে হবে। ওয়েল, আমি নিচে আপনাদের সাথে আর্টিকেল লেখার মান ব্রিধি করার কিছু কিলার টিপস শেয়ার করছি। আশা করছি – আপনি যদি নিচে বলা টিপস গুলি ফলো করেন; তাহলে আপনি ১০০% মানসম্মত আর্টিকেল লিখতে পারবেন। আর্টিকেল লেখা হবে তখন জলের মত সহজ।

সহজ ভাষায় ও সহজ করে লেখার চেষ্টা করুণ

ধরে নেওয়া যাক; আপনি আপনার ব্লগে কোন টেকনিক্যাল টার্ম নিয়ে লেখালেখি করছেন। এবং যেহেতু টেকনিক্যাল টার্ম নিয়ে লিখতে বসেছেন, সো সেখত্রে আপনাকে অনেক টেকনিক্যাল টার্ম এক্সপ্লেন করতে হবে। এখন আপনি নিজেই একজন পাঠক হয়ে যান ও ভাবুন কিভাবে এক্সপ্লেন করলে আপনার নিজের বুজতে সুভিধা হচ্ছে।

ব্যাপার টা মোটেও এমন নয় যে টেকনিক্যাল টার্ম এক্সপ্লেন করছেন তার মানে আপনাকে সব কিছুই একদম মারাত্তক টেকি পারশন এর মত হয়ে এক্সপ্লেন করতে হবে। কারন ব্রাদার সবাই তো আর টেকি পারশন না; সাধারণ পাবলিকের কথা মাথায় রেখেই আপনাকে আর্টিকেল লিখতে হবে।

আরও চিন্তা করুণ – যারা টেকি পারশন তারা কেনই বা আপনার ব্লগ পড়তে আসবে, তাদের কাছে তো সব টাই জলের মত পরিষ্কার; সো আপনি লিখছেন হচ্ছে সাধারণ পাবলিক এর জন্য।

এই যেমন ধরুন, আমি আর্টিকেল লিখছি “কিভাবে ব্লগে আর্টিকেল লেখার মান ব্রিধি করবেন” এখন যারা প্রফেশনাল রাইটার তারা কিন্তু ভুল করেও এই আর্টিকেল পড়তে আসবে না। তার কারন তারা জানে তাদের দক্ষতা সম্পর্কে ও সাথে এটাও যানে যে ঠিক কিভাবে গুছিয়ে আর্টিকেল লিখতে হয়।

ঠিক তেমন ভাবেই; যখন আপনি কোন আর্টিকেল লিখবেন, আপনার সহজ সরল পাঠকের কথা মাথায় রেখেই আর্টিকেল লেখার চেষ্টা করবেন। মারাত্তক টেকি ভাবে এক্সপ্লেন না করে, সেই এক্সপ্লেনেশন টা যতটা সম্ভব সহজ করে করবার চেষ্টা করবেন।

নিজের ভাষায় লিখুন ও নিজের মত করে লিখুন

হ্যাঁ, এখানেও কিন্তু আপনাকে আপনার ক্রিয়েটিভিটি দেখাতে হবে; অর্থাৎ আপনাকে আপনার মত করে লিখতে হবে! না,না আপনাকে কোন সাংবাদিক কিংবা কবি টাইপ এর লেখক হতে হবে না, আপনি জাস্ট আপনার নিজের মত করে আর্টিকেল লেখার চেষ্টা করবেন।

ধরুন – আপনি আমাকে কিংবা কাউকে দেখে মারাত্তক বাজে ভাবে উৎসাহিত হয়ে পড়লেন ও চিন্তা করলেন; হ্যাঁ আমাকে ঠিক এই ভাবেই আর্টিকেল লিখতে হবে। চিন্তা ধারা যদি এমন থাকে তাহলে কখনই আপনি নিজের মত করে ও গুছিয়ে আর্টিকেল লিখতে পারবেন না।

