অনলাইনে ডাটা স্টোর করার পূর্বে আপনার যে বিষয় গুলি জানা দরকার

অনলাইনে-ডাটা-স্টোর-করার-পূর্বে-আপনার-যে-বিষয়-গুলি-জানা-দরকার
অনলাইনে-ডাটা-স্টোর-করার-পূর্বে-আপনার-যে-বিষয়-গুলি-জানা-দরকার
অনলাইনে-ডাটা-স্টোর-করার-পূর্বে-আপনার-যে-বিষয়-গুলি-জানা-দরকার
অনলাইনে-ডাটা-স্টোর-করার-পূর্বে-আপনার-যে-বিষয়-গুলি-জানা-দরকার

কখনও না কখনও নিশ্চয়ই আপনারও অনলাইনে আপনার ডাটা স্টোর করার প্রয়োজন পড়ে, এবং আপনি একদম নিশ্চিন্তে আপনার ডাটা/তথ্য অনলাইনে স্টোর করে থাকেন। বাট,ওয়েট ব্রো এই যে আপনি আপনার পার্সোনাল অথবা আপনার খুব দরকারি ফাইল গুলি অনলাইনে স্টোর করে রাখছেন। আপনি জানেন কি, এই ফাইল গুলি কেউ দেখছে কি-না বা আপনার কাঙ্খিত স্টোর করা ফাইল কোথাও কেউ লিক করছে কিছু… ওয়েল ব্রাদার বুজতেই পারছেন গল্পটা অনেক ইন্টারেস্টিং হতে চলেছে, বিস্তারিত বলছি।

অনলাইনে ডাটা স্টোর বিষয় টা কি? পরিস্কার ধারনা…

ওয়েল, ব্রাদার আপনি কখনও গুগলে ড্রাইভ/বা মেগা অনলাইন ক্লাউড স্টোরেজের নাম শুনেছেন? হ্যাঁ, অবশ্যই শুনেছেন এবং আপনি অনেক বারই আপনার গুগলে ড্রাইভে আপনার পার্সোনাল ডকুমেন্ট সহ নিজের পার্সোনাল অনেক তথ্যই সেখানে স্টোর করে রেখেছেন। কি তাই তো?

যদি আপনার উত্তর হ্যাঁ হয়ে থাকে, তাহলে ব্রাদার অনলাইন ডাটা স্টোর কি, এই বিষয় টা আপনি খুব ভালো করেই জানেন। বাট ব্রো এখানেই শেষ নয় আরও গল্প বাকি আছে নিচে বিস্তারিত আলোচনা করছি।

এখন ধরে নেওয়া যাক, অনলাইন ডাটা স্টোর কি এই বিষয় এর সাথে আপনার পূর্বে কোন যোগাযোগ নেই বা ছিল না, অথবা আপনি জানেন না। যদি আপনি না যেনে থাকেন তাহলে আপনার জন্য বলছি — অনলাইনে ডাটা স্টোর বলতে বুঝায় আপনার মোবাইল বা কম্পিটারে থাকা কোন ফাইল কে ইন্টারনেটে সেইভ করে রাখা। আর তার ফলে আপনার অনলাইনে সেইভ করা ডাটা/তথ্য আপনি যে কোন সময়, যেখান থেকে খুশি সেখান থেকেই আক্সেস করতে পারেন ও আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী আপনার অনলাইনে স্টোর করা ফাইল টি নিয়ে ব্যবহার করতে পারেন।

আচ্ছা আরও সহজ করে বুঝিয়ে বলার চেস্টা করছি — ধরে নেওয়া যাক আপনার কাছে অনেক গুলা পুরাতন ছবির অ্যালবাম এর কালেক্টশন আছে। যে ছবি/অ্যালবাম টি আপনার কাছে অন্তান্ত প্রিয়; আপনি কোন ভাবেই সেই অ্যালবাম কে ভুলেও মিস করতে চান না। বাট, ওয়েট, ওয়েট কি হবে যদি আপনি আপনার সেই কাঙ্খিত অ্যালবাম টি ভুলে ডিলিট করে দেন। বা কোন ভাবে আপনার ডাটা করাপ্টেড হয়ে যায় তখন? ওয়েল; তখন যা হবে তা তো হবেই, তবে অনেকে এই ভুল করে ডিলিট করে দেওয়া ও হঠাৎ করে মেমরি করাপ্টেড হওয়ার থেকে বাঁচতে নিজের ডাটা কে অনলাইনে স্টোর করে রাখে; যেমন গুগলে ড্রাইভমেগা; ফেচবুক এরকম আরও অসংখ্য অনলাইন ফাইল স্টরেজ প্লাটফ্রম আছে, সেখানে নিজের ডাটা স্টোর করে রাখা যায়।