কারন, আমি বিশ্বাস করি, আমাদের সবারই লেখার আলাদা, আলাদা একটা প্যাটার্ন আছে। আপনি হাজার চাইলেও আমার মত করে লিখতে পারবেন না, এবং সেই সাথে আমি চাইলেও কিন্তু আপনার মত করে লিখতে পারব না। এই জন্য সব সময় নিজের মত করে লেখার চেষ্টা করবেন।

আচ্ছা, ধরুন আপনি কাউকে দেখে তার লেখা আর্টিকেল পড়ে আপনার মনে হল; হ্যাঁ আমি এখন থেকে এভাবেই আর্টিকেল লিখব! হুম, ভাল কথা – যে কথা সেই কাজ আপনি লেখাও শুরু করে দিলেন সেই ভাবে। কিন্তু আপনি সমস্যায় পড়বেন কিছুদিন পর থেকে, কিভাবে?

কিভাবে আর, আপনি যেহেতু আপনার নিজের নিজস্বতা দিয়ে লেখার চেস্টা করছেন না; অন্য কাউকে দেখে তার লেখার স্টাইল কপি করছেন! সো এভাবে আর কতদিন, একটা সময় গিয়ে নিজেও মারাত্তক কনফিউশনে পড়ে যাবেন, যে এখন এটা কিভাবে লিখব?

হুম, এটা হওয়া টা খুব স্বাভাবিক, যদি আপনি অন্য কার লেখার স্টাইল কপি করেন তাহলে! তাই সব সময় চেষ্টা করবেন নিজের মত করে লেখার; নিজের ভেতরের থেকে লেখার জন্য। আপনার যা ইচ্ছা যেভাবে ইচ্ছা ঠিক সেভাবেই লিখুন। দেখবেন একটা সময় আপনার লেখার মাঝেও এক ধরেন জাদু চলে আসবে। ও তখন আপনার লেখার স্টাইল একক ও ইউনিকে রুপান্তরিত হবে।

আর্টিকেল লেখার পূর্বে প্রপার ভাবে রিসার্চ করুণ

হ্যাঁ, এখানে লজ্জার কিছুই নাই। আমি আমার নিজের কথাই বলি, আমি কিন্তু সব জান্তা সামসের টাইপ এর কেউ নই, আমিও প্রতিনিয়ত অন্যর ব্লগ পড়ি। ও প্রতিনিয়ত জ্ঞান চর্চার উপরেই থাকি। এবং সেই সাথে আমি কোন আর্টিকেল লেখার পূর্বে অনেক বেশি রিসার্চ করি।

যাতে করে আমি আপনাদের সামনে বিষয় টা জলের মত সহজ করে উপস্থাপন করতে পারি – আপনিও তাই করুণ না মশাই। ধরুন আপনি একটি টপিক টার্গেট করে আর্টিকেল লিখবেন, আপনার সেই টপিক সম্পর্কে কিছুটা ধারনা আছে। কিন্তু আপনি একদম পরিষ্কার নয় সেই টপিকের উপরে।

যদি পরিস্থিতি এমন হয়, তাহলে প্রপার ভাবে রিসার্চ না করে ওই টপিক কভার করতে যাবেন না; অর্থাৎ ওই টপিকের উপরে আর্টিকেল লিখতে বসে যাবেন না!

প্রথমে আপনি যে টপিকের উপর আর্টিকেল লিখবেন সেই টপিকের উপরে ভাল ভাবে রিসার্চ করুণ ও সব টা নিজে আয়ত্ত করে নিন। তারপর সেই টপিক টা ভাঙ্গিয়ে নিজের মত সহজ করে গুছিয়ে লেখার চেষ্টা করুণ। ব্যাস!

প্রতিনিয়ত অন্যের ব্লগ পড়ুন

হ্যাঁ, আপনি যত বেশি অন্যের ব্লগ পড়বেন আপনার রাইটিং স্কিল ও ঠিক তততাই ভাল করে তুলতে পারবেন! অবশ্য এর পিছে একটা ব্যাখ্যা আছে, আমি আপনাকে এখন সেই ব্যাখ্যা টাই দিতে চলেছি।

ধরুন আপনি একক ভাবে আপনার ব্লগিং ক্যারিয়ার বিল্ড করছেন; আপনার ব্লগে লেখক এক মাত্র আপনি, সো আর্টিকেল লেখা থেকে শুরু করে, ওয়েবসাইট অপ্টিমাইজ করা ও মেইনটেন্যান্স করা সব কিছু আপনাকে করতে হয়।

এমন অবস্থায় আপনি যদি শুধু আর্টিকেল লেখা ও ওয়েবসাইট মেইনটেন্যান্স করাকেই বেশি গুরুত্ত দেন, তাহলে আপনার জন্য অনেক বড় সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে। কিভাবে বলছি শুনুন – আপনি যেহেতু আপনার ব্লগের একক লেখক ও বলা চলে আপনার ব্লগের আপনি সব কিছু।

এখন প্রতিদিন আপনার কাজ হচ্ছে, আপনি প্রতিদিন আর্টিকেল লিখবেন ও তারপর যথারীতি আপনার ওয়েবসাইট মেইনটেন্যান্স করবেন। আর এটাই আপনার রুটিন। যদি গল্প এমন হয় তাহলে ব্রাদার আপনি অনেক অনেক পিছিয়ে পড়বেন সব কিছুতেই।

আপনি কখনই সেই প্রফেশনাল লেখকের খাতায় নিজের নাম তুলতে পারবেন না। কেননা আপনার তো বাইরের দুনিয়া বা আর যারা এই ব্লগিং ফিল্ডে আছে, তাদের সাথে আপনার টাচ নাই। আপনি তাদের লেখাও পরছেন না, বা তারা কিভাবে লিখছে, সে বিসয়ের উপর ও ধ্যান রাখছেন না সো বুজতেই পারছেন।

আর ঠিক এই জন্য আপনি একই সাথে, নিজে নিজের ব্লগে আর্টিকেল লিখবেন পাশাপাশি আপনার ব্লগ মেইনটেন্যান্স করবেন; এবং তার মাঝ থেকে আপনাকে টাইম বের করে অন্যের ব্লগ ও পড়তে হবে।

এতে করে হবে কি, আপনি অনেক কিছু জানতে পারবেন ও প্রতিনিয়ত অনেক অনেক বিষয় শিখতে পারবেন, এবং সব থেকে বড় বিষয় হচ্ছে, আপনি নিজের অজান্তেই নিজেকে প্রফেশনাল লেখকে রুপাতরিত করে নিতে পারবেন।

আচ্ছা, আপনি একটা কাজ করুণ! আপনি আজ থেকে প্রচুর ব্লগ পড়া শুরু করে দিন, ও আজ থেকে ঠিক ১০/১৫ দিন পরে নিজে একটা আর্টিকেল লেখার চেষ্টা করুণ। তাহলে তখন আমার তখন সঠিক ও পরিপূর্ণ মানে আপনি ধরতে পারবেন।

আপনার ব্লগের পাঠকের চাহিদা কি, এটা বুজতে শিখুন

প্রথম অবস্থায় সবাই কম বেশি ভুল করে, এটা আসলে কোন বড়ো ফাক্ট না। আপনি প্রথম অবস্থায় আর্টিকেল লিখুন ও কিছুদিন ওয়েট করুণ; তারপর যখন আপনার ব্লগে কমবেশি ট্রাফিক আশা শুরু করবে, ও আপনার ব্লগের পাঠক আপনাকে তার মতামত জানাতে শুরু করবে, তখন তাদের থেকে আইডিয়া নেওয়ার চেষ্টা করুণ।

এবং এমন ভাবে বিষয় টা ভাবুন, যে আপনার লেখা আর্টিকেলে আপনার ব্লগের পাঠক খুশি তো? যদি বুজতে পারেন যে হ্যাঁ, আপনার লেখার স্টাইল আপনার ব্লগের পাঠক পছন্দ করছে, তাহলে আপনি সেভাবেই লেখার চেষ্টা করুণ।