তাহলে বুজতে পেরেছেন অনলাইন ডাটা স্টোরেজ কি? ও অনেকে কেন অনলাইনে তাদের ডাটা ষ্টোর করে রাখে। হ্যাঁ বুজতে পেরেছেন নিশ্চয়ই! কিন্তু ব্রাদার গল্প এখনো অনেক বাকি, আপনি যে অনলাইনে আপনার পার্সোনাল ডাটা সেইভ করে রাখছেন। আপনার স্টোর করা কাঙ্খিত ডাটা কতটুকু নিরাপদে থাকছে এই বিষয়ে আপনি কখনও ভেবেছেন কি? মেবি না, জদি ভাবতেন তাহলে আর আপনাকে হ্যাক হতে হত না, এবং আপনার পার্সোনাল তথ্য পাবলিক এর কাছে উন্মুক্ত হয়ে জেত না।

অনালাইনে ডাটা স্টোর করা কততুকু সেইভ?

এই প্রশ্নের উত্তর কিছুটা এমন হবে, সেইভ আবার সেইভ না। কিভাবে, বলছি আপনি যদি বিশ্বত কোন অনলাইন ক্লাঊড স্টোরেজ ব্যবহার করে আপনার ডাটা স্টোর করেন তাহলে আপনার ডাটা সেইভ; যেমন গুগলে ড্রাইভ, আপনি গুগলে ড্রাইভে আপনার সব কিছুই স্টোর করে রাখতে পারেন একদম নিশ্চিন্তে।

কিন্তু আপনি যদি ফেচবুকের মত প্লাটফরম ব্যবহার করে আপনার পার্সোনাল ডাটা স্টোর করে রাখেন তাহলে আপনার ডাটা পুরুপুরি ভাবে কখনও সুরক্ষিত না। কারন ফেচবুক মাঝে মাঝেই হ্যাক হয়ে থাকে ও তাদের ডাটা লিক হয়ে থাকে। ফলে আপনি যদি ফেচবুকে আপনার ডাটা স্টোর করেন তাহলে আপনার ডাটা কখনই পুরপুরি ভাবে সেইভ না।

ব্যাস, এখন তাহলে আপনি ভাবতে শুরু করে দিয়েছেন তাহলে তো গুগলে ড্রাইভ ই বেস্ট। গুগল ড্রাইভে ডাটা স্টোর করে রাখলেই আপনার ডাটা ১০০% সেইভ! না ব্রাদার অনলাইনে কখনও আপনার ডাটা ১০০% সেইভ না। হ্যাঁ গুগল ড্রাইভ হয়তবা ১০০% সেইভ তবে অনেক সময় হয়তবা আপনার নিজের কিছু ভুলের জন্য আপনার ডাটা হ্যাক হতে পারে। বা আপনার ডাটা চুরি হয়ে যেতে পারে।

কিভাবে, ধরুন আপনি আপনার গুগল ড্রাইভে কোন ফাইল স্টোর করে রেখেছেন; এখন কোন ভাবে কোন ব্লাক-হ্যাট হ্যাকার আপনার ইমেল অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে নিল তাহলে? তাহলে আপনার ডাটা কত টুকু সেইব বলুন এবার। যদি আপনার ইমেল অ্যাকাউন্ট ধরেই হ্যাক হয়ে যায় তাহলে তো সব কিছুই গেলো। তাহলে কিভাবে আপনার অনলানে স্টোর করা ফাইল সেইভ থাকল। বলুন?