আর যদি আপনি বুজতে পারেন, আপনার ব্লগের পাঠক কোন স্পেসিফিক বিষয় বুজতে পারি নি। তাহলে ধরে নিতে হবে – আপনার লেখার মাঝে হয়তবা কোথাও কোন কমতি আছে। তো তখন তারপর থেকে বিষয় গুলা আরও সহজ করে লেখার চেষ্টা করবেন। হ্যাঁ, এভাবেই আপনাকে আর্টিকেল লেখার মান ব্রিধি করে তুলতে হবে।

এটা কোন জাদু কিংবা ব্ল্যাক ম্যাজিক নয়, আপনাকেই সব কিছু ধিরে ধিরে শিখতে হবে। এখানে টাইম এর খেলা, রাতারাতি কোন কিছুই এখানে হয় না। ধিরে সুস্থে টাইম নিয়ে সব কিছু আপনার মাঝে এমনি চলে আসবে।

আপনার যে টপিকের উপর ভাল জ্ঞান আছে প্রথমে সেই টপিক গুলাই কভার করুণ

না,না,না আপনি কাউকে দেখলেন যে, সে টেকি টার্ম গুলা মারাত্তক সহজ ভাবে এক্সপ্লেন করছে, এর মানে আপনিও সেইম টপিক কভার করবেন ও চিন্তা করলেন আমিও ঠিক এমন ভাবেই এই টপিক কভার করব।

ব্যাস যদি এমন করেন, তাহলে দেখবেন এক আর্টিকেল লিখতে গিয়ে কম করে ডজন কয়েক বার হোঁচট খাবেন। কারন এখানে আসল গল্প হচ্ছে, আপনি যার লেখা পড়ে ভেবেছেন এটা তো দেখি মারাত্তক রকম সহজ আসলে ব্যাপার টা কিন্তু ঠিক তা নয়! ব্যাপার টা কিছুটা এমন আপনি যে বাক্তির এক্সপ্লেনেশন পড়ে ভেবেছেন আপনি ঠিক তার মত করে এক্সপ্লেন করবেন! আসলে এটা সেই বাক্তির স্কিল, বা তার দক্ষতা।

আপনি আজ দুদিন হচ্ছে ব্লগিং করছেন, আর ওপর দিকে আপনাকে যার এক্সপ্লেনেশন পড়ে ভেবেছেন তার মত করে এক্সপ্লেন করেন, সেই মানুষ টি ব্লগিং করছে আজ ৪ বছর হল। তাহলে কিভাবে আপনি তার মত করে এক্সপ্লেন করতে পারবেন বলুন? নিজেকেই নিজে প্রস্ন করুণ!

এই জন্য প্রথমে ব্লগিং শুরু করে দেওয়ার পরেই, কাউকে দেখে তার মত হওয়ার চেষ্টা করবেন না, এতে আপনার টাইম নষ্ট ছাড়া আর কিছুই হবে না। আর নিজের স্কিল তো বিন্দু মাত্র ইম্প্রুভ করতে পারবেন না।

তাই, ব্লগিং শুরু করে দেওয়ার পরে – যখন প্রথম আর্টিকেল লিখতে বসবেন, তখন আপনি যে টপিক গুলা তে মারাত্তক রকম বেশি পটু সেই টপিক গুলাই কভার করুণ। অর্থাৎ যে টপিক নিয়ে আপনি দিবারাত্রি অনর্গল বক বক করতে পারবেন। প্রথম দিকে এমন টপিক কভার করার চেষ্টা করুণ।

নিজে একটু ক্রিয়েটিভ হওয়ার চেষ্টা করুণ

ব্যাপার টা এমন নয়, আপনি সব কিছুতেই অন্যের উপর নির্ভরশীল। অর্থাৎ আপনি অন্যরা যা করছে আপনিও সেইম জিনিস টাই করছেন। নো এরকম করলে আপনার আর তাদের মাঝে পার্থক্য টা কি থাকবে।

নিজের কাজের মাঝে এমন কিছু বৈশিষ্ট্য আনতে হবে। যা অন্যদের মাঝে নেই। অর্থাৎ সহজ ভাবে বলতে নিজের লেখার মাঝে এমন কিছু জাদু আনার চেষ্টা করতে হবে, যা অন্যদের লেখার মাঝে নেই।