ওয়েট; ব্রাদার ভয় পাবেন না! আমি আপনার সাথে অনলাইনে সেইভলি ডাটা স্টোর করার কিছু মারাত্মক টিপস শেয়ার করছি।

অনলাইনে সেইভলি ডাটা স্টোর করার মারাত্মক টিপস!

যদি আপনি আপনার ডাটা সেইভলি অনলাইনে স্টোর করতে চান তাহলে আমি যে পদ্ধতি অবলম্বন করি আপনি সেই পদ্ধতি অবলম্বন করে নিজের ডাটা অনলাইনে স্টোর করতে পারেন! এবং ১০০% না হলেও ৯৯.৯৮% নিশ্চিন্তে থাকতে পারেন যে আপনার অনলাইনে স্টোর করা ডাটা সুরক্ষিত আছে। এবং আপনি যে প্লাটফরমে আপনার ডাটা ষ্টোর করেছেন সেই প্লাটফরম ধরেও যদি হ্যাক হয়ে যায়, বা আপনার অ্যাকাউন্ট ধরেও যদি হ্যাক হয়ে যায়; তারপরেও আপনার কাঙ্খিত স্টোর করা ফাইল সুরক্ষিত থাকবে। কেউ চাওয়া মাত্রই আপনার ডাটা দেখতে বা হ্যাক করতে পারবে না।

আচ্ছা চলুন তাহলে যেনে নেওয়া যাক সেই পদ্ধতি, আপনি প্রথমে যে কাজ টি করবেন তা হচ্ছে আপনি যে ফাইল টি বা যে ফাইল গুলি অনলাইনে স্টোর করতে চাচ্ছেন। সেই ফাইল “WinRAR” দিয়ে জিপ করে নিবেন এবং জিপ করার আগে, সেই কাঙ্খিত ফাইলে একটি পাসওয়ার্ড দিয়ে দিবেন। এবং তারপর জিপ ফাইল তৈরি করবেন।

এবার আসি যদি আপনার প্রতিটি ফাইলি খুব গুরুত্বপূর্ণ হয়, তাহলে প্রতিটি ফাইল একটি একটি করে জিপ ফাইল তৈরি করেবেন ও পাসওয়ার্ড সেট করে দিবেন। এবং তারপর সব গুলি ফাইল একসাথে জিপ করবেন ও সেই জিপ ফাইলেও আলাদা করে একটি পাসওয়ার্ড দিয়ে দিবেন।

এবং তারপর আপনার যেখানে খুশি আপনি আপনার ফাইল স্টোর করে রাখতে পারেন একদম নিশ্চিন্তে। ধরে নিন আপনি ফেচবুকে আপনার কাঙ্খিত ফাইল টি স্টোর করে রেখেছেন, যদি আপনার ফেচবুক অ্যাকাউন্ট ধরেও হ্যাক হয়ে যায় তারপরেও আপনার ফাইল ১০০% সেইভ থাকবে। কেননা আপনি আপনার স্টোর ক্রিত প্রতিটি ফাইলেই পাসওয়ার্ড দিয়ে রেখেছেন। এবং প্রতিটা ফাইল এর পাসওয়ার্ড ব্রেক করা সহজ নয়। ফলে আপনার অনলাইনে স্টোর ক্রিত ফাইল যদিও বা হ্যাক হয়ে যায় তাহলেও আপনি সুরক্ষিত থাকতে পারবেন। তো এই ছিল অনলাইনে ডাটা স্টোর করার পূর্বে আপনার যে বিষয় গুলি জানা প্রয়জন তার উপর একটি পস্ট ধারনা।

ইমেজ ক্রেডিট; Pixabay Via Pexels

আকাশ গোলদার
আপনিও কি আমার মত টেক পোকা? আপনারও কি নতুন নতুন টেকনোলজি বিষয়ে জানতে ভালো লাগে? তাহলে বন্ধু আপনি একদম সঠিক জায়গাতে এসেছেন, কেননা আমি এখানে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন টেক বিষয় গুলি নিয়ে আলোচনা করি, এবং টেকনোলজির জটিল টার্ম গুলিকে আপনাদের সামনে জলের মত সহজ করে উপস্থাপন করার চেষ্টা করি।