এবং সব সময় নিজের লেখার মান এমন ভাবে করতে হবে, যা সকলেই খুব সহজে তা বুজতে পারে – ও সেই সাথে নিজের লেখায় ও ক্রিয়েটিভিটি প্রদান করে। আসলে ব্যাপার টা হচ্ছে, লেখালেখি বিষয় টা আপনার মন থকে আশা চাই, আমি আপনাকে যতই যা কিছু করতে বলি না কেন আপনার যদি ভেতর থেকে লেখালেখি করতে সাড়া না দেয় তাহলে আপনি অনেক পিছিয়ে থাকবেন।

তাই লেখালখি ভেতর থেকে করার চেষ্টা করুণ; এমন ভাবে লিখুন আর মনে করুণ এমন ভাবে আর কেউ লিখতে পারে না। এই লেখাটা আপনারই সৃষ্টি; এবং আপনার লেখা শুধু আপনার’ই।

মুল কথাঃ –

আসলে ব্লগিং কিংবা আর্টিকেল লেখা দুটোর কোনটাই হাতে কলমে বুঝিয়ে বা শিখিয়ে দেওয়া সম্ভব না – এই বিষয় গুলি একদম ভেতর থেকে আশা চাই, কেবল তবেই আপনি মারাত্তক বেটার ভাবে গুছিয়ে আর্টিকেল লিখতে পারবেন। আসলে এখানে সম্পূর্ণ গেম হচ্ছে টাইম এবং আপনার উপর। আপনি নিজেকে যেভাবে তৈরি করবেন ফলাফল ও ঠিক তেমন পাবেন।

তবে হ্যাঁ আপনি চাইলেই কিন্তু গেম চেঞ্জ করে ফেলতে পারেন!

ইমেজ ক্রেডিট; By Trent Erwin Via Unsplash

আপনিও কি আমার মত টেক পোকা? আপনারও কি নতুন নতুন টেকনোলজি বিষয়ে জানতে ভালো লাগে? তাহলে বন্ধু আপনি একদম সঠিক জায়গাতে এসেছেন, কেননা আমি এখানে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন টেক বিষয় গুলি নিয়ে আলোচনা করি, এবং টেকনোলজির জটিল টার্ম গুলিকে আপনাদের সামনে জলের মত সহজ করে উপস্থাপন করার চেষ্টা করি

3 responses on “কিভাবে ব্লগে আর্টিকেল লেখার মান ব্রিধি করবেন – ও গুছিয়ে আর্টিকেল লিখবেন?”

  1. “এই যেমন ধরুন, আমি আর্টিকেল লিখছি “কিভাবে ব্লগে আর্টিকেল লেখার মান ব্রিধি করবেন” এখন যারা প্রফেশনাল রাইটার তারা কিন্তু ভুল করেও এই আর্টিকেল পড়তে আসবে না। তার কারন তারা জানে তাদের দক্ষতা সম্পর্কে ও সাথে এটাও যানে যে ঠিক কিভাবে গুছিয়ে আর্টিকেল লিখতে হয়।

    ঠিক তেমন ভাবেই; যখন আপনি কোন আর্টিকেল লিখবেন, আপনার সহজ সরল পাঠকের কথা মাথায় রেখেই আর্টিকেল লেখার চেষ্টা করবেন। মারাত্তক টেকি ভাবে এক্সপ্লেন না করে, সেই এক্সপ্লেনেশন টা যতটা সম্ভব সহজ করে করবার চেষ্টা করবেন।”

    কথাটা খুবই সত্য। 😍

    ভালো লিখেছেন ভাই। তবে কিছু বানান ভুল না থাকলে আরো ভালো হতো।

    Reply
    • সরি ব্রো, নেক্সট টাইম আর্টিকেল পাবলিশ করবার পূর্বে, অবশ্যই এই বিষয় গুলি মাথায় রেখেই আর্টিকেল লিখব!

      Reply

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